আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

আসুন আমরা রেলকে বাঁচাই নিজেরা বাঁচি

সাইফ শাহজাহান শুচি সৈয়দ যানজটে ঢাকা শহরে আমাদের প্রাণ ওষ্ঠাগত। মালিবাগ থেকে রামপুরা যেতে গতপরশু আমার পৌনে এক ঘণ্টা সময় লেগেছে। এ কড়চা নিত্যদিনের অমোচনীয় বিধিলিপিতে পরিণত হয়েছে। এককথায় বলা যায়, যানজটে, জনজটে বিপর্যস্ত নাগরিক জীবন। কিভাবে যে আমাদের চোখের সামনে দিয়ে এ শহর এ রকম এক অকহতব্য আখ্যানের নগরে পরিণত হচ্ছে তা বর্ণনা করাও দুরূহ কর্ম।

মানব সভ্যতা নাকি চাকা আবিষ্কারের মধ্যদিয়ে শামিল হয়েছিল অগ্রগতির রথে। আর একুশ শতকে আমাদের এ শহরে আমরা চাকার ওপর দাঁড়িয়ে থেকে কাটিয়ে দিচ্ছি অর্থহীন ঘণ্টার পর ঘণ্টা! না, কারো মাথা ব্যথা নেই এ নিয়ে। একটা বহুল প্রচলিত কৌতুক আমরা প্রায়সই বলে থাকি এই স্থবিরতার বর্ণনায়। তা হলÑ এক পথিক পথ চলতে থাকলে তাকে একজন থামিয়ে দিল। পথিক ভাবলেন তার সম্মুখ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে, তো তিনি ডাইনে চলার উদ্যোগ নিলেন, তাকে আবার থামার আদেশ দেয়া হল।

তিনি ভাবলেন এবার ডান পথ রুদ্ধ, তিনি বামে ফিরলেন, তাকে আবারও থামানো হল। সামনে, ডানে, বামে নিষিদ্ধ পথিক পেছনে ফেরার উদ্যোগ করলেন, তাকে আবারও থামিয়ে দেয়া হল। বেচারা ত্যক্ত-বিরক্ত হয়ে প্রশ্ন করলেন, সামনে নয়, ডানে নয়, বামে নয়, যেখান থেকে এসছি সেই পেছনেও নয়Ñ তাহলে আমি করবোটা কি? বলা হলÑ ‘কি’-তো করাই যাবেনা!! এই কৌতুকে পথিক আর হুকুমদাতা দুটি চরিত্রের উপস্থিতি আছে। এ শহরের বর্তমান বাস্তবতায় প্রশ্নকর্তা পথিক এবং হুকুমদাতা উভয়ই পটল তোলা অস্তিত্বে পরিণত হয়েছেন। অর্থাৎ প্রশ্ন করারও কেউ নেই, হুকুম বরদারও কেউ নেই।

ঘর থেকে আপনি পথে বেরুবেন ঠিকই কিন্তু গন্তব্যÑ নৈবচ, নৈবচ! আমাদের এক আমেরিকা প্রবাসী লেখক অগ্রজ এসেছেন। গত এক মাস যাবত তার সঙ্গে দেখা করার উদ্যোগ নিয়েও যাওয়া হয়ে উঠছেনা। গতকাল কবি আলমগীর রেজা চৌধুরীসহ আমি ও আমার কন্যা সামান্থা মাঈনুস সুলতানের সঙ্গে তার হোটেলে দেখা করতে গেলাম। শ্যামলী থেকে বেলা পাঁচটায় রওনা দিয়ে রেজা ভাই মহাখালী এসে পৌঁছুলেন সন্ধ্যা সাতটায়। আমি তার আধা ঘণ্টা আগে পৌঁছুতে পেরেছি আমার এক সাবেক সহকর্মী গুলশানের একটা শর্ট রাস্তা চিনিয়ে দেয়ায়।

নইলে আমিও আরও পরে পৌঁছুতাম সন্দেহ নেই। মার্কিন প্রবাসী লেখক মাঈনুস সুলতান জানেন দেশের রাস্তা ঘাটের অবস্থা তাই তিনি সেই মানসিক প্রস্তুতিতে ছিলেন জন্যে আমাদের দুই ঘণ্টা দেরিতে অপরাধ ধরেন নি। কথা হচ্ছিল তার সঙ্গে, জানতে চাইলাম কি কি পার্থক্য বোধ করেন পৃথিবীর অন্য সিটি শহরগুলোর সঙ্গে ঢাকার? বললেন, প্রধান সমস্যাই যাতায়াত। কোন শহরের মোবিলিটি না থাকলে তা আর মেগাসিটি থাকে কি? অর্থহীন হয়ে পড়ে জীবন। বললেন, শহরের গ্রোথ অনুযায়ী যদি মনোরেল, পাতাল রেল চালু করা যেত তাহলে অনেক সচ্ছন্দ হয়ে উঠত ঢাকা।

