অ আ বিবিসি'র ভাষ্য মোতাবেক জার্মান বিচারক 'খৎনা' বা সারকামসিশন কে 'দৈহিক ক্ষতির কারন' হিসেবে ব্যখ্যা করেছেন। খৎনা নিয়ে বিশ্বজুড়ে ধীরে ধীরে যে বিরূপ ভাবমূর্তি দানা বাঁধছিলো, আদালতের এই রায়ে তা হঠাৎ করে প্রমাণিত হয়ে গেলো।
আজকে সারাদিন ফেসবুক জুড়ে এ নিয়ে বিভিন্ন আলোচনায় সরব ছিলো অনেকেই।
কিছু লিংক, ঘুরে আসুন।
১. এন.সি.নীলের ছবি: যেখান থেকে শেয়ার শুরু হয়।
২. আমার শেয়ার যেখানে মেডিকেল ছাত্র সিডাকটিভের সাথে কিছু কথা হয়েছে অনেকের।
৩. আশফাক রূমন তার স্ট্যাটাসে কিছু ধর্মগাধার সাথে বিবাদে জড়িয়ে পড়েন
এরকম আরো অনেকেই বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করছেন।
মূল বক্তব্য হলো একটা শিশুর বিনা অনুমতিতে শুধুমাত্র ধর্মের নির্দেশে তার লিঙ্গত্বক ছেদন করে, তাকে যে কষ্টে ফেলা হয়.. ধর্মের নামে এই অত্যাচার বন্ধ হোক।
খৎনা নামের মধ্যযুগীয় বর্বরতা শুধু কুসংস্কারই নয়, একজন পুরুষের যৌনজীবন বিপর্যস্ত করে দেবার জন্য যথেষ্ট।
পিতামাতার কোনো অধিকার নেই ধর্মের নামে শিশুর অংগ হানি করবার।
আইন করে তাই এই বর্বরতা বন্ধ করে দেয়া হোক।
এ নিয়ে নাগরিকব্লগেও একটা লেখা আছে, যা সকলের পড়ার জরুরী।
আমার এ নিয়ে আরিফুর রহমান নিকে একটা লেখা ছিলো ২০০৮ সালে, যা ছাগুদের অত্যাচারে কর্তৃপক্ষ মুছে দিয়েছে। ।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।