আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

ঢাকার বিভক্তি ও কিছু জিজ্ঞাসা।

পত্রিকায় দেখলাম ঢাকা বিভক্ত হচ্ছে। প্রধান্মন্ত্রী বলছেন,এটা ভালো হবে ঢাকার জন্য। তবে কেউই নিশ্চিত না আসলে পরে কি ঘটবে। প্রকৃতপক্ষে দেশ যখন এমনিতেই ঘোরতর সংকটে আছে টিপাইমুখ,শেয়ার বাজার নানাবিধ আইনশৃংখলাজনিত অবনতি নিয়ে তখন এ ধরনের দাওয়াত দিয়ে নিয়ে আসা সংকট পরিস্থিতিকে আরো ঘোলা করবে। একবার তাদের মাথায় আসলো বিমানবন্দর করবো,পরে তারা এ থেকে বাধ্য হয়ে সরে আসার পর ক্ষোভস্বরুপ এটা ঘটলো।

জনগনের মতের এমন পায়ে দলন না ঘটানো তাদের জন্য ভালো ছিল। বিশ্বের সবচেয়ে বড় বড় শহর গুলোও প্রশাসনিক ভাবে বিভক্ত নয়,বরং তারা বেশ সমম্বিত বিভিন্ন ব্যাপারে। আসলে আমাদের প্রধান সমস্যা হচ্ছে আমাদের কোন দীর্ঘমেয়াদী সমম্বিত পরিকল্পনা নেই নগর ও রাস্ট্র নিয়ে। আছে পারস্পরিক রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বাস্তবায়নের পঞ্চবার্ষিকী প্লান। আর কিসব হামবড়া টাইপের মন্ত্রীপরিষদ যার আবার সাইজ বৃদ্ধি ঘটে,না হলে যে দলছুট প্রবনতা বেড়ে যাবে।

আর এসব রাজনৈতিকদের এম্পি মিনিস্টার হলে তো আবার বিনা শুল্কে গাড়ি বা অনেক কিছু করার সুবিধা আছে। অথচ দরিদ্ররা ব্র্যাক ব্যাংকের ঋনের জন্য সন্তানশুদ্ধ জেল খাটে। তাই এদের কাছে আমরা কিছু আশা করি না। হায় এমন একটি সরকার কি আমরা কোনদিন পাবো না যারা –আইন বিচার বিভাগ দলীয়করন করবে না,যারা সরকারী কর্মকমিশন কে দলীয় নিয়োগে রুপান্তরীত করবে না,যারা পুলিশকে নিজেদের কাজে লাগাবে না,যারা দ্রব্যমুল্য সহনীয় রাখার চেস্টা করবে,রাস্তা-ঘাট যথাসময়ে মেরামত করবে,দেশের মানুষের মোবিলিটির জন্য পর্যাপ্ত বাস ও ট্রেনের ব্যবস্থা করবে,দুই লেনের ট্রেন লাইন ও চার লেনের মহাসড়ক গড়বে,কখনো বিনা শুল্কে কিছু কিনবে না। বাস এটুকুই তো আমরা চাই,কারন আমরা যেমন সবরকম শুল্ক দেয়,ইউটিলিটি বিল দিই তারাও যেনো আমাদের মতো সবকিছু নিয়ম করে দেয়,সিটিজেন চার্টার তো তাই বলে।

আমরা নিরাশাবাদী নয়,একদিন নিশ্চয় এমন ঘটবে। আশায় রইলাম। ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।