অদ্ভুত পৃথিবী এই গ্যাস ব্লক নিয়ে বির্তকের মুলে রয়েছে বাংলাদেশের দুটি নদী একটি বাংলাদেশ ও ভারত সিমান্তে হাড়িয়া ভাঙ্গা নদী আর একটি হল বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমান্তে নাফ নদী ।
আর্ন্তজাতিক সিমানা আইন অনুযায়ী দুই দেশের সীমান্তে নদী থাকলে ঐ নদীর মধ্যবর্তী অংশ হবে ঐ দুই দেশের সীমানা এবং ঐ নদীর গতিপথের দিক হবে পরবরতীতে জন্ম নেওয়া ভুমির সীমানা ।
এই আইন অনুযায়ী গ্যাস ব্লক ১০ ও ১১ নিয়ে ভারত ,মিয়ানমার ও বাংলাদেশের বিতর্ক শুরু ।
উপরের ম্যাপটিতে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন হলুদ লাইন দিয়ে নাফ ও হাড়িয়া ভাঙ্গা নদীর গতিপথের দিক দেখানো হচ্ছে । এই লাইন ১০ ও ১১ নাম্বার ব্লকটিতে v আকৃতি ধারন করেছে যা কাল
অংশ দ্বারা চিহ্নিত করা হয়েছে ।
বাকি সবুজ অংশ দ্বারা ভারত ও মিয়ানমারের অংশ দেখানো হচ্ছে । উপরের আইন অনুযায়ী ভারত ও মিয়ানমারের দাবী সঠিক।
একটু লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন সবুজ
লাইন দ্বারা দুটি লাইন দেখানো হচ্ছে এই লাইন অনুযায়ী ১০ ও ১১ ব্লক সর্ম্পূন বাংলাদেশের । এই সবুজ লাইন দুটি নাফ ও হাড়িয়া ভাঙ্গা নদীর আসল গতিপথ নির্দেশ করে । এই হাডিয়া ভাঙ্গা নদীর দিকের
কারণে ভারত দক্ষিন তালপট্টী নিজেদের বলে দাবী করে ।
কিন্তু এই সমস্যার মুল হোতা কে? এই মূল হোতা হচ্ছে বাংলাদেশের কিছু মাথা মোটা সরকারি আমলা ও সামরিক কর্মকর্তা । প্রেসিডণ্ট জিয়া ও প্রেসিডেণ্ট এরশাদের সময় বাংলাদেশ তার এই
দুই নদীর গতি পথ ঐ হলুদ লাইন বরাবর দেখায় আর এই ভুলের কারনে আমরা হারাতে বসেছি ১০ ও ১১ নাম্বার ব্লকের অংশ । ঐ সময় বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর এই কাজে বাধা প্রাদান
করেছিল কিন্তু সামরিক ক্ষমতা সেটিকে দমিয়ে রেখেছিল ।
এখন সরকার এটি নিয়া জাতিসংঘে গিয়েছে তাতে বাংলাদেশের কোন লাভ হবে না । কারন যে ভুল তা আগেই করেছে আর এই ভুলে শুধরাবার আর কোন পথ নাই ।
এই ভুলের মাশুল দিতে হবে
এই বাংলার জনগন কে । আমরা ভারত ও মিয়ানমার কে একতরফা ভাবে দোষ দেই ,আমাদের ভুলের কারনে তারা এই সু্যোগ গ্রহন করেছে ,এই কারনে মিয়ানমার সেণ্টমার্টিন কে নিজেদের বলে দাবী করে ।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।