আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

ভ্যাম্পায়ার!! ভ্যাম্পায়ার!!

কোন একদিন.. এদেশের আকাশে... কালেমার পতাকা দুলবে, সেদিন সবাই ... খোদায়ী বিধান পেয়ে দু:খ বেদনা ভুলবে..

ছোটবেলা থেকেই আমরা ভাইবোনেরা প্রচন্ড ভীতু। ভুতের নাম শুনলে দিনের আলোয় কোলাহলেও প্রচন্ড ভয় পাই। বড় হতে হতে ভয়টা অনেকখানি কেটে গেছে। তারপরও মাঝে মাঝে ভয়ে কোনঠাসা হয়ে পড়ি। ভয় লাগার মতই একটা ঘটনা ঘটল ভোরে।

৪:৫০ এর ঘুম থেকে উঠেছি। ৫:১০ এ ফজরের জামাত। সবাই ঘুমুচ্ছে, লাইট জ্বালানো যাবেনা, তাই অন্ধকারে মোবাইল ফোনের আলোয় টয়লেট পর্যন্ত যেতে হল। অযু করে বেরিয়ে আবার মোবাইল ফোনের অল্প আলোয় সিড়ি দিয়ে নেমে মসজিদে চলে গেলাম। নামাজ শেষে ফিরে এসে সিড়ির গোড়ায় দেখলাম কালোমত কি একটা যেন যেন।

আকারে প্রজাপতির চেয়ে খানিকটা বড়। চোখে একটু কম দেখি তো এজন্য প্রথমেই ঠাহর করতে পারিনি যে, এটা একটা বাদুড়। বাদুড় দেখলেই ভ্যামপায়ারের কথা মনে পড়ে। তালা খুলে যেই সিড়িতে ঢুকলাম, অমনিই ওটা লাফ দিয়ে উঠল। লাফ দিয়ে উঠে উড়তে শুরু করল।

উড়তে জানে, উড়বেই তাই ভেবে আমি একে কোন আমল দিলাম না। কিন্তু যখন ছোট্ট সিড়ি ঘরে একেক পাক ঘুরে ঠিক আমার দিকেই সাঁই করে বারবার আসতে লাগল তখন আমি আর ভয় না পেয়ে পারলাম না। বাদুড়টা বোধহয় উড়তে গিয়ে পথ ভূল করে গ্রিল ভেদ করে সিড়িতে ঢূকে গেছে। আন্দাজে উড়ে উড়ে হয়তো রাস্তা খোজার চেষ্টা করছে। এই ভেবে খানিকটা স্বস্তি পেলাম আন্দাজ করে নিলাম যে, দোতলায় উঠে গেলেই এর হাত থেকে নিস্তার পেয়ে যাব।

দোতলায় উঠে দাড়াতেই দেখি ওটা ঠিকই আমার পেছন পেছন চলে এসেছে। এবার একটু হলেই এটা আমার পিঠের সাথে লেগে যেত। তাড়াতাড়ি করে তিনতলায় উঠলাম, না দাঁড়িয়েই চারতলায় চলে এলাম। এখানে এসে হাঁপ ছেড়ে যেই দাঁড়ালাম অমনি দেখি ওটা আমার দিকে ছুটে এল। এ বাসায় এমনিতেই অনেকের মুখেই ভুতটুতের কথা শুনেছি।

তারউপর ভোররাতের গা ছমছম পরিবেশ। সত্যি বলতে আমার হৃদয় পুরোই কেঁপে উঠল। চোখমুখ বন্ধ করে দিলাম দৌড়, পাঁচতলায় উঠে দ্রুত দরজা খুলে ভেতরে ঢুকেই আটকে দিলাম। এবার সত্যিই বাচা গেল। পান্জাবীটা খুলে ছোট্ট একটা স্বস্তির গড়াগড়ি দিলাম।

একটা ব্যপার আমার কিছুতেই পরিষ্কার হচ্ছেনা, বাদুড়টা কেন আমার পিছে লাগল। বাদুড়তো চোখে দেখেনা, আমারে দেখল ক্যামনে?

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.