আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

"পড়ালেখা করলেই কি শিক্ষিত হওয়া যায়?"

"সার্থক" নামটি কোন বানানো নিক নয়। ইহা বাবা-মায়ের দেয়া এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত। খবরঃ অবশেষে গ্রেপ্তার হলেন নির্যাতনকারী হাসান সাইদ। পোস্টের শিরোনামটি হতভাগা শিক্ষিকা রুমানা মঞ্জুরের এক আত্মীয়,আমার এক বন্ধুর ফেসবুক নোট থেকে নেয়া। নোটটি তুলে দিলাম এখানে।

পড়ে দেখুন প্লিজ। :::পড়ালেখা করলেই কি শিক্ষিত হওয়া যাই????::: কেবল গতকাল আমার বাল্যকালের বন্ধু এর বিয়ে খেয়ে ঢাকাই ফিরলাম। বিয়েতে আমার বন্ধুর খুশি দেখে খুবই ভাল লাগল। ঠিক ১১ বছর আগে, এমনই এক বিয়েতে গিয়েছিলাম আমি। তখন সবে মাত্র ঢাকাই এসেছি।

প্রথম সেনাকঞ্জ তে বিয়ের দাওয়াত পেলাম। আমার বাবার ফুফাতো বোন এর বিয়ে। ঠিক ডানাকাটা পরীর মত দেখতে আমার ফুফু। জামাই বুয়েট এর EEE থেকে পাস করেছেন মাত্র। আর আমার ফুফু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এ শিক্ষিকা হিসেবে ঢুকবেন কিছু দিন পর।

তার নাম রুমানা মঞ্জুর হেমা। যারা আজকের খবরের কাগজ পড়েছেন, তারা নিশ্চয় বু্ঝে গেছেন, ফুফুর জামাই এর নাম "হাসান সাঈদ"। "সকালের খবর" এ প্রকাশিত আমার দাদার একটা কথা সারাদিন আমার কানে বাঝছে -"পড়ালেখা করলেই কি স্বাধীনতা মেলে??" হেমা ফুফুর বাবা বুয়েট এর civil থেকে পাস করেছেন। বুয়েট এ উনাদের ব্যচ এর এক পুনর্মিলনীতে দাদার এর বন্ধুর ছেলে হাসান সাঈদ (যাকে সুমন ফুফা বলতাম) এর সাথে হেমা ফুফুর পরিচয়। পুরানো বন্ধুত্ত্বাকে আত্মীয়তাই রুপান্তরিত করায় কারও আপত্তি না থাকায়, বিয়েও তাদের হয় অনেক ধুমধামে।

এর পর গত ১১ বছর এ কত গিয়েছি দাদার বাসায়। সুমন ফুফা কেন শ্বশুর বাড়ি তে থাকতেন, তার যুক্তিতে বলা হত ফুফু ও ফুফা ২ জন এ ব্যস্ত, তাদের মেয়েকে নানি দেখাশুনা করবে। উনাদের বাসায় গেলে আমার সবচেয়ে বেশী কথা হত সুমন ফুফার সাথেই। আমরা বুয়েট এর সব স্যার দের নিয়ে আলোচনা করতাম। দাদা civil engineer হিসেবে যখন আমাদের electrical engineer দের পচাতেন, তখন সুমন ফুফাই defend করতেন।

আগেই শুনতাম, সুমন ফুফা conservative. হেমা ফুফু কে versity ছাড়া বাইরে যেতে দিত না। কিন্তু হেমা ফুফুর ছিল অনেক স্বপ্ন। বিদেশ এ পড়তে যাবেন। অনেক চেষ্টায় গেলেনও। এই october এ ফুফা ও মেয়ে সহ আবার কানাডা যাওয়ার কথা।

কিন্তু আমার এখনও বিশ্বাস হচ্ছে না, সুমন ফুফা এই কাজ করতে পারেন??? মানুষ এর মনে কি আছে তা কেউ জানে না। কিন্তু আমার দাদার এত দিনের পরিচয়, ১১ বছর এর সংসার- এর পর ও এই দিন আসতে পারে??? কাউকে কি আসলেই বিশ্বাস করা যায় না এখন??? এখন দিন রাত দাদা দের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে কেইস তুলে নিতে না হলে মেয়েকে তুলে নিয়ে যাবে, নিজের মেয়েকে!!!! এখন আসলেইয় কাউকে চেনা যায় না। সূত্রঃ ফেসবুক নোট ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.