আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

সর্বনিম্ন রানের লজ্জায় নেদারল্যান্ডস

তবে বড় একটি দুশ্চিন্তা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে বার্সাকে। চোট পেয়ে ছিটকে পড়েছেন গোলরক্ষক ভিক্তর ভালদেস।

ম্যাচের ২৩ মিনিটে হাঁটুতে চোট পেয়ে স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়েন গোলরক্ষক ভিক্তর ভালদেস। পরে ক্লাবের ওয়েবসাইটে জানানো হয়, সুস্থ হয়ে আবারো মাঠে ফিরতে তার অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন। তাই মৌসুমের বাকি সময় তো বটেই, বিশ্বকাপেও খেলতে পারবেন না তিনি।



দুই দিন আগেই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদকে তাদেরই মাঠে ৪-৩ গোলে হারানোর আকাশচুম্বি আত্মবিশ্বাস নিয়ে ক্যাম্প নউতে বুধবার রাতে খেলতে নেমেছিল বার্সা। দুর্বল সেল্তা ভিগোকে হারাতে তেমন একটা সমস্যা হয়নি স্পেনের অন্যতম সফল দলটির।

ষষ্ঠ মিনিটে আক্রমণভাগের তিন খেলোয়াড়ের সংঘবদ্ধ দারুণ এক আক্রমণে এগিয়ে যায় গতবারের চ্যাম্পিয়নরা। মেসির কাছ থেকে পাস পেয়ে নেইমারের দিকে বল বাড়ান চিলির স্ট্রাইকার আলেক্সিস সানচেস। আর তা থেকেই লক্ষ্যভেদ করেন নেইমার।



বার্সার একচেটিয়া আক্রমণের মাঝে ২০ মিনিটে খেলার চিত্রপটে সামান্য ভিন্নতা আসে। সেল্তার স্ট্রাইকার ফাবিয়ান ওরেলানের একটি শট বার্সার ডিফেন্ডার বারত্রা হাত দিয়ে ঠেকালে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। পরে অবশ্য লাইন্সম্যান জানায়, ডি বক্সের ঠিক বাইরে থেকে বলটি ঠেকিয়েছিল বারত্রা। ফলে পেনাল্টির বদলে ফ্রি-কিক পায় সেল্তা। তবে সাফল্য পায়নি তারা।



তবে এর সাত মিনিট বাদে সব দুশ্চিন্তা কাটিয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন মেসি। অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার আন্দ্রেস ইনিয়েস্তার পাস থেকে দারুণ দক্ষতায় প্রতিপক্ষের গোলরক্ষককে কাটিয়ে জালে বল পাঠান চারবারের বর্ষসেরা এই ফুটবলার।

দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য অতিথিরা ৫৩ ও ৫৪তম মিনিটে দুটি দারুণ সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু ভালদেসের বদলে নামা হোসে মানুয়েল পিন্তোরর অসাধারণ নৈপুণ্য বাঁচিয়ে দেয় বার্সেলোনাকে।

তবে সেল্তার ম্যাচে ফেরার সব আশা শেষ হয়ে যায় ৬৭ মিনিটে।

সানচেসের বাড়ানো বল পেয়ে দুই ডিফেন্ডারকে ফাঁকি দিয়ে গোল করে সহজ জয় নিশ্চিত করেন নেইমার।

৮৭ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর আরেকটি সুযোগ পেয়েছিল বার্সেলোনা। কিন্তু মিডফিল্ডার স্যার্হি রবের্তোর প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেন সেল্তার গোলরক্ষক।

এই জয়ের ফলে ক্ষণিকের জন্য হলেও শীর্ষে উঠেছিল বার্সেলোনা। তবে নেইমার-মেসিদের জয়ের কিছুক্ষণ পর গ্রানাদাকে হারিয়ে শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধার করে আতলেতিকো মাদ্রিদ।

৩০ ম্যাচে আতলেতিকোর পয়েন্ট ৭৩ আর সমান ম্যাচে বার্সেলোনার পয়েন্ট ৭২।

তবে একই রাতে হোঁচট খেয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। সেভিয়ার মাঠে ২-১ গোলে হেরে সমান ম্যাচে ৭০ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে নেমে গেছে তারা।

সোর্স: http://bangla.bdnews24.com

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.