আমার দেখা সেরা ছবি। এটা একটা যুদ্ধ চলচ্চিত্র। এটি পরিচালনা করেছেন জীন জ্যাকিস এনড। ছবিটিতে অভিনয় করেছেন জুডি ল,জোসেফ ফাইনেস,রাসেল ওয়েস,বব হসকিন ইডি হ্যাবিস প্রমুখ। ছবিটি ২য় বিশ্বযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা ব্যাটল অব স্ট্যালিনগ্রেড গল্প অবলম্বনে নির্মিত।
ছবিটির নামকরণ করা হয় উইলিয়াম ক্রেইডোর ননফিকশন বই ১৯৭৩ Enemy at the Gates এর নাম থেকে। দি ব্যাটল অব স্ট্যালিন গ্রাড রাশিয়ান স্নিপার ভ্যাসিলি জেইটসেস এবং জার্মান মেজর এরউইন কিং এর মরনপন দ্বৈরথ এর লোমহর্ষক ঘটনার উপর কেন্দ্র করে থ্রিলিং একশন মুভি।
পটভূমি
১৯৪২ সালে ২য় বিশ্বযুদ্ধে ঝাপিয়ে পরে ইউরাল পর্বতের একজন শেফার্ড বা মেষ পালক । নাম তার ভ্যাসিলি। দক্ষতার কারণে সে রেড আর্মির একজন প্রথম সারির সদস্য।
সহজ বাংলায় আত্নঘাতি স্কোয়াডের দূর্দান্ত সাহসী এক যোদ্ধা। যিনি অব্যর্থ লক্ষ্যভেদি । তার পিতামহের কাছ থেকে এই ক্ষেত্রে দীক্ষা নিয়েছেন। আত্মরক্ষার তাগিদে এবং কমিসার ড্যানিলভকে বাঁচাতে। নায়ক সামান্য শুটার থেকে বিশষ অবদানের জন্য জাতীয় বীরে পরিণত হন।
এর মধ্যেই তানিয়ার আবির্ভাব। ড্যানিলভ যাকে বিয়ের পয়গাম পাঠায় ভ্যাসিলির মাধ্যমে। সম্পর্কের জটিল রসায়নে ত্রিভুজ প্রেমের অবতারণা। তানিয়া ভালবাসে ভ্যাসিলিকেই।
ভ্যাসিলি মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাড়ায় হিটলার বাহীনির।
একের পর এক সফল অভিযানে জার্মান বাহীনি ব্যাকফুটে। তাকে হত্যা করতেই নিয়োগ করা হয় আরেক বিখ্যাত শ্যুটার এরউইন কনিগকে । মেজর এড়উইন কনিগ। যিনি ভ্যাসিলিয়াবধে একে পর এক অভিযান চালাতে থাকেন। ভ্যাসিলিও শত্রু জিঘাংসায় মেতে উঠেন।
দুইজনের জিঘাংসার দ্বৈরথ এই ছবির মূল আকর্ষন। দুই লক্ষভেদীর চরম লড়াইয়ের মধ্যেই ভ্যাসিলি -ড্যানিলভ -তানিয়ার ত্রিভুজ প্রেম দারুণ উপভোগ্য করেছে ছবিটি।
ভ্যাসিলিকে তানিয়া জিজ্ঞাসা করেন তার জীবণের লক্ষ্য কি?যুদ্ধশেষে তিনি কি করবেন?তার সরল উত্তর তিনি মিল কারখানার শ্রমিক হিসেবে যোগদান করবেন। তানিয়া অবাক হন। পরে এটিও বলে দেন সে এমনই পরিশ্রম করবে যে একদিন একটা কারখানার মালিক হবেন।
কি অসামান্য হিরো। লক্ষভেদী শ্যুটার তার স্বপ্ন কত সুন্দর । এ জন্যই ভিসেলি ক্যরাক্টার আমার অন্যতম পছন্দের ক্যারেক্টার আর জুডি ল আমার অন্যতম প্রিয় হিরু।
শত্রু যখন দরজায় কেমন থ্রিল সহজেই বুঝা যায়। আর যারা গানফাইট পছন্দ করেন তারা ও দারুণ উপভোগ করবেন ছবিটি।
জুডি ল ভিসেলি চরিত্রে অনবদ্য। তার দারুণ ভেলকিতে কিভাবে একজন হাই প্রফেশানলকে পরাস্ত করেন তা সবারই ভালো লাগবে। এরউইন কনিক চরিত্রে ইডি হ্যারিস চমৎকার অভিনয় করেছেন। যারা রোমান্টিক একশন টাইপ মুভির ভক্ত তাদের ছবিটি ভালো লাগবে। বা অলরেডি ভালো লেগেছে ।
দেখে থাকলে আরেকবার দেখতে পারেন মুভিটি।
ছবি-নেট ।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।