একি আজব কারখানা...........
আগে ক্লিপ্স দেখে মজা নেন, পরে সিরিয়াস আলোচনায় আসতেসি।
পোস্টের সাথে প্রাসঙ্গিক দুইটা ভিডিয় শেয়ার করলাম, দুটোই বাংলাদেশের রাজনীতিবীদদের টক শো ৩য় মাত্রা থেকে রেকর্ডেড। । তারপর আসছি মূল কথায়।
দেখুন প্রথম ভিডিয়টি।
আমি দুখিত আমি এই দুজন ভদ্রোলোকদের পরিচয় জানিনা। জানার আগ্রহ ও নেই। এইটা যদি হয় রাজনৈতিক ভাষা, তাহলে আমরা দেশের মানুষ রা কি আশা করবো তাদের কাছে ? অন্তত্য দুখের ব্যাপার এই সব অমানুষগুলোকে আমরাই বসিয়েছি ক্ষমতায়। আমরাই ভোট দিয়েছি তাদের।
প্রশ্ন হচ্ছে কেন ? আমাদের হাতে কি আর কোন অপশন নেই ?
আমরা এই আওয়ামি , বি এন পি দ্বিডাকীনিতন্ত্র থেকে বের হবো কিভাবে ?
১) এই দুটো দল কেই সস্কার করতে হবে।
২) সমশক্তির তৃতীয় পক্ষ তৈরি করতে হবে।
আমি সঙ্কারের পক্ষে নই, কারন সিস্টেমের ভিতরে থেকে আপনি সিস্টেমে চেঞ্জ আনতে পারবেন না। তাছাড়া এটা অনেক টা হেরিডিটিক এবং দীর্ঘমেয়াদী হবে। কাজেই ৩য় পক্ষ দিকেই আমরা নজর দেই। কাদের দেখতে পাচ্ছেন মানস চোক্ষে ? ভরসা করার মত কাওকে না।
কিন্ত খুব ভাইটাল একটা জিনিস আমরা মিস করে গেছি, এইটা কি নোটিশ করেছেন ?
সেটা হচ্ছে আমাদের তরুন সমাজ, আমাদের ইয়ুথ।
আচ্ছা, এবার আসুন ২য় ভিডিয়টা দেখি। এখানে কনভারসেশন করেছেন দুই তরুন রাজনীনিবীদ মাহী বি চৌধুরি এবং আন্দালিব পার্থ। যদিও ভিডিয়টি একটু লেন্দি, তারপরেও নেট স্পিড ভালো থাকলে দেখে ফেলুন। আমি শিওর আগের ভিডিয়টার শাডোটুকু আপনার মন থেকে মুছে যাবে।
একটু খেয়াল করবেন, তারা কি পলিটিকাল ল্যাঙ্গোয়েজ ইউজ করছে ?। তারা কি আমাদের ডিমান্ড গুলোকে রিপ্রেসেন্ট করেত পারছে ? একটু লম্বা সময় ধরে, তবে পুরোটা শুনলে
আপনি আসলে প্রথম ভিডিয়টার সাথে দ্বিতীয় ভিডিয়টার পার্থক্য স্পষ্ট ধরতে পারবেন।
( দয়া করে কেউ মাহী বা পার্থর ব্যাকগ্রাউন্ড হিস্টরি নিয়ে কথা বলে টপিক কে ডিফোকাস করবেন না প্লিজ। )
আমি আসলে যা ফোকাস করতে চাইলাম, প্রথম ভিডিওর গেস্টদের কনভারশেষন স্টাইল, ভায়োলেন্স, এঙ্গার আর ন্যাশ্নাল টিভিতে স্লাং দিচ্ছেন তারা। আর এই সব আবাল্গুলাই চালাচ্ছে দেশ , হায় সেলুকাস !
