আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

অভিনন্দন বাংলাদেশ ! অভিনন্দন সাকিব !!!!!!!



সিরিজে টানা ২য় জয়। ৮ উইকেটে প্রথম জয়ের পর কাল ৪৯ রানে জিতলো। তার মানে জিম্বাবুয়ে ভালো লড়াই করেছে। ২৭১ করে ফেলেছে ওরাও। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের টানা ৩ ওডিআই ধরলে টানা ৫টি জয় ! এ সফরের আগে জিম্বাবুয়ের সাথে আমাদের ম্যাচ পরিসংখান ছিলো-৩৭ ম্যাচ, জিম্বাবুয়ের জয় ২০টি, বাংলাদেশের জয় ১৭টি।

কালকের ম্যাচ শেষে সেটা হলো ৩৯ ম্যাচ, জিম্বাবুয়ে ২০ বাংলাদেশ ১৯ জয়। টসে হেরে ব্যাটিং পাওয়া সাকিবরা ৩২০/৮ করলো, যা বাংলাদেশ দলের সর্বোচ্চ ওডিআই সংগ্রহ। এর আগের সর্বোচ্চ ছিলো বগুড়ায় ২০০৬ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে করা ৩০১ রান। সাকিবের ৬৩ বলের সেঞ্চুরী বাংলাদেশের দ্রুততম। আগের রেকর্ড ছিলো ভারতের বিপক্ষে ২০০৮ সালে করাচিতে অলক কাপালির করা ৮৩ বলে শতরান।

এখানেই শেষ নয়। গতকাল পর্যন্ত সারা ক্রিকেট দুনিয়ায় যে ২৮৭১টি একদিনের ম্যাচ হয়েছে তার মধ্যে ৮ম দ্রুততম। ১৯৯৬ সালে শ্রীলংকার বিপক্ষে ৩৭ বলে বুমবুম আফ্রিদীর ১০২ আছে ১নং স্থানে। দ্বিতীয়টি বাউচারের জিম্বাবুয়ের সাথে ৪৪বলে(২০০৬), ৩য়- বাংলাদেশের বিপক্ষে লারার ৪৫ বলে (১৯৯৯)এবং ভারতের সাথে আফ্রিদীর ৪৫ বলে (২০০৫), ৪র্থ-পাকিস্তানের সাথে জয়সুরিয়ার ৪৮ বলে (১৯৯৬), ৫ম-বাংলাদেশের সাথে জয়সুরিয়ার ৫৫ বলে (২০০৮), ৬ষ্ঠ- নিউজিল্যান্ডের সাথে শেবাগের ৬০ বলে (২০০৯), ৭ম- নিউজিল্যান্ডের সাথে আজহার উদ্দিনের ৬২ বলে (১৯৮৮), ৮ম সাকিবের জিম্বাবুয়ের সাথে ৬৩ বলে (২০০৯)। এক বছর ধরে বিশ্বের ১নং অলরাউন্ডার সাকিব গতকাল একদিনের ম্যাচের বিশ্বসেরা বোলার হিসাবে ২য় স্থানে উঠে এসেছেন।

ব্যাটিংয়ে আছেন বিশ্বের মধ্যে ২৯ নম্বরে। কালকের খেলার পর সেটারও অবধারিত উন্নতি ঘটবে। টেস্ট অল রাউন্ডার তালিকায় সাকিব বিশ্বের ৪নং। টেস্ট ব্যাটিংয়ে ৪৫ এবং বোলিংয়ে ২১ নস্বরে। এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে বাংলাদেশীদের মধ্যে সাকিবই নাস্বার ওয়ান ! কালকের ম্যান অব দ্যা ম্যাচ সাকিব প্রথম ম্যাচে আশরাফুলের ব্যাটিং ঝড়ের জন্য ব্যাটিংয়ে নামার সুযোগই পাননি।

কাল নেমেই ৬৪ বলে ১০৪ রানের মহাকাব্য ! বাংলাদেশের ইনিংসে তামিম জুনাইদ জুটি ৭১ রানের সূচনা এনে সুযাত্রা করেছেন। শেষ পর্যন্ত তামিমের ৭৯ (১০৫ বলে), জুনাইদ ২৭ (৪১ বলে), আশরাফুল ২২(৩৩বলে), রকিব ৩৫ (২৮ বলে),মুশফিক ২৩ (১৮ বলে) মিলে রেকর্ড ৩২০/৮ করলেন। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আমাদের আগের রেকর্ড ছিলো ২৭২। জিম্বাবুয়ে এই রানের পাহাড় কিন্তু টপকাতেই চেয়েছিলো। সংগ্রামী ২৭১ তার প্রমান।

সেখানে মূল অবদান উইলিয়ামসের ৭১ বলে ৭৫, কভেন্ট্রির ৬৪ বলে ৬১, মাতসিকিনারির ৫১ বলে ৩৯ এবং চিগুম্বুরার ২০ বলে ৩১-এর। তবে শেষ রক্ষা হয়নি তাদের। বাংলাদেশ বোলিং যৌথ অবদানে ঋদ্ধ ! সাকিব ২/৩৯, নাজমুল ২/৪৯, রাসেল ২/৫৩, এনামুল জু. ২/৫৬। বাংলাদেশ দলকে অভিনন্দন !!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!! সকল কাজেই যথার্থ ক্যাপ্টেন সাকিব আল হাসানকেও অভিনন্দন !!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!! কালকের ম্যাচের জন্য শুভ কামনা।


অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.