আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

যোগাযোগ মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে যা বলে মন্ত্রীত্ব রক্ষা করলেন।

কাঙাল জানিয়া বাবা দিও দরিশন, অধম জানিয়া বাবা দিও দরিশন..... এতুটুকু একটা দেশ এত গাড়ী শুধু গাড়ী আর গাড়ী , ঐ দিকে ঠিক করি তো এই দিকে ভাঙ্গে , এই দিকে কাজ করাই তো ঐ দিকে আবার ভাঙ্গে। গত বছর আমার মন্ত্রনালয়ে কোন দুর্নিতি হয় নাই। ( কানে কানে বলি, মানে কোন উন্নয়ন ঐ হয় নাই। ) উন্নয়ন করতে গেলেই তো বিন্পি জামাত আমলের সব প্রকৌশলীরা লুঠপাট করে ফেলবে তাই বুদ্ধি কইরা একটু টাইট দিছি। তাছাড়া আমাদের যারা ভোট দেয় তাদের এত দামী গাড়ী টাড়ী নাই।

তারা ঐ সাধারন লকেল বাস লকেল ট্রেনে চলাচল করে। কেন আমরা সরকারে গাটের টাকা ব্যায় কইরা বিন্পি মার্কা শিল্পপতিদের গাড়ী রক্ষা করব। ৬৯০কোটি টাকা তো এক রাইতে সড়ক ও জনপথ খাইতে পারে এইটা একটা বিখ্যাত ম্যাজিক। টাকা যত ব্যায় করি টাকা আরো লাগে তাছাড়া পদ্মা ব্রিজ নিয়া বিগত কয়েক বছর আমাদের অনেক কাজ করতে হয়েছে। আপনার নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন করা আমি আবুল হোসেনের মহান দায়িত্ব।

চালাকমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী গোপন দুর্বলতায় হাত । জানেন যেভাবে ঘাতক রা ১৫ আগষ্ট আপনার পরিবারকে নির্মম ভাবে হত্যা করে ছিল ঠিক সেই ভাবে বিন্পি জামাত সওজ কে ক্ষত বিক্ষত করছে। আমি চাই আপনার নীতি মত দুর্নিতি মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে। তাই আমি প্রতিটি রাস্তা দেখে দেখে ধীরে ধীরে মেরামত করছি যাতে আগামী বিশ / ত্রিশ বছর রাস্তা গুলান না ভাঙ্গে। প্রধানমন্ত্রী যখন প্রশ্ন করলেন সংসদে কি বলবা ? আমি আবুল হোসের বিশ্ব বেহায়া হইতে বড় বেহায়া , আমার কাজ আপনেরে রক্ষা করা আমারে গালী গালাজ কইরলে কি হইব।

সব সাংসদ রা তার প্রিয় আস্থাভাজনদের বাড়ীর গেট পর্যন্ত পাকা করতে গেলে তো মহাসড়কে একটু কষ্ট কইরা যাইতে হইবে। কোন সাংসদ তো মহাসড়ক পাকা করার কথা এযাবদ বলেন নাই । সবাই ভোটের স্বার্থে গ্রাম্য নেতাদের বাড়ীর রাস্তা পাকা করতে ব্যাস্ত। যখন ময়মনসিংহ রোড ভাইঙ্গা গেল তখর হক্কলতে এক লগে ফাল পারে। আমি আবুল হোসেন ফাউল হইলেও ভুল করি নাই।

রাস্তা মেরামত হইবো আমার ইচ্চে মত ইলিকশনের আগে । যাতে পাবলিক ভুইলা না যায় কার সময়ে রাস্তা সংস্কার হইছিল। আমার কাম আগামীতে এই মহাসড়ক দিয়া মহাজোটরে ক্ষমতায় নেয়া। আপনি মাননীয় প্রধারমন্ত্রী নির্ভয় থাকুন। সময়মত দুর্নিতি মুক্ত ডিজিটাল মহসড়ক হবে।

প্রধানমন্ত্রীর আরেকটি দুর্বলতায় হাত দিয়ে পার পেয়েগেলেন যোগাযোগ মন্ত্রী। তয় আমরা জাতী যে কত দুর্ভাগা তার উদাহরন যদি দেই এই রকম সব প্রধানমন্ত্রীদের কানে জনগণের আওয়াজ যায় না । আর যখন যায় তখন সময় থাকে না। পদ্মা্ব্রিজ একটি ভুল সিদ্ধান্ত কে বা কারা প্রধানমন্ত্রী কে বুঝাতে পেরেছে যে পদ্মা ব্রিজ হলে ঐ অঞ্চলের মানুষ সব নৌকায় ভোট দেবে। ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।