২য় ভিডিয়তে দেখুন, মার্জিত, ডিপ্লোমাটিক ল্যাঙ্গয়েজের ব্যাবহার, পরস্পরের সাথে লজিকালা আর্গুমেন্ট, ঠিক আম
রা সবাই যা দেখতে চাই।
ক্রিটিকাল এনাইজিং , ডাটা প্রসেসিং ক্রস লজিকের মাধ্যমে তারা কথা বলেছেন ।
এই হচ্ছে সিনিয়ার রাজনিতিবীদ আর তরুন রাজনিতিবিদ দের মাঝে পার্থক্য। এনারা মনে করেছেন, আমি ২০ বছর ধরে রাজনীতি করি, আমি নেত্রির কাছের মানুষ, আমি মন্ত্রি হবো না তো কে হবে ? অথছ এরা কিন্ত এই বিশ বছরে নিজেদের আপডেট করেনি। সেই একই ফতোয়া নিয়ে পড়ে আছে।
কিন্ত দেখুন শিক্ষিত তরুন রাজনীতিবিদদের চিন্তাধারা এবং ভাষাও ডিফ্রেন্ট ঐ বুইড়াচোদাগুলা থেকে।
আমি এদের দেখে ইন্সপায়ার্ড। এদের পিছন টা অনেক ধোয়াটে হলেও এরাই আমাদের তরুন্দের প্রতিনিধিত্ত করে। আমরা গোটা একটা জেনারেশন দেখতে চাই এই রকম ( আগের ভুলগুলো বাদ দিয়ে)। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবেই। "জয় বাংলা" ।
আমি একটু আগে ৩য় পক্ষ প্রিপেয়ার করার একটা সম্ভাবনার কথা বলেছিলাম।
আগে দুইটা ফ্যাক্টস শুনেন।
১)আওয়ামিলীগ যা শুরু করেছে তাতে আমি রীতিমত বিরক্ত, প্রেশারে পড়ে তারা একের পর এক ভুল করে যাচ্ছে। নেক্সট টাইম আবার ক্ষমতায় আসলে কি হবে আল্লা মালুম। কাজেই তাদের ভোট না দেয়াই উত্তম।
২) বি এন পি প্রধান বিরোধী দল হিসেবে অনেক অপরচুনিটি মিস করছে। নিজেদের ইন্ট্রা কমিউনিকেশন, ইনফ্রা স্টাকচারেই গন্ডগোল। সবচাইতে বড় কথা হচ্ছে, "সেই ৯১ তে বি এন পি জামায়াত কে অফিশিয়াল একটা ইলেকশন প্লাটফর্ম তৈরি করে দিয়েছিলো, আর এখন তো গলায় গলায় ঝুলাঝুলি। একজন বাংলাদেশি নাগরীক হিসেবে, সকল জামায়াত , শিবির , রাজাকার দের আমি ঘৃনা করি, ঘ্নৃনা করি ঘৃনা করি। বি এন পি কে বর্জন করার জন্য এই একটা কারন ই আমার জন্য যথেষ্ট।
একজন রাজাকার যখন ফ্লাগ লাগিয়ে মন্ত্রির গাড়িতে ঘুরবে, সেইটা হবে বাংলাদেশের জন্য সর্বোচ্চ দুর্দিন। কাজেই বি এন পি কে ভো দেয়া যাচ্ছেনা।
কেন দরকার তরুন্দের রাজনীতিতে এগিয়ে আসা ?
