আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

অভিযুক্ত যাঁরা

বাকি আটজন কে? কাল বিকেলে র‌্যাডিসন ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে আইসিসি ও বিসিবির যৌথ সংবাদ সম্মেলনে যেমন, তেমনি সংবাদ সম্মেলনের পরও এ প্রশ্নটাই উড়ে বেড়াল বাতাসে। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দ্বিতীয় আসরে ফিক্সিংয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা নিজেই স্বীকার করেছেন মোহাম্মদ আশরাফুল। আইসিসির প্রধান নির্বাহী ডেভ রিচার্ডসন তাঁর লিখিত বিবৃতিতে সংখ্যাটা বলেছেন। কিন্তু আকসুর তদন্তে অভিযুক্ত হয়েছেন ‘নয়জন’, এর বাইরে তিনি কিছু বলতে রাজি হননি। কারণ, আইসিসি ও বিসিবির দুর্নীতিবিরোধী নীতিমালায় কোনো নাম বলা নিষেধ আছে।

সেই থেকেই জল্পনাকল্পনা—বাকি আটজন কে?
ডেভ রিচার্ডসনের লিখিত বিবৃতিতে ‘ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরস’-এর ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার কথা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ আছে। সাংবাদিকেরা তাই এই ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকও যে অভিযুক্ত, সেটি অনুমান করে নিলেন। আরও অনেক নাম উড়তে থাকল বাতাসে। যাঁর ব্যাপারে কোনো সংশয় ছিল না, সেই আশরাফুল সকালে র‌্যাডিসন হোটেলে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র পেয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথাও বলেছেন। ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরসের বোলিং কোচ মোহাম্মদ রফিককেও দেখা গেছে হোটেলে; খুলনা রয়েল বেঙ্গলসের উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ মিঠুনকেও।

রফিকের নাম আগেই জড়িয়ে গিয়েছিল এই কেলেঙ্কারিতে। কিন্তু মিঠুনের নাম শোনা যায়নি কখনো, তা হলে কি তিনিও আছেন অভিযুক্তদের দলে? খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মিঠুনের সঙ্গে আকসুর কর্মকর্তারা কথা বলেছেন ঠিকই, তবে সেটি অন্য এক বিদেশি খেলোয়াড় সম্পর্কে কিছু তথ্য যাচাই করে নিতে। তিনি অভিযুক্ত নন। ।

সোর্স: http://www.prothom-alo.com

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।