কালীগঞ্জ থানার ওসি লিয়াকত হোসেন জানান, শুক্রবার রাতে করা এ মামলায় আসামি করা হয়েছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের ১২ জনকে।
মামলার বাদী ফুলবাড়ি গ্রামের বাবর আলী তার ছেলের হত্যা মামলায় প্রধান আসামী করেছেন বারোবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ সম্পাদক জয়নুল আবেদীনকে।
গত ৯ জুলাই মঙ্গলবার রাতে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের কোন্দলে খুন হন মিঠুন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামান জানান, রাত ১০টার দিকে কালীগঞ্জ উপজেলার বারোবাজারের পাশে বাদেডিহি গ্রামের রাস্তার ওপর পাওয়া যায় মিঠুনের লাশ।
পুলিশের ধারণা, পরিচিত কেউ তাকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে।
বারোবাজারে আওয়ামী লীগের একটি পক্ষের নেতৃত্ব দেন ইউপি চেয়ারম্যান জয়নুল আবেদীন। নিহত মিঠুন কাজ করতেন জয়নুলের প্রতিপক্ষ কালাম ও এমদাদের পক্ষে।
এর আগে গত ১ এপ্রিল বারোবাজার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রউফকে সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে ও বোমা মেরে হত্যা করে। এই মামলাতেও প্রধান আসামি হিসেবে রয়েছে চেয়ারম্যান জয়নুলের নাম।
আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে ওই এলাকায় গত তিন মাসে চারজন আওয়ামী লীগ কর্মী খুন হয়েছে।
মিঠুন ও রউফ ছাড়া নিহত অন্য দুজন হলেন- নলডাঙ্গা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান রুহুল আমীন ও সিংদহ গ্রামের বাসিন্দা খায়রুল ইসলাম।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।