বর্তমানে বাংলাদেশের ইয়াং জেনারেশন অনেক ইনফরমেটিভ, তারা খবরের কাগজ পড়ে, সোশাল নেটোয়ার্কিং করে, ফেসবুক টুইটার, ব্লগিং করে। এরা আগের জেনারেশনের মত বকল নয়, একটা খবর জাস্টিফাই করার জন্য হাজারো অপশন আছে তাদের সামনে। কাজেই তাদের পয়েন্ট অফ ভিউ খুব ই গুরুত্বপুর্ন।
সাধারনত যারা, বয়োজোষ্ঠ, তারা বাটা জুতার ফ্যানের মত ,আওয়ামি, বি এন পি ছাড়া কিছু বুঝেনা। কাজেই এদের কাছ থেকে চেঞ্জিং এর আশাটা বুদ্ধিমানের কাজ না। কিন্ত সুইং করে তরুন সমাজ। যেহেতু ভোটারদের বড় একটা অংশ তরুণ, এবং
দে নো হাউ টু এক্সপোজ এ থিং, এনালাইজিং এ থিং এন্ড এক্সিকিউট থিংস, তাদের মতামত টা খুবি গুরুত্বপুর্ন। এটলিস্ট প্রধান দলদুটি ইয়থদের নিয়ে কাজ করতেও পারে।
তাদের ট্রেইন্ড করে শিক্ষিত রাজনীতিবীদ বানাতে পারেন।
এখন যুগ টা মিডিয়ার। এমন কি একটা দেশের প্রেসিডেন্টিয়াল এর পক্ষেও ক্যাম্পেইন চালাতে পারে মিডিয়া (ইউএসএ), যদিও আমাদের দেশে সেই সিটেম নেই। কিন্ত আমাদের দেশে মিডিয়া ব্যাবহারিত হচ্ছে পলিটিকাল উইপন হিসেবে। "মোজাম্মেল বাবু" নাকি চ্যানেল ৭১ কিনে ফেলেছে।
তাহলে মেইন্সট্রিম মিডিয়ার উপর আম রা কতটা ভরসা রাখতে পারি ? কিছু মিডিয়া সরকার বিরোধী কথা বলতে গেলেই বন্ধ করে দেয়া তাদের মুখ। কারন হিসেবে তারা দেখাচ্ছে মান্ধাতা আমলের সেই প্রেস ল " এক্ট অফ ১৯৭৩ এর অনুচ্ছেদ ৩৯(১) এবং দুইয়ের মাঝখানের ফাকটাকে। আমি সরাসরি কোট করি
"Article 39(1) of the Constitution provides for freedom of speech, expression and the press but Article 39(2) makes the enjoyment of these rights subject to "reasonable restrictions" in the interests of "the security. of the state, friendly relations with foreign states, public order, decency and morality in relation to contempt of court, defamation or incitement to an offence."
অর্থাৎ, আর্টিকেল ওয়ানে আপনাকে ভুজুং ভাজুং ফ্রিডম অফ স্পচ দেয়া হয়েছে, এবং আর্টিকেল টু তে সেটা কৌশলে কেড়ে নেয়া হয়েছে।
আরো বলা হয়েছে, "to ban publications and to search premises. Section 99A of the Code of Criminal Procedure made any printed matter, defamatory of the country's President or the Prime Minister, an offense punishable by imprisonment from two to seven years."
অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রির বা প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে কিছু বললে ২-৭ বছরের সাজা হতে পারে সাংবাদিকদের।
গঠন করা হলো প্রেস কাউন্সিল, কিন্ত কি লাভ হলো ? আবারো কোট করি "The PC has no powers to take action against the government for transgressing the freedom of the press, nor does the government consult the PC before taking action against a newspaper or a journalist.
