আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

যেটুকু আছে, সেটুকুই থাক তোর পাতায়...........



কিছু বাস্তব, কিছু অলীক ভাবনা সব মিলে মিশে ছোট ছোট কিছু গল্পের চেনা-জানা দালান-কোঠাগুলো গড়ে আর উঠল না। অনেক দিন পর লিখতে বসে দেখি অনেকগুলো ড্রাফ্ট জমে আছে, শুরু করছিলাম, অলসতা আর অকাজের পড়াশুনার চাপে পরে মনে আর পড়ছে না কি লিখতে চেয়েছিলাম...... ক প্রায় মাস পাঁচেক চলে গেল, এর মাঝে কত চন্দ্রভূক অমাবস্যা এল-গেল। এরকম আগে কখনো হ্য়নি......মানছি এখন হয়তো অনেক ব্যস্ততার মাঝে হারিয়ে যাই, এই ব্যস্ততার ধুয়ো তুলে জীবনকে ফাঁকি দেই........কিন্তু একজন যে ছিল......যে টেনে তুলত........মন ভরিয়ে দিত অপরিপক্ক স্বপ্নে, নানা রঙ্গের হাসিতে। তার কোন খোঁজ নেই আজ, তার কাছে পৌছাবার নেই কোন উপায়, নেই ঠিকানা........ অন্তর্জালই ভরসা, অন্তর্জালে বসে তাই অপেক্ষা..... খ 'আপনি আমায় ছেড়ে যাবেন কখনও?' হটাৎ করে তুমি বল্লে । কি বলব? মাঝে মাঝে সহজ প্রশ্ন এত কঠিন হয়ে সামনে দাড়ায়? তুমি কিছু না বলেই চলে গেলে........আমি বোকার মত এদিক ওদিক তাকাই...... কে, কি যে চায়? কে জানে কি ভাবায়, কি আশায় কে ভাসায়? কে জয়ী, কি ক্ষতি? ....কি আমি.......কে তুমি ??? গ যে শহরে থাকি , সেখানে এখন চারিদিকে হলুদের আভা, শরৎ তার জানান দিচ্ছে, প্রকৃতির এই নতুন রঙ্গের বাড়ই- ভাল লাগার একটা ছোয়া দেয়, বেশ আন্দোলিত করে রক্তে-রন্ধ্রে।

এবার কেন জানি প্রকৃতি রূদ্রমর্তি, শরৎ কে ঠেলে দিতে চায় শীতের কাছে, যেন বড় বেশি তাড়া, বড় বেশী কিপটেমী। century পাতারা পারে না সোনা মাখা গোধুলীতে তার শরতের রূপ সাজাতে, পারে না হালকা বাতাসে স্মৃতিগুলোকে একটু নাঁড়া দিতে। বৃষ্টি শেষে পার্কের পাশে আকাশছোয়া সব গাছের মাঝে দিয়ে হেটেহেটে যখন রুমে ফিরি......... কেমন করে যেন সব খাপছাড়া কিছু লাইন ষড়যন্ত্র করে বাতাসে-নিঃশ্বাসে মিশে মগজটাকে বিরক্ত করে, মাথার মাঝে বাস করা কিছু চেনা পোকাকে জাগিয়ে তুলতে চায়...... বাউলা তুমি এবার আমায় ছাড়, আমার হাতে দিয়াশলাই রাশি রাশি দুঃখ পোঁড়াই................ ঘ সকালে ৯ টায় ইউনিতে যাই, রাতে ঠিক একই সময় রুমে ফিরি.....মনে হচ্ছে ইট তৈরির মেসিনের থকথকে কাদা, মেসিনের ছাঁচে পরে প্রতিদিন একই আকৃতি নিয়ে দিনের শুরু করছি, ছাঁচে বসানো শব্দগুলো একটুও ওলটপালট হয় না। নেই জ্যামিতির কোন বক্রতা, শুধুই সহজ-সরলরেখা। অথচ গভীর থেকে হেচকির মত আকুতি উঠে- সব চলে যাক ছন্ন-ছড়ার দলে, হয়ে যাক সেই আঠারোর যুবক,যার নেই চাঁদেলা রাতে বৃষ্টি পাবার নেশা- একদিন যেমন ছিলাম আসো আবার হয়ে যাই আঠারোর সেই অচেনা আবেগ, বন্দী যদিও তোমার বৃষ্টিভেজা হাতে..... ঙ বৃষ্টির ঝাপটায় ঘুম ভেঙ্গে যায়, ভোরের কাছাকাছি, জানালাটা যে কতদিন ধরে খোলা তার ইত্তা নেই।

জানান দেয় হিম বাতাস দিয়ে , এবার আমায় বন্ধ কর, শীত আসছে। হাতড়াই অন্ধকার বিছানার এপাশ-ওপাশ। ছোট্ট য্ন্ত্রটাকে খুজি, জীবনকে নাকি গতিময় করেছে? তোমার কাছে আজ যেতে খুব ইচ্ছে করে। চোখ বুলাই, তোমাকে খুজি- যেখানে তুমি আছো কয়েকটা সংখ্যার অন্তরালে। একবার-দুবার, নাহ, এমনকি তোমার নামটাও নেই ইংরেজী অক্ষরে লেখা।

পাশে জানান দেয় ক্ষুদে গনকযন্ত্র, শব্দ করে, বলে তোমার চৌকাঠের বাক্সে একখানা বার্তা এসছে। পড়ে দেখি- there was a blind girl.she hated everyone expect her boyfriend.she said to him i would marry u when i could see u.eventually someone donated eyes . she shocked to see that her boyfriend was blind.the boy asked wil u marry me? the girl refused him.the boy replied just take care of your eyes and went away অদ্ভুত মেয়ের অদ্ভুত বার্তা। এই বার্তার উত্তর কি দিবে ছেলেটি....আবারও বলবে বুদ্ধুর মত..........এর মানে কি...... চ আজ আবারও ডাক্তারের কাছে গেলাম। এখানকার সিস্টেম এত পরিকল্পিত, এত নিয়ম-কানুন যে মাঝে মাঝে মনে হয় দেশেই ভাল ছিলাম, এত নিয়ম আমার দ্বারা হবে না । তবে আজকের ডাক্তার যেমন সুন্দরী, তেমনি অমায়িক।

আমার রিপোর্ট হাতে নিয়ে এমন একটা হাসি দিল, মনে হল আমার সব রোগ-ব্যাধি এবার পালাতে বাধ্য। তবে ডাক্তার যা বলল, তাতে তার হাসি এই ক্ষেত্রে খুব একটা কাজে আসবে না- 'অংকুর, বাচিবার যদি চাও খাসীর কলিজার চিন্তা ছাড় নিজের কলিজার ছিন্তা কর' (ধুমপান বিষপান) ০৯,১০. ব্যালকনি,৩০৫।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।