খাওয়া আর ঘুম,বাংলাদেশি/বাঙালি হিসেবে এটাই আমার বড় যোগ্যতা। দেশের গোয়েন্দা সংস্থার কাজ আসলে কি ?? তারা কি বর্তমানে সার্টটিফিকেট বিক্রি করা শুরু করল। । দেশে এত বড় বড় ঘটনা ঘটে তারা সে ব্যাপারে কোন ব্যাবস্থা নিতে পারে না। ।
তারা ২১ শে আগস্টের বোমা হামলা প্রতিরোধ করতে পারে না। ।
তারা বিডিয়ার বিদ্রোহ সম্পর্কে কোন কিছু আঁচ করতে পারে না,তারা ইলিয়াস আলি কে খুঁজে বের করতে পারে না। । তারা কি শুধু বিএনপি-জামাত আর হিজবুত তাহীর ট্যাগ লাগাতে পারে।
সরকারের মনোনীত কোন ব্যাক্তি যদি দুর্নীতি করে তার বিরুদ্ধে কথা বললেই কি আমি বিএনপি-জামাত আর হিজবুত তাহীরর হয়ে যাব। । সে হিসেবে তো সব ব্লগ ,ফেইসবুক এখন বিএনপি-জামাত আর হিজবুত তাহীরর দখলে। ।
মূল খবর এখানে
গোয়েন্দা প্রতিবেদন
বুয়েট অস্থিরতায় বিএনপি-জামায়াতপন্থী শিক্ষকরা
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ৭০ ভাগ শিক্ষকই বিএনপি-জামায়াত ও হিজবুত তাহরীরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।
কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কোনো অনিয়মের কারণে নয় বরং মহাজোট সরকার বিরোধী মৌলবাদী আদর্শের অনুসারী এসব শিক্ষক অধিপত্য বিস্তার করতেই মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বুয়েটকে অশান্ত করছেন বলে জানিয়েছে সরকারের দু’টি গোয়েন্দা সংস্থা।
সংস্থা দু’টির মতে, বাদবাকি ৩০ ভাগ শিক্ষকের মধ্যে ২২ ভাগ আওয়ামী লীগ তথা প্রগতিশীল মতের সমর্থক এবং ৮ ভাগ নিরপেক্ষ।
শিক্ষক সমিতির আধিপত্য খর্ব হওয়াই অস্থিরতার মূল কারণ মহাজোট সরকারের সময় জামায়াত ও হিজবুত তাহরীর প্রভাবিত শিক্ষক সমিতির একচ্ছত্র আধিপত্য খর্ব হওয়াই বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অস্থিরতার মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে গোয়েন্দা প্রতিবেদনে।
১১টি বর্ণনা, ৪টি মন্তব্য ও ৪টি সুপারিশ সংযুক্ত ৩ পাতার এ গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটির মাত্র ২২ ভাগ শিক্ষক বর্তমান সরকার ও প্রগতিশীল মতাদর্শের অনুসারী। ৭০ ভাগ শিক্ষকই বিএনপি-জামায়াত ও হিজবুত তাহরীরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।
বাকি ৮ ভাগ শিক্ষক মোটামুটি নিরপেক্ষ। কেবল তাই নয়, ১৩ সদস্য বিশিষ্ট শিক্ষক সমিতির অধিকাংশই সরকারের ঘোরতর বিরোধী এবং তারাই হিজবুত তাহরীরের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছাত্রদের মদদ দিচ্ছেন।
প্রতিবেদনে সরকারের কাছে বুয়েটে গবেষণা কর্মকাণ্ড বৃদ্ধিসহ শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করার স্বার্থে আরও একটি উপ-উপাচার্য (শিক্ষা গবেষণা) পদ সৃষ্টির সুপারিশ করা হয়েছে।
গোয়েন্দা প্রতিবেদন মতে, ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ সময়ে বুয়েটে তেমন কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড লক্ষ্য করা যায়নি। ২০০৩ সালে বুয়েটের ছাত্রী সাবেকুন নাহার সনি ছাত্রদল ক্যাডারদের গুলিতে নিহত হওয়ায় বেশ কিছুদিন শিক্ষা কার্যক্রম ব্যহত হয়।
২০০৩ সালের পর থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত বুয়েটে স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়েছে।
অনিয়মের অভিযোগে এক মাস শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রাখে শিক্ষক সমিতি ২০১২ সালের এপ্রিলে বুয়েটের শিক্ষক সমিতি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রায় এক মাস বুয়েটের শিক্ষা কার্যক্রম থেকে বিরত থাকে। ফলে মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষার স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্থ হয়। বুয়েটে অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক, সহকারী অধ্যাপক, প্রভাষক ও বিভিন্ন ইনস্টিটিউটসহ শিক্ষকের অনুমোদিত পদ ৬২২টি। এছাড়া এডহক ভিত্তিতে
