সুখী মানুষ কি কবিতা লিখতে পারে? সফল মানুষ? না-পারার যন্ত্রণায় যে পোড়েনি, হেমলক বিষ যে করে নাই পান, যে জানেনা মুখ থুবড়ে পড়া কাকে বলে, সে কি কবি হতে পারে? কৈশোর বা যৌবনের গানে যার তাল, লয় বা ছন্দে হয়নি ভুল, চারণ কবির গীতিকবিতা সে বাঁধবে কোন সুরে? প্রেমিকার ভালবাসা যার কর্পূরের মতো যায়নি উড়ে অথবা হেলেনের প্রেমে ট্রয় ধ্বংস করেনি যে প্যারিস, ইতিহাসের অমর কাব্যে সোনার আসন তার কি হয়? যে মানুষ গণহত্যা দেখেনি, শোনেনি মহামারীর আর্ত-চিৎকার কিংবা দুর্ভিক্ষের ঘোড়সওয়ার পথ আগলে দাঁড়ায়নি যে পথিকের, দুঃখের এই ভ্রমণকাহিনী তার কলমে আসবে কি ভাবে? অঙ্গারে জ্বলে-পুড়ে পাথর হয়নি যার হৃদয়, সে তো জঙ্গনামা লিখতে পারেনা। কবিতারও প্রসব হয় স্রাব-রক্ত-পুঁজ মেখে, মায়ের মতন প্রসববেদনা অনুভব না করলে কবি হওয়া যায় না। তাই, ওগো জগতের নাথ! অন্ধত্ব চাই, কুষ্ঠ ও যক্ষ্মা চাই, আনো যুদ্ধ, দাও দারিদ্র। চাই আত্মহননের পাগলা ভূত ঘাড়ে নিয়ে ঘুরতে—তাও যদি বেদনার এই মহাকাব্যের শেষ পঙক্তি হয় লেখা। ২৫/০৮/২০১১
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।