আর এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করার মত অর্থ এখন আমাদের ব্যবসায়ীরাই যোগান দিতে পারেন। বিদেশী দাতা সংস্থা গুলোর ঋণ ও খবরদারির বাইরে থেকে আমাদের সে উদ্যোগই নেয়া উচিত। বললেন, গত বিশ বছরে যোগাযোগ ব্যবস্থা ক্রমাগত সংকুচিত হতে হতে এখন প্রায় নেই পর্যায়ে পৌঁছেছে। রিকশা এখন প্রায় উঠে যাবার অবস্থায়, গলিতে গলিতে চলার বাহন করে ফেলা হয়েছে একে কিন্তু বিকল্প বাহন ট্যাক্সি বা সিএনজি সহজলভ্য করা হয়নি। ফলে এ শহর অবরুদ্ধ মানুষের শহরে পরিণত হচ্ছে ক্রমশই।

ফাইবার অপটিকস ক্যাবল আর স্যাটেলাইটের কল্যাণে যখন পৃথিবীর উত্তর মেরু দক্ষিণ মেরু পাশের বাড়ির পড়শী হয়ে উঠেছে তখনও আমাদের টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া দূর গ্রহের পথ। কিছুদিন আগে একটি দুঃখজনক দুর্ঘটনার খবর পড়েছি সংবাদপত্রে। দেশের একজন অন্যতম ব্যবসায়ী-শিল্পপতির সšতান অতিদ্রুতগতির ও অতিদামি গাড়ি পোড়শে চালাতে গিয়ে মারাত্মক আহত হলে বিদেশে চিকিৎসার জন্যে পাঠাতে হয় তাকে। এই অতিদ্রুতগামী এবং অতি দামি গাড়ি পোড়শে চালাবার উপযোগী মসৃণ এবং সোজা দীর্ঘ কোনও পথ নেই আমাদের দেশেÑ তা জানা থাকা সত্ত্বেও শিল্পপতি তনয় জেদ ধরে গাড়িটি তাকে ঈদের উপহার হিসেবে কিনে দেবার জন্য। শিল্পপতি রাজী হননি।

রাজী না হয়ায় স্ত্রী-পুত্র-কন্যা সবাই পুত্রের পক্ষ হয়ে কথা বন্ধ করে দেয় তার সঙ্গেÑ যাকে বলে অসহযোগ আন্দোলন। ফলে নিরুপায় পিতা গাড়িটি কিনে দিতে বাধ্য হন পুত্রকে। আর সেটি চালাতে গিয়ে তৃতীয় দিনের মাথায়ই তারা শিকার হন মারাত্মক দুর্ঘটনার। কোমায় চলে যায় একজন আহত হয় তার বন্ধুরাও। অতিদ্রুত এবং অতিদামি এই গাড়িটির বিলাসিতা ট্র্যাজিক ঘটনাটি থেকে অনেক কিছু শিক্ষণীয় আছে কিন্তু এ থেকে আমরা কিছুই শিখব না।

আমরা আসলে কোনও কিছু থেকেই কিছু শিখিনা। আমরা পুনঃ পুনঃ যা করি তা হচ্ছে- অনুকরণ অন্ধ অনুকরণÑভাল নয়, কেবলই খারাপের। বন্ধুত্ব হচ্ছে বন্ধুর জন্য জীবন বাজী রাখার কিন্তু ঘটছে কি? বন্ধু অপহরণ করছে বন্ধুকে, বন্ধু খুন করছে বন্ধুকেÑ এমনকি খুন করা বন্ধুর কঙ্কাল পর্যন্ত বিক্রি করে অর্থ উপার্জনের ধান্ধা করছে! বন্ধু খুন করছে বন্ধুকে ল্যাপটপের জন্য, সেলফোনের লোভে। লোভ-ভোগ-বিলাসিতাÑ এসব হয়ে উঠেছে জীবনের মূলমন্ত্র, চিন্তার মূল কেন্দ্রবিন্দু!! বলছিলাম পোড়শে গাড়ির কথা। যে গাড়ি চলার উপযোগী সোজা দীর্ঘ ও মসৃণ সড়ক নেই দেশে অথচ গাড়ি আছে।

