আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

কেনিয়ায় গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ আইন বাতিল

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সংকুচিত করতে পারে, নতুন প্রণীত এমন একটি আইন বাতিল করে দিয়েছেন কেনিয়ার প্রেসিডেন্ট উহুরু কেনিয়াত্তা। বিবিসি বলছে, গত মাসে দেশটির পার্লামেন্টে নতুন আইনটি পাস করা হয়েছিল।

নতুন আইনে একটি বিশেষ আদালত বা ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠার সুযোগ রাখা হয়েছিল। আচরণবিধি ভঙ্গের দায়ে সাংবাদিক ও গণমাধ্যমগুলোর বিচার বা সেগুলোকে অর্থদণ্ড দেওয়ার বিধান ছিল ওই আইনে।

আইনটি প্রণীত হওয়ার পর এ নিয়ে কেনিয়াজুড়ে ব্যাপক অসন্তোষ দেখা দেয়।

দেশটির স্বাধীন গণমাধ্যমও রুখে দাঁড়ায়।

প্রেসিডেন্টের দপ্তর আজ বৃহস্পতিবার বলেছে, গত এপ্রিলে ক্ষমতায় আরোহণের পর উহুরু এবারই প্রথমবারের মতো ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ করলেন।

কেনিয়ার গণমাধ্যম পরিষদ দেশটির সব ধরনের গণমাধ্যম পরিচালনা করে থাকে। পরিষদটি পুরোপুরি স্বাধীন এবং এতে একটি অভিযোগকেন্দ্রও ছিল। নতুন আইনে অভিযোগকেন্দ্রটি তুলে দিয়ে সব ধরনের অভিযোগের বিচার করার জন্য একটি সরকারি বিশেষ আদালত প্রতিষ্ঠার বিধান রাখা হয়েছিল।

কেনিয়ার প্রেসিডেন্টের দপ্তর থেকে বলা হয়েছে, ‘প্রস্তাবিত বিশেষ আদালতটি যে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সরকারি স্বার্থ রক্ষার্থে ব্যবহূত হবে না, তা নিশ্চিতের জন্য আদালতটির পর্যাপ্ত সাংবিধানিক যোগ্যতা নেই। ’ বিবৃতিতে বলা হয়, নতুন আইনটিতে যে দণ্ডবিধান রাখা হয়েছে তা-ও অসংলগ্ন।

দপ্তরটি জানায়, ‘সাংবিধানিক অধিকার সমুন্নত রাখতে আইনের বেশ কিছু ধারা বাদ নিয়ে সেটিকে নতুন করে সাজানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট। ’

এর আগের সরকারের আমলেও আইনটি প্রণয়নের জোর চেষ্টা চলেছিল। বছর দুয়েক আগে জনমতের চাপে সাবেক প্রেসিডেন্ট মওয়াই কিবাকির সে প্রচেষ্টা ভন্ডুল হয়ে যায়।

কয়েক মাস আগে বাংলাদেশ সরকার তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৩ পাস করে। সমালোচকেরা বলছেন, এ আইনটি সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের জন্য শুধু নিপীড়নমূলকই নয়, সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিকও বটে। তবে সরকার বলছে, জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার সমুন্নত রাখতেই ওই আইনটি প্রণয়ন করা হয়েছে।

সোর্স: http://www.prothom-alo.com

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।