আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্সের ব্যবহার

ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স হচ্ছে কিছু দক্ষতার সমাহার_ যার সাহায্যে একেই অন্যের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে পারে, দ্বন্দ্ব মোকাবিলা করতে পারে। ইকিউ (ঊছ) এই সংকেত দিয়েই ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স বোঝানো হয়ে থাকে। কর্মক্ষেত্রে সাফল্যের জন্য ইকিউ একটি গুরুত্বপূর্ণ টুলস। ইকিউ-ই কর্মচারী এবং মালিকের মধ্যে অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের পথ এভাবেই তৈরি হয়। দ্বন্দ্বের মীমাংসার মধ্য দিয়েই কর্মস্থলে সুস্থ ও শান্তিপূর্ণ অবস্থা বজায় থাকে।

এক্ষেত্রে উভয়কেই ইকিউ-এর আলোকে সমস্যা সমাধানের পথে এগিয়ে আসতে হবে। ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স বা ইকিউ ব্যবহারের প্রথম শর্ত হলো নিজের অনুভূতির প্রতি মনোযোগী হওয়া, অন্যের সঙ্গে দ্বান্দ্বিক আচরণের উৎস ধরা, নিজের ইমোশন শনাক্ত করা। দ্বন্দ্ব থেকে সৃষ্টি হতে পারে আবেগীয় প্রতিক্রিয়া, নেগেটিভ ইমোশনই প্রাধান্য পায়। সহকর্মীদের মাঝে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হতে পারে, মতবিরোধ সৃষ্টি হতে পারে, উত্তপ্ত তর্ক-বিতর্কে জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা বাড়ে। অতিদ্রুতই এ সময় ব্রেইনে ইলেকট্রো কেমিক্যাল পদার্থ নিঃসরণের মাত্রা বৃদ্ধি পায়, আগ্রাসী ও মারমুখী ক্ষোভ জেগে ওঠে।

এ সময় অপেক্ষা করতে হবে, কমপক্ষে তিন থেকে ছয় সেকেন্ড। * ক্যারিয়ার ডেস্ক

 

 

সোর্স: http://www.bd-pratidin.com/     দেখা হয়েছে ১৩ বার

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।