একই ভাবে বলতে হয়, এই ঢাকা মহানগরীর সম¯ত রা¯তার দৈর্ঘ্যরে চেয়ে বেশি গাড়ি আছে দেশের শুধু এই নগরীতেই। আর তা আছে জন্যই চাকা ঘুরছে নাÑ আটকে থাকছে জ্যামে। রিকশা-সিএনজি তুলে দিয়েও এই জ্যাম ছোটানো যাচ্ছে না। এই জট ছাড়াতে এই মহানগরীতে মনো রেল, মেট্রো রেল চালুর কোনো বিকল্প নেই। ব্যবসায়ীদের সংগঠন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (ডিসিসিআই) গত সপ্তাহে রেল বিষয়ে এক সেমিনারের আয়োজন করে।

সেখানে এ বিষয়ে চিšতাশীল বক্তাদের বক্তব্যে দেশের রেলের সমস্যা-সম্ভাবনার বিষযগুলো খুবই চমৎকার ভাবে উঠে এসেছেÑ ‘‘রেলওয়ে ও অভ্যন্তরীণ নৌপথগুলো কার্যকর করা গেলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রতিদিন অন্তত ৫০০ পণ্যবাহী ট্রাক কম চলবে। এর ফলে সড়কের ওপর চাপ কমবে, ব্যবসার সময় ও খরচ সাশ্রয় হবে। এ জন্য প্রয়োজন রেলপথের সংস্কার ও উন্নয়ন, প্রয়োজন পরিকল্পিত বিনিয়োগ। ’’ ওই সেমিনারের সংবাদটির ইন্ট্রোটুকু উদ্ধৃতি দিয়ে বলিÑ একই সঙ্গে আরও যে সুফলগুলো আসবে তাহলÑ সড়ক পথে নানা শ্রেণীর দুবৃত্তদের হাত থেকে আমরা স্টেকহোল্ডাররা রক্ষা পাবো। পথে পথে চাঁদাবাজ দুর্বৃত্তদের দৌরাত্ম্য থেকে মুক্ত হবো।

পথে ডাকাতি বা লুট হয়ে যাবেনা বিদেশে রপ্তানির জন্য বন্দরে প্রেরিত পণ্য সামগ্রী। উত্তরাঞ্চল থেকে চাউল ভর্তি ট্রাক রাজধানী ঢাকায় পৌঁছুবার আগেই লাশ হবেনা এর ড্রাইভার হেল্পার। গায়েব হয়ে যাবেনা ট্রাক। কমবে দুর্ঘটনাÑ অকালে ঝরে যাবে না তারেক মাসুদ-মিশুক মুনীরের মত প্রতিভা। সেমিনারে রেলমন্ত্রীর বক্তব্যও প্রাসঙ্গিক, চিšতাশীল ও আত্মোপলব্ধি সমৃদ্ধ।

তাঁর মতে, ‘দেশের রাজনীতিতে যদি সবচেয়ে বিভ্রান্তিকর কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সেটা হচ্ছে রেল মন্ত্রণালয়কে তুলে দেওয়া। এই আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত আমাদের অনেক পিছিয়ে দিয়েছে। ’ রেলমন্ত্রী জানান, সৈয়দপুরে আরেকটি রেলকারখানা করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। সেটা হবে অত্যাধুনিক এবং সেখানে রেলের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি সংযোজন করা হবে। তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু সেতুর পাশে আরেকটি সেতু করা হবে।

সেটা হবে শুধু রেলওয়ের সেতু। সারা দেশে এমন আরও তিনটি সেতু করা হবে। ব্যবসায়ীরা চাইলে এতে সরকারের সঙ্গে বিনিয়োগ করতে পারেন। ’ অনেক দেরিতে হলেও আমরা যে একটা আত্মঘাতী সিদ্ধাšতকে সনাক্ত করে সেটি অপনোদনের প্রচেষ্টায় ব্রতী সেটা এখন প্রমাণ করতে হবে। ষোল কোটি জনসংখ্যা আর কোটি তরুণ বেকারের দেশে রেল যেমন হতে পারে অপার কর্মসংস্থানের স্বর্ণখনি তেমনই দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নের, বিকেন্দ্রিকরণের অন্যতম অবলম্বন।

অজস্র রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি পালনের অক্ষমতা দূর করতে পারে রেল। আমরা যদি দেশব্যাপী রেল পুনর্গঠনের বিপুল কর্মযজ্ঞে নামতে পারি তাহলে অনেক কর্মসংস্থানের পাশপাশি উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাবেন ব্যবসায়ী-কৃষক-শিল্পোউদ্যোক্তা থেকে শুরু করে খুচরা বিক্রেতা এমনকি ক্রেতা পর্যšত। রাষ্ট্র পাবে আয়ের অন্যতম একটি খাত। সারা দেশকে যেমন রেল যোগাযোগের আওতায় সংহত করা যাবে তেমনই বৈদেশিক যোগাযোগেও তার রাখতে পারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। যে কথাটি বলেছেন ডিসিসিআই-এর তরুণ সভাপতি আশিফ ইকবাল।

