আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

সেক্টর কমান্ডার



স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিলেন কিনা তা নিয়ে কে এম শফিউল্লাহ নতুন করে প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন। ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল তৎকালিন হবিগঞ্জ মহকুমার সীমান্ত সংলগ্ন তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ডাক বাংলোয় বিদ্রোহী সামরিক কর্মকর্তাদের এক জরুরি কনফারেন্সে বাংলাদেশকে চারটি সামরিক অঞ্চলে বিভক্ত করে সশস্ত্র প্রতিরোধ চালিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বৃহত্তর চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী জেলার পূর্বাংশ (মহুরী নদী পর্যন্ত) নিয়ে ১ নং অঞ্চল গঠিত হয়। এই ১ নং অঞ্চলের কমান্ডার নিয়জিত হন মেজর জিয়উর রহমান। (পৃষ্ঠা ১২-১৩) ১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল ইন্ডিয়ার শিলিগুড়ি বেতার কেন্দ্র থেকে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদ প্রতিরোধ যুদ্ধ সফল করার জন্য সমগ্র দেশকে আটটি সামরিক অঞ্চলে বিভক্ত করে আটজন সেক্টর কমান্ডার নিয়োগের ঘোষণা দেন।

এ ঘোষণাতেও চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী জেলার সমন্বয়ে গঠিত সামরিক অঞ্চলের সেক্টর কমান্ডার হিসেবে মেজর জিয়াউর রহমানকে দায়িত্ব দেয়া হয়। (ভূমিকা) ১৯৭১ সালের ১২ থেকে ১৫ জুলাই প্রবাসী সরকারের সদর দফতর কলকাতার ৮ নাম্বার থিয়েটার রোডে সেক্টর কমান্ডারদের এক কনফারেন্সে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়। এ সভায় যে ১১টি সেক্টর গঠন করা হয় তার এক নাম্বারে ছিল চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালী জেলার মুহুরী নদীর পূর্ব পর্যন্ত এলাকা নিয়ে গঠিত এক নাম্বার সেক্টর। এ সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার হিসেবে নিয়োগ দেয় হয় মেজর জিয়াউর রহমানকে। পরে নিয়মিত ব্রীগেড জেড ফোর্স গঠিত হলে জিয়াউর রহমান তার ব্রীগেড কমান্ডারের দায়িত্ব পান।

তখন এক নাম্বার সেক্টরের অধিনায়ক হন মেজর রফিকুল ইসলাম। (পৃষ্টা ১৩-১৪) সুত্র:-মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ব্রীগেডভিত্তিক ইতিহাস

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.