আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

কুয়েত মৈত্রী হলে যুব দিবস : মানুষই আসল তবু...

অলসদের দিয়ে কী আর হয়। আলসেমি ছাড়া! ১২ আগস্ট আন্তর্জাতিক যুব দিবস। দিবস উপলক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কুয়েত-মৈত্রী হলে একটি সেমিনারের আয়োজন করা হয়্। সারাদেশে টিআইবির ইয়েস গ্রুপ রয়েছে। মৈত্রী হলের ইয়েস গ্রুপ এই সেমিনারের আয়োজন করে, ১৪ তারিখে।

আমার সৌভাগ্য হয়েছে সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার। হলের কমনরুমে ছোট্ট ছিমছাম অনুষ্ঠান। হলের প্রভোস্ট শুরু করে দিয়ে গেলেন। মনে করিয়ে দিয়ে গেলেন, বদলের লড়াই‌-এ সামনে থাকে য়ুবরা। একটি চমৎকার উপস্থাপনা ছিল।

বিষয় বন্তু ছিল : বাংলাদেশের যুবদের অর্জন ও চ্যালেঞ্চ। দুইজন মিলে উপস্থাপনাটি করেছে। সেখানে যুবদের সামাজিক অবস্থান, তাদের শক্ষিমত্তা আর চ্যালেঞ্চগুলো অনেক ডেটা, ছবি আর উদাহরণ দিযে তুলে ধরা হয়েছে। কয়েকটি বিষয় প্রেজেন্টাররা আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছেন যার মধ্যে আমাদের দেশে যুবদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা, প্রযুক্তিকে আলিঙ্গনে তাদের সহজাতবোধ এবং রুখে দাড়ানোর মানসিকতা। এসেছে মুক্তিযুদ্ধে যুবদের ভূমিকা।

চ্যালেঞ্চদের মধ্যে জোর দেওয়া হয়েছে শিক্ষাকে সব্রাগ্রে। সামজিক বিষয়গুলোও এসেছে। নেতৃত্বের বিকাশের জন্য তারা স্ব-উদ্যোগী হয়ে কী কী করছে তার কথাও এসেছে। সক্ষেপে খুবই গোছানো কী-নোট স্পীচ। আমার বলার সময় আমি দেখলাম ওরা প্রায় সবই বলে ফেলেছে, তাই নতুন কিছু তেমন বলতে পারলাম না।

ঘুরে ফিরে তারুন্যের জয়গাঁথার গাইলাম। প্রশ্নোত্তর পর্বে একটি মেয়ে (আমি দু:খিত যে তার নাম স্মরণ করতে পারছি না) বললো- একাত্তর সনে যোগাযোগের মাধ্যম বলতে রেডিও আর জন থেকে জনে। তাই দিয়ে আমরা সকলে সকলের কাছে ছিলাম। একত্রিত হয়ে শত্রুর মোকাবেলা করেছি। আর এখন কাছে থাকার কত আয়োজন : টেলিফোন, মোবাইল, ইন্টারনেট, ফেসবুক।

কিন্ত জাতি হিসাবে আমরা শত বিভক্ত! কেন? আমরা সবাই মিলে তার এই কথার উত্তর খোজার চেষ্টা করেছি। শেষ পর্যন্ত পেরেছি কী না জানি না। কারণ আমরা বলেছি, “শেষ বিচারে মানুষই আসল। সব ধরণের প্রযুক্তি কীভাবে ব্যবহার হচ্ছে সেটাই মুখ্য। প্রযুক্তির নিজের কোন ক্ষমতা নেই পরিবর্তনের!” এটা জানা কথা।

নে সময় আমার বলতে মনে ছিল না মিসরের কথা। সেখানে ৩০ বছরের জালিম শাসকের বিরুদ্ধে একত্রিত হওয়ার রসদ জুগিয়েছে ঐ প্রযুক্তি। কিন্তু, আমাদের দেশে একই প্রযুক্তি আমাদের একত্রিত হওয়ার ব্যাপারে তেমন একটা সহায়তা করছে না। কারণ, আমাদের সমস্যা মানুষে। মানুষই আসলে লড়াই করে, অস্ত্র করেনা।

কবির ভাষার “হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, হিউম্যানওয়্যার তিন মিললে হয় বিজয়, মানুষই আসল তবু নইলে পুরো অপচয়। “ এই মানুষ নির্মানে আমরা কতোটা কাজ করছি? আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা, সমাজ - এগুলো কি মানুষ তৈরি করে? নাকি অবয়বে আমরা কেবল মানুষ থেকে যাচ্ছি! আজকের প্রথম আলোতে দিলারা বেগমের কথা পড়ে এই কথাগুলোই আবার মনে পড়লো। ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.