অপরূপ রূপমাধুরীমন্ডিত একটি মেয়ে পেন্সিল। প্রবল পেৌরুষময় একটি ছেলে পেন্সিল। মেয়ে পেন্সিলটির জীবনেও কোন কবিতার সাথে দেখা হয় নি। সে এক স্থপতির ড্রাফটিং পেন্সিল। সে উড্ডীন ছিল ডানা ওয়ালা
হ্ লুদ হ্ লুদ মেঘে।
সারাদিন ওড়াঊড়ি, ঘোরাঘুরি। কখনো এলেভেশন, কখনো প্ল্যান। হঠাত স্ প্ত আসমান থেকে পতন। পড়বি তো পড়, এই যুবক কবি পেন্সিলটির প্রেমে। ডানায় কি একটু আঘাত লাগল ? পালকে একটু ব্যথা ? মতিচাঞ্চল্যে ব্যাঘাত ? আহত, কিঞ্চীত ভীত এই বোকা মেয়েটি তবূ ও বেজায় খুশী।
নিশ্চিন্ত নিশ্ছিদ্র জীবনে একটু দোলা, ধ্রুপদী হৃদকম্পন। একটু দোলা নয়, সুনামী।
কোন এক গুহা থেকে যেন প্রবাহ শুরু হোলো ছন্দের, সুরের, শব্দের, অক্ষরের। সনেট, লিমেরিক, মেয়েটি চকিত হরিন চাহনী মেলে দেখে, ভেন্টিলেটর দিয়ে আসে নাকি এই অবাধ্য চ্ রণ গুলো ?
পশ্চিমের জানালা ? উত্তরের দরওয়াজা ?
এই প্রথম মেয়ে পেন্সিলটির ইছছে হোলো মানবী হতে। ইছছে হোলো প্রেমিকের জন্ন্য এক কাপ সুগন্ধী চা বানিয়ে দিতে।
চুলের বিনুনীতে রঙ্গীন ফিতা লাগাতে। ইছছে হোলো রেশমী চুড়ি হয়ে প্রেমিকের সামনে নাচতে।
যুবকটির কি ইছছে হোলো না ? মেয়েটির চোখের পাতায় এক স হ স্র চুম্বন ...মেয়েটির জন্ন্য প্রতিদিন এক সহস্র কবিতা...
কাঠের পেন্সিল। তার সুখ দুখের খবর কে রাখে ?
কোন পত্রিকায় ছাপা হয় না...কোন রেডিও টেলিভিশনে আলোচনা হয় না...এম্ ন কি প্রতিবেশী কলম, ইরেজা্ ক্রেওন, এরাও কিছু জানতে পারে না কোন দিন।
তরূনী পেন্সিল্ টি দিয়ে অনেক বাড়ির মোহন কারুকার্য খচিত ডিজাইন আকেন স্থপতি
তার ম নের বাড়ির ছবিটি কেউ আকে না...
তরূন পেন্সিল্ টি দিয়ে অনেক মনোহর কবিতা লেখেন কবি
কিন্তু সেই টগ বগে তরূনের তন্ত্রীতে তন্ত্রীতে যে স্ মু দ্র কাপানো কবিতা
তা তুমি লিখবে কবে, কবি ?
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।