"বাংলাদেশ ম্প্রেস ল"
অর্থাৎ, নিউজপেপারের ফ্রিডম ভং করার জন্য প্রেস কাউন্সিল কিহুই করতে পারবেনা গভর্ন্মেন্টের বিরুদ্ধে।
তবে আশার কথা হচ্ছে,
মিডিয়া্র প্রতিকুলতা সরকার ব্রডকাস্ট বন্ধ করার হুমকি ধামকি দেয়া হলেও খুব একটা সুবিধা করতে পারনি।
কারন হচ্ছি, এই আমি, আপনি, এই আপ্নারা ব্লগার রা।
প্রিন্ট মিডিয়ার অনেক ঘাটতিই এখন মানুষ মুহুর্তের মধ্যেও চলে যাচ্ছে ঘটনা বা খবরের ভিতরের ভিতরে। পত্রিকার অনেক সাংবাদিক নিজেদের "ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন" না পেয়ে আজকে ছদ্মনামে ব্লগিং করছে মন খুলে। সাম্প্রতি অনেক ঘটনার সূত্রপাত ব্লগ থেকে শুরু করে পরে মেইন্সট্রিম মিডিয়াতে নাড়া দিয়েছে।
এটা অবশ্যই সুখের খবর, আমাদের "ফ্রিডম অফ স্পিচ" ধরে রাখতে পারছি। যদিও সেখানেও হাত বসানোর চিন্তা সরকারের। সাইবার ল এর নাম করে তারা মনিটরিং করছে ফেসবুক।
হা হা হা পায় যে হাসি।
আলোচনা অন্যদিকে চলে গেছে, আবার ফিরে আসি তরুনদের কাছে, অনলাইন এক্টিভিজম এখন অনেক কমন একটা জিনিস।
এমন কি ফিল্ডে নামতেও পিছপা হন না অনেকেই। এই একতাটুকু ই শুধু দরকার ছিলো আমাদের। ইভ টিজিং ইস্যু,বর্ডার কিলিং, শিক্ষাকে বানিজ্যিকরন তথা জগন্নাথ ইস্যু, পরিমল ইস্যু, পারসোনা ইস্যু, কঙ্কো ফিলিপস চুক্তি, কোন জায়গাটায় আমরা অগ্রগামী ছিলাম না বলেন তো ? এই রকম একটা মুক্ত প্লাটফর্ম অনেক দকার ছিলো আমাদের। বেশিরভাগ তরুন ব্লগাররাই তাদের সচেতনতা ছড়িয়ে দিচ্ছেন এবং তৈরি করছেন নতুন সম্বাবনাময় তারুন্য, ইনফরমেটিভ তারুন্য।
কিন্ত এখানেও ছোট একটা সমস্যা আছে, ডিজিটাল বাংলাদেশ করে করে সরকার মাথা ঘুরিয়ে ফেলছে অথছ গ্রামে গঞ্জে ইন্টারনেটের এক্সেস পাওয়া দুস্প্রাপ্য।
সরকার এমন কি নিজের দেশের বিপুল ডিমান্ড থাকা সত্বেও প্ল্যান করছেন বাইরে ব্যান্ডুইথ রপ্নানি করার
কি করে হবে আপনার ডজিটাল বাংলাদেশ ?
যাই হোক, গ্রামে গঞ্জে ছেলেমেয়েদের হাতে নেট না থাক্লেও মোবাইল তো আছে। কে জানে, হয়তো একটা কালজয়ী এস
এমএস ই চেঞ্জ করে দিতে পারে দেশের ভাগ্য। সাম্প্রতিক "রবির করা বিজ্ঞাপন টা দেয়ার লোভ সাম
লাতে পারলাম না। পরিবর্তনটা তো এভাবেও আস্তে পারে, পারেনা ? আরে স্বপ্ন দেখতে দোষ কি ?
হয়তো এবার আসলেই হবে। হয়তো নতুন কোন পদ্ধতিতে, তবে সেটাও যে কোন ক্রিয়েটিভ তরুন্মাথা থেকে বের হবে সেটা শিওর।
আমার আসল দাবীটা হচ্ছে, তৃতীয় পক্ষ হিসেবে আমি এখন তরুনদের এখতে চাচ্ছি। একদল সচ্ছ, দৃপ্ত তরুন। যারা আমাদের স্বপ্ন দেখাবে নতুন এক দেশের। বিশ্বাস করুন, আমি সেই ডাক শুন্তে পাচ্ছি। এই ডাক জাগরণের ডাক, আপনাদের কি গা শিউরে উঠছে না ? আমার উঠছে।
