আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

বটতলার উকিল কামরুলকে সর্দার বানিয়ে BAL এর দেশের BALএর বিচারকদের ঢাকা শহরের সুইপার হিসেবে নিয়োগ করা হউক

BAL আদালত বিধিবদ্ধ সতর্কীকরন: ইহা শুধুই BAL এর আদালত এবং BALপন্থী বিচারকদের জন্য। সেদিন আদালতে কি ঘটেছিল? সংবিধান ডাষ্টবিনে ছুড়েঁ ফেলার অভিযোগে ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশের চেয়ারম্যান ফজলুল হক আমিনীর বিরুদ্ধে মামলার শুনানির সময় BAL এর বিচারকরা খালেদাকে জড়িয়েও বিচারক মন্তব্য করেন। এই নিয়ে বিএনপিপন্থী আইনজীবিরা আপত্তি তোলে। একপর্যায়ে আদালত সাময়িক বিরতীতে যায়। বিরতীতে যাওয়ার পর বেশ কয়েকজন সিনিয়র আইনজীবি বিচারকের কক্ষে বিচারকদের পরামর্শ দেয় বিরতীর পর খালেদাকে নিয়ে কোন মন্তব্য না করতে।

কিন্তু আদালত আবার বিরতীর পর এসে খালেদাকে জড়িয়ে বক্তব্য দেয়। ফলাফল আওয়ামীপন্থী এবং বিএনপিপন্থীদের হাতাহাতি। এক পর্যায়ে প্লাষ্টিকের পাত ছুড়েঁ মারে বিচারকের উদ্দ্যেশে হট্রগোলের ভেতর থেকে। কি বলেছিলেন বিচারকদের আওয়ামীলীগের সিনিয়র একজন আইনজীবি? বিচারক যখন খালেদাকে জড়িয়ে বক্তব্য দেয় তখন ব্যারিস্টার আমীর বলেন, ওটা আলাদা বক্তব্য। এমন কোন কিছু করা ঠিক হবে না যাতে এটা আইনি বিষয় থেকে রাজনৈতিক বিষয়ে পরিণত হয়।

সেদিন আদালতে হাতহাতির ঘটনার জন্য দায়ীকে?মামলা হলো কাদের বিরুদ্ধে সন্দেহতীত ভাবে সেদিন যে দুই বিচারক ছিলেন তারাই দায়ী। কারণ,খোদ আওয়ামীপন্থী সিনিয়র আইনজীবিও বিচারককে এমন বক্তব্য না দেওয়ার অনুরুধ করেছে। কিন্তু মামলা হলে বিএনপিপন্থী আইনজীবিদের বিরুদ্ধে । অথচ আদালতে সেদিন দুই পক্ষই হাতাহাতি করেছে। আদালতের হাতাহাতির ঘটনায় কি মামলা হয়েছিল এবং কি বলেছিল এই নিয়ে মামলার ঘটনায় আদালত? আদালতে হাতাহাতি ও হট্টগোলের ঘটনার প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার রাতেই বিএনপিপন্থি ১৪ আইনজীবীর বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।

মামলা নম্বর ৪, ধারা ১৪৩, ৩৩২, ৩৩৩, ৩৫৩, ৫০৬ ও ৩৪। মামলার বাদী মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক এসএম সোলায়মান। এতে সংসদ সদস্য সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া, গাজী কামরুল ইসলাম সজল, মির্জা আল মাহমুদ, শহিদুজ্জামান, শরিফ উদ্দিন, আবদুল্লাহ আল মাহমুদসহ ১৪ জনকে আসামি করা হয়। মামলায় পুলিশি কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। ১৩ জন হাইকোর্টে আগাম জামিন আবেদন করেন।

বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী এবং বিচারপতি আনোয়ার-উল হক সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ আজ আবেদনটির ওপর শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন। এ সময় পর্যন্ত তাদের গ্রেফতার বা হয়রানি না করতেও নির্দেশ দেয়া হয়। কিন্তু পরবর্তী শুনানীতে একজন বিচারক এই নিয়ে বিব্রত বোধ করেন। বিচারক যেহেতু বিব্রত বোধ করেছেন সেহেতু নতুন দিন ধার্য করে আগের আদেশ এ সময় পর্যন্ত তাদের গ্রেফতার বা হয়রানি না করতেও নির্দেশ দেয়া হয়। বহাল থাকবে এটাই স্বাভাবিক।

অতীতেও দেখা গেছে কোন মামলায় যদি বিচারক বিব্রত বোধ করেন তাহলে আগের আদালত যে আদেশ দিয়েছে সে আদেশ বিব্রত পরবর্তী আদালত পর্যন্ত বহাল থাকে। কিন্তু আইনজীবিদের গ্রেফতার করা হয়েছে । এবং ১০দিনের হেফাজতে নিয়ে যাওয়ার আবেদন করা হয়েছে। কেন হেফাজতে নেওয়ার আবেদন? হাইকোর্টে ওই ঘটনার নেপথ্যে কারা রয়েছে এবং কারা উস্কানি দিয়েছে- তা জানার জন্য আসামি আসিফা আশরাফী পাপিয়া, গাজী তৌহিদুল ইসলাম ও আবু বকর সিদ্দিক রাজনকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা জরুরি। সেদিন আদালতের ঘটনার নেপথ্যের নায়ক কি আদালতের বিচারক না?কারণ ,সেদিন এমন ঘটনার জন্য দুই বিচারকই দায়ী।

সেদিনের ঘটনায় বটতলার উকিল কামরুল আজ বলেছেনে এজলাসের সামনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী এ সকল আইনজীবীর আইন ব্যবসার সনদ বাতিল করা উচিত, অথচ এই কামরুলরাই যারা বিচারকের সামনের এজলাস ভাঙচুর করেছে তাদের বিচারক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। স্পষ্টই এই দেশের আদালত এখন BAL এর আদালত। আজাইরা সময় নষ্ট। বিএনপিপন্থীদের দমনের জন্য পুলিশ আর কুত্তালীগই যথেষ্ট। কি দরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে আদালত চালিয়ে বিএনপিপন্থীদের দমনের?এর চাইতে BAL এর আদালেতর বিচারকদের ঢাকা শহরের সুইপার নিয়োগ করা হউক।

এতে ঢাকা শহর কিছুটা হলেও আবর্জনামুক্ত হবে। ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.