মারাত্মক সৌরঝড় পৃথিবীতে আঘাত হানতে শুরু করছে। এতো বড়ো সৌর ঝড় গত পাঁচ বছর অর্থাৎ ২০০৬ সালের ডিসেম্বরের পর আর কখনো পৃথিবীতে আঘাত হানেনি। এ সৌরঝড়ের ফলে আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে বিশ্বের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা, উপগ্রহ ভিত্তিক যোগাযোগ ব্যবস্থা ও বিমান চলাচলে বিঘ্ন ঘটতে পারে বলে আশংকা প্রকাশ করেছেন মহাকাশ আবহাওয়া বিষয়ক বিশেষজ্ঞরা।
সূর্য পৃষ্ঠের দু'টি জ্যোতির্বলয় বা সোলার ফ্লেমের উদ্ভব ঘটেছে গত মঙ্গলবারে। এ দুই সৌর কলঙ্ক থেকে প্লাজমা নামে পরিচিত অত্যন্ত উষ্ণ গ্যাস মেঘমণ্ডলী ও আয়নিত অণুরাজির তরঙ্গ পৃথিবীর দিকে ছুটে আসতে শুরু করে।
করোনাল মাস ইজেকশন বা সিএমই নামের সব তরঙ্গ ঘন্টায় ৬৪ হাজার কিলোমিটার বেগে ধেয়ে আসছে।
তিনটি স্তরের এ ঝড়টি গত মঙ্গলবার থেকেই পৃথিবীতে আসতে শুরু করেছে। প্রথম দফায় মঙ্গলবার শক্তিশালী সৌর তরঙ্গ পৃথিবীতে পৌঁছেছে। গতকাল (বুধবার) দ্বিতীয় দফায় সৌর বিকিরণ পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রে আঘাত হানে। বৃহস্পতিবার জ্যোতির্বলয় নিঃসরিত প্লাজমা মেঘ আঘাত হানতে শুরু করে পৃথিবীকে।
সৌর ঝড়ের প্রভাব মেরু অঞ্চলগুলোতে সবচেয়ে বেশি লক্ষ করা যাবে। তাই বিমান চলাচলে এ অঞ্চলের রুটগুলোকে যথাসম্ভব এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে।
এ ছাড়া উত্তরমেরুতে এ ঝড়ের প্রভাবে বর্ণিল ও অত্যন্ত উজ্জ্বল মেরুপ্রভা দেখা যাবে বলেও জানানো হয়েছে। তবে মার্চ মাসের পূর্ণিমা এ সব মেরুপ্রভার উপর প্রভাব ফেলবে। সৌরঝড়ের প্রভাবে কেবল মেরু অঞ্চল নয় মধ্য অক্ষাংশেও দেখা দিতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক, ইলিওনিস এবং আইওয়াহ অঙ্গরাজ্য এই মধ্য অক্ষাংশের মধ্যে পড়েছে। ।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।