আমার কিন্ত হার্টবিট বেড়ে যাচ্ছে। । বিশ্বাস করুন প্রিয় ব্লগার রা, আমি আমার হার্ট টা খুলে দেখাতে পারলে তাই দেখাতাম, কি পরিমান আশা আর ভালোবাসা দেশকে ঘিরে রেখেছে।
বাংলাদেশের ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায় সমস্ত বিদ্রোহের ইনিশিয়েটিভ এ ছিলো ছাত্র সমাজ, তরুন যুবা। আমার মনে হয় একটা রেভুলিউশনের সময় চলে এসেছে।
আমরা চিৎকার করে বলতে চাই, আমরা অনেক সহ্য করেছি, অনেক দেখছি, এবার আমাদের একটু সুযোগ দাও। আমাদের ট্যালেন্ট কে ব্রেইন ড্রেইন না করে ইউজ কর, ইমপ্লিমেন্ট কর।
অত্যন্ত দুখের সাথ জানাচ্ছি, তরুনদের জন্য রাজনৈতিক ময়দানে ঢুকা অনেক টাফ, সেই সাথে আরো টাফ নিজের সততা টিকিয়ে রাখা। আপনার আমার বাবা আমাদের পলিটিক্স করতে দিবেনা । কেন দিবেনা ? রাজনীতি কি খারাপ কিছু ? নাকি তথাকথিত রাজনীতিবীদদের দেখে উই আর সো মাচ পিসড অফ।
শুধুমাত্র পলিটিক্স এর কারনে আমাকে ফরিদপুর মেডিকেল থেকে দুই বছর ডাক্তারি পড়ে চলে আস্তে হয়েছিল, আজকে একজন শিক্ষিত নেতা বের হচ্ছেনা রাজনীতিতীতে। আমার বাবা মা আমাকে পলিটিক্স করতে দিবেন না, দেশের পরিবর্তন করে গিয়ে নাকি নিজেকে ভাসিয়ে দেয়ার কোন মানে নেই। আরে, শিক্ষিত পোলাপান যদি পলিটিক্স না করে, পরবর্তি প্রজন্মে আমরা এই দ্বিডাকিনিতন্ত্র থেকে বের হব কিভাবে ? জামাত ছাগুদের তো গনায় ই ধরলাম না। তৃতীয় পক্ষ সৃষ্টির প্রয়োজনীয়তা টা কি কেউ ই বুঝছেন না ? যেই ৩য় পক্ষ হবে, তরুন, শিক্ষিত, ইনফরমেটিভ, ইতিহাস সচেতন এবং দেশপ্রেমিক রাজনীতিবীদ। যারা রাজনীতিতে আসবে কিছু দিতে, নিতে নয়...
বুইড়া ফান্ডালিস্টগুলারে আর দেখতে মন চায় না, "পরিবর্তন. জিনিসটা তারা বুঝেন ও না, বুঝতে চান ও না।
বাইরের কালচার থেকে আমরা খারাপ কিছু এডপ্ট করবো এই ভয়ে বন্ধ করে দেয়া হচ্চছে প্রগতিশিলতার দরজা। আরে, আমরা তরুন রা তো ভালো ইছুইও এডপ্ট করার ক্ষমতা রাখি।
আমার ফিল্ড যেহেতু মিডিয়া, তাই এই বিষয়ে কিছু না বল
লেই নয়,
৬৯ এর ম্যাস মুভমেন্টের পর শেখ মুজীব তরুন সব ফিল্ম মেকারদের (জহীর রায়হান, আলমগীর কবীর, আলাউদ্দীন আল আজাদ, আমজাদ হোসেন, সুভাষ দত্ত, খান আতা প্রমুখ) ডেকে এনে জজ্ঞেস করেছিলেন, তোরা পারবি এককবভাবে আমাদের একটা সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি দাড়া করিয়ে দিতে ? জহীর রায়হান দৃপ্ত কন্ঠে বললো পারবো স্যার। আমাদের উপ বিশ্বাস রাখুন, আমরা পারবো। শেখ মুজীব তলখন বুকে টেনে নিয়েছিলেন কে জহীর রায়হান কে।
তরুন্দের উপর তিনি আস্থা রেখেছিলেন। বাংলাদেশের সকল বিদ্রোহের মূনায়ক তরুন সমাজ। মুজীব সাহেব ইন্ডিয়া তো বটেই, পাকিস্তানের ছবি আনাও নিষিদ্ধ ঘোষনা করলো। আর ঠিক চল্লিশ বছর প র তা সুকন্যা...
হজীর রায়হান মারা গেলেন ৩০ এ ডিসেম্বর। কিন্ত তার স্বপ্ন মরেনি, তখন সব ছবি হত সামাজিক ইস্যু নিয়ে, কমিউনিজম নিয়ে,আর এখন ?