নিয়োগের খাতায় শিক্ষক পদ রয়েছে ১১৮টি।
দেড়শ শিক্ষক উচ্চতর শিক্ষার উদ্দেশ্যে দেশের বাইরে আছেন।
এদিকে, শিক্ষকরা একাধারে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ নিয়ে বিদেশে অবস্থান করায় শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা। তারা এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানিয়েছেন।
অধিকাংশ সিনিয়র শিক্ষক বর্তমান সরকারের বিরোধী সরকারের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বলছে, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার প্রায় দুই বছর পর বুয়েটে উপ-উপাচার্য পদ সৃষ্টি করে এই পদে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের অনুসারী অধ্যাপক ড. এম হাবিবুর রহমানকে নিয়োগ দেওয়া হয়। অধিকাংশ সিনিয়র শিক্ষক বর্তমান সরকারের বিরোধী হওয়ায় তারা উপ-উপাচার্য নিয়োগের প্রয়োজনীয়তা নেই মর্মে প্রচার করছে।
অথচ উপ-উপাচার্য পদে নিয়োগের জন্য শিক্ষক সমিতিই প্রথমে তাদের পছন্দের শিক্ষককে নিয়োগের জন্য চেষ্টা চালিয়েছিল। এতে ব্যর্থ হয়ে এখন তারা পদ বিলুপ্তির দাবি তুলছে।
গোয়েন্দা সংস্থাগুলো জানায় তারা প্রমাণ পেয়েছে যে, ইতিপূর্বে দলীয় সরকারের সময়ে শিক্ষক নিয়োগে দলীয়করণ ও কম মেধাসম্পন্ন ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেবর বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড নিয়ে মূলতঃ উপাচার্য, উপ-উপাচার্য সার্বক্ষণিক ব্যস্ত সময় কাটান।
সর্বশ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠের মূল কর্মকাণ্ড ‘সার্বক্ষণিক গবেষণামূলক কাজ’ সম্পন্ন করা বর্তমান প্রশাসনিক ব্যবস্থায় অনেকাংশে সম্ভব না হওয়ার ফলে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠের তেমন উৎকর্ষ সাধিত হচ্ছে না।
শিক্ষার বিকাশের সুবিধার্থে ও শিক্ষার্থীদের শিক্ষায় আরও মনোযোগী করার লক্ষ্যে আরেকটি উপ-উপচার্য (শিক্ষা-গবেষণা) পদ সৃষ্টি জরুরি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনেক বিশ্ববিদ্যায়েই শিক্ষার স্বার্থে দু’টি উপ-উপাচার্য পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। সেখানে বুয়েটে বিষয়টি অনেক বেশি জরুরি।
শিক্ষক সমিতির শীর্ষ নেতারা হিজবুত তাহরীর সংশ্লিষ্ট এদিকে বিভিন্ন সময়ে রাজধানীতে লিফলেট বিলি করার সময় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন হিজবুত তাহরিরের আটক সদস্যদের থানা থেকে ছাড়িয়ে আনার অভিযোগ উঠেছে শিক্ষক সমিতির শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে। বিষয়টিকে উদ্বেগজনক বলে মনে করছেন পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা।
গোয়েন্দা প্রতিবেদনে জানানো হয়, কিছুদিন আগে পল্টন থানা পুলিশ লিফলেট বিলি করার সময় বুয়েটের ইলেট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের রাশেদুল ইসলাম রানা (২২) ও সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের আহমেদ সাজিদ হাসান শহিদেকে (২২) আটক করে। কিন্তু শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মুজিবুর রহমান ও অধ্যাপক ড. সাইফুর রহমান ছাত্রদের হিজবুত তাহরীর সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয় মর্মে সার্টিফিকেট দিয়ে ছাড়িয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করেন।
এছাড়া মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক ড. মাকসুদ হেলালী নিষিদ্ধ সংগঠন হিজবুত তাহরীর সঙ্গে সম্পৃক্ত। তার স্ত্রী ইতোপূর্বে হিজবুত তাহরীর মহিলা শাখার দাওয়াতী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিলেন বলে জানিয়েছে গোয়েন্দা সংস্থা। ।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।