থেমে যাবো বলে তো পথ চলা শুরু করিনি।
আমাদের দেশের দুইজন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী আছেন। আমাদের দেশের দুইজন প্রাক্তন বিরোধীদলীয় প্রধানও আছেন।
তারা একই সাথে প্রধানমন্ত্রী এবং বিরোধীদলের নেতা হতে পারেন না। এই সমস্যা না থাকলে আমাদের দেশের আসলেই কোন সমস্যা থাকতো না।
আমাদের প্রধানমন্ত্রীরা সংসদে বসে বিরোধী দলের নেতাকে বিদ্রুপ করে থাকেন। তিনি সাধারনত বলেন, বিরোধী দলের নেতা কোন কারন ছাড়াই সংসদে আসেন না। তিনি সংসদের বাইরে থাকতেই ভালবাসেন।
অন্যদিকে বিরধী দলের নেতার কথা হচ্ছে, তারা সরকারে থাকতে বিরোধী দলের নেতাদের অনেক আদর-আপ্যায়নে রেখেছিলেন, এখন তারা বিরোধী দলে আসার পরে তাদের অনুসারিত সেই ঐতিহ্য ভঙ্গ হয়েছে। এখন তারা বড়ই বিপদে আছেন।
এর আগে আমাদের এক বিরোধীদলের নেতা হোটেলে বসেই বিকল্প বাজেট দিয়েছিলেন, এই বারেও আরেক বিরোধীদলের নেতা হোটেলে বসে বিকল্প বাজেট দিয়েছেন।
উন্নতিটা হল এইখানে, তারা নিদেন পক্ষে বাজেট নিয়ে ভাবছেন। দেশের জন্য এইটুকু আগানোটা কি অনেক না?
আসুন তাদের অভিনন্দন জানাই।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।