তার মতে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যেখানে রেলব্যবস্থার আধুনিকায়ন হয়েছে, সেখানে দেশে রেলপথের দৈর্ঘ্য ও স্টেশনের সংখ্যা কমেছে। কিন্তু রেলের এত সংকোচন হওয়ার পরও যাত্রী চলাচল দিন দিন বেড়েই চলেছে। ডিসিসিআইয়ের সভাপতি রেলের জন্য প্রণীত সমন্বিত বহুমুখী পরিবহন নীতির (আইএমটিপি) মাধ্যমে একটি মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন ও তা বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন। তিনি ভারত, চীন ও মিয়ানমারের সঙ্গে রেল যোগাযোগ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ার প্রস্তাব করেন, যেন বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক রেল-নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। ’’ ব্যবসায়ীদের এই সেমিনারে রেলকে কেন্দ্র করে ইতিবাচক এক সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎকে তুলে ধরা হয়েছে।

একজন বক্তা খুব স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘রেলওয়ের পর্যাপ্ত সম্পদ আছে। তাই রেলকে উন্নত করতে হলে দাতাদের কাছে হাত পাততে হবে না। ’ ছোটবেলায় পড়া একটি রূপকথার গল্পের কথা মনে পড়ছেÑ রাক্ষসরা রাজপ্রাসাদ দখল করে রাজ্যেও সকল মানুষসহ অনিন্দ্য সুন্দরী রাজকন্যাকে যাদুর কাঠি দিয়ে মায়া ঘুমে ঘুম পাড়িয়ে রাখে। বিজয়ী এক রাজকুমার এসে সোনার কাঠি-রূপোর কাঠির স্থান বদল করে ফিরিয়ে দেয় সবার জীবন। রেল যেন সেই চাঞ্চল্যে ভরিয়ে তুলতে পারে আমাদের।

ঢাকা-চট্টগ্রাম সড়ককে চার লেনে, আট লেনে উন্নীত করেও যে সমস্যা সমাধানের দিশা মিলছেনাÑ রেলকে দুই লেনে উন্নীত করলে তার হাজার গুণ সমাধান আপনাতেই মিলবে। সারা দেশের রেল পথকে দুই লেনে উন্নীত করে, আšতর্জাতিক যোগাযোগের অংশে লেনে উন্নীত করে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ অবকাঠামো গড়ে তোলার কোনও বিকল্প নেই দেশের সামগ্রিক উন্নতির জন্যও। আমার মতে, রেলমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর যে সিদ্ধাšেতর কথা বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধু সেতুর পাশে আরেকটি সেতু করা হবে। সেটা হবে শুধু রেলওয়ের সেতু। সারা দেশে এমন আরও তিনটি সেতু করা হবে।

’ এই সেতুগুলোর সঙ্গে সড়কের প্রভিশন রাখা উচিৎ। নিচে রেল চলবে উপরে গাড়ি। এ রকম অনেক সেতু রয়েছে গণপ্রজাতন্ত্রী চীনে। চীনের সার্বিক সমৃদ্ধির পেছনে সেগুলোর অবদান রয়েছে সন্দেহ নেই। সময় এসেছে শুধু আšতঃনগর নয় আšতঃজেলা রেল যোগাযোগের ভাবনাকে বা¯তবায়নের উদ্যোগ নেবার।

সেমিনারে মন্ত্রী এ সময়ের রাজনীতিকে ‘সাংঘর্ষিক ও সংঘাতপূর্ণ’ বলে মন্তব্য করেনÑ আমার বিশ্বাস দেশের স্বার্থে রেল পুনর্গঠনের মত একটি বড় কর্মযজ্ঞের অপরিহার্যতার কথা তাঁর মত অন্য দলের রাজনীতিকরাও উপলব্ধি করতে সক্ষম হন তাহলে সাংঘর্ষিক এই রাজনীতিই হয়ে উঠতে পারে মৈত্রী বন্ধনের অবিচ্ছেদ্য রাজনীতি। রাজনীতিকদের আজ সংকীর্ণতার উর্দ্ধে উঠে ভাবতে হবে জনকল্যাণের কথা। ঢাকা, ৩০.০১.২০১২ ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।