সেই একই সমস্যা।
কতগুলা বুইড়া ফান্ডামেন্টালিস্ট এফ ডিসিকে কব্জা করে রেখেছে। এদের সরিয়ে দিয়ে তরুন্দের সুযোগ করে দিলে আমি ১০০০% গারান্টি দিয়ে বলতে পারি, আরেকজন জহীর রায়হান আলমগীর কবীর কে পেতে আমাদের দেরি হবেনা। অলরেডি সেই ধাক্কা শুরু হয়ে গিয়েছে।
আমি আশাবাদী সবসময়, স্বপ্ন দেখতে টাকা লাগেনা। আমি অনেক স্বপ্ন দেখি নিজে নিজে।
কেউ এটাকে হয়তো ইটোপিয়া বলতে পারেন, তবে আমার ফান্টাসি জগত নিয়ে আমি খুশি। পরিবর্তন একটা আসছে, আমি ডাক শুনতে পাচ্ছি। বিশ্বাস করুন, মন থেকে কথাগুলা বলছি। এই তারুন্যই বাংলাদেশ কে সোনার বাংলাদেশ হিসেবে দাড়া করাবে বিশ্ব দরবারে।
আমি ছোট মানুষ, আমার ক্ষমতা খুবি সীমিত।
কিন্ত আমি চেঞ্জটা শুরু করতে পারি আমার ফিল্ড (মিডিয়া) থেকে, আপনি করতে পারেন আপনার ফিল্ড থেকে। প্রত্যেকে নিজ নিজ যায়গা থেকে দাঁড়িয়ে আসুন পরিবর্তনের শপথ নেই। আমরা হয়তো পরিবর্তন টা দেখতে পারবোনা, তবে শুরু তো করে দিয়ে যেতে পারি। সেটা হতে পারে ইভেন নিজ এলাকা থেকে। আমরা যদি আমাদের ছোটদের নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে পারি, তাদের মাঝে দেশপ্রেমের চেতনা ঢুকিয়ে দিতে পারি, তাহলে কিন্ত একটা ব্লক তৈরি হয়ে গেলো।
এভাবে এই জেনারেশন যখন বড় হবে, তারা হবে সলিড। এখন থেকেই যদি আমরা ছোটদের তথা নিজেদের ও সঠিক ইতিহাস শিক্ষা দেই, এথিক্যাল ব্যাপারগুলা তাদের মাথায় ঢুকিয়ে দেই, সেই সাথে তাদের নিজেদের টেকনিক্যাল সাপোর্ট তো আছেই। একদিন দেখবেন, এরাই পারবে। উঠে দাঁড়াবে, বিশ্বের সাথে নিজেদের পরিচয় করিয়ে দিবে গর্বের সাথে। আম সেই দিন্টার স্বপ্ন দেখি।
আপনি দেখেন না ?
এই পোস্ট টা আওয়ামি বা বিএনপির এক্টিভিটিস নিয়ে না বেসিক্যালি। আমি দেখাতে চেয়েছি, আমাদের কিছু ইয়াং ট্যালেন্ট রাজনীতিবীদ দরকার, যারা আগের ভুলগুলো শোধ্রাতে পারবে এবং বাংলাদেশকে সোনার দেশে পরিনত করবে।
আরো একটা ব্যাপার, ইদানিং দেখি সরকারের সমালোচনা নিয়ে পোস্ট দিতে ফিয়ে অনেকে কৌশলে জামাতি, রাজাকারি পাঞ্চ ঢুকিয়ে দিচ্ছে। এদের থেকে সাবধান। এরা সর্ব নিকৃষ্ট।
আজীবন রাজাকার, ছাগুদের বিরুদ্ধে লড়ব। , কি ভার্চুয়ালি, কি ময়দানে, অলোয়েজ গদাম।
(বিঃদ্রঃ আসলে আজকে আমার মন টা অনেক খারাপ, দেশ নিয়ে কথা বলতে গেলে আমাদের বন্ধুদের মাঝে কয়কজন বাদে সবাই সরে যায়, কি করবো এদের নিয়ে ? গনতান্ত্রিক সুশাষনের চেয়ে এসিতে বসে পর্ন দেখাই তাদের জন্য বেশি মজার। আমি আশাবাদী, কিন্ত হতাশ এই জেনারেশন টা দেখে, আমি কিছু একটা করতে চাই, একটা কিছু অন্তত করতেই হবে। ) ।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।