আমাদের চারপাশের ঘটনাগুলো আমাদের জীবনেরই প্রতিছবি। আমাদের চারি পার্শ্বে যা কিছু ঘটে যাচ্ছে তা আমরা কেউ লক্ষ্য করিনা। আমরা আজকাল বড়বেশি ব্যস্ত। সময় কোথায়? সময়ের প্রয়োজই আমারদের এই ব্যস্ততা। এটাই সবাই বলে।
আমাদের সন্তানকে দেবার মত সময় নেই। সন্তানেরও সময় নেই দু চার কথা শোনার। আদর্শ, নীতিবোধ, নৈতিকতা এসব শেখানোর কোন উপায় নেই। আর আদর্শ নীতি বোধ আছেই বা কজনার। নৈতিক অবক্ষয়ে ডুবে গেছি সবাই।
কী শিক্ষা দিব সন্তানকে। সন্তান যদি প্রশ্ন করে? উত্তর দেবে কে? উত্তর জানা নেই কারো, জানা থাকলেও বলবে কোন লজ্জায়? সন্তানকে যদি প্রয়োজনীয় শিক্ষা, আদর্শ সম্পর্কে জানানো না যায় তবে সে ভাল-মন্দের পার্থক্য বুঝতে পারবে কি ভাবে। নারী যে মা, বোন, বন্ধু এটা সে বুঝবে কি করে। নারীর সাথে অন্যায় আচরণ করা যে কতটা অন্যায়। তার জন্য কতটা মানুসিকভাবে পীড়াদায়ক তা সে উপলব্ধি করবে কিভাবে? আমাদের সন্তানদের জন্য যে শিক্ষালয়গুলো আছে, সে খানে সে দিনের সর্বোচ্চ সময় ব্যয় করে।
সেখানে কী শেখানো হয়। বিদ্যালয় মানেই কি গুটি কয়েক বই পড়া? সামাজিক শিক্ষা বলে কি কিছুই নেই? নাকি সিলেবাসে নেই বলে তা নিষিদ্ধ?
সমাজের এখনকার এই অবস্থা থেকে পরিত্রান পাবার জন্য পরিবার ও শিক্ষালয়কে প্রধান ভুমিকা পালন করতে হবে। এরপরে বখে যাওয়াদের জন্য আইনের সঠিক প্রয়োগ হতে হবে। দৃষ্টান্ত মুলক শান্তিরও ব্যবস্থা করতে তবে। সেই সাথে ভাল কাজের প্রশংসা ও পুরস্কারের ব্যবস্থা করতে হবে।
তবেই সমাজে আবার শান্তি ও সামাজিক মূল্য বোধ প্রতিষ্ঠা পাবে।
আসুন আমরা প্রতিঞ্জাবদ্ধ হই আমার সন্তনকে সেই মুল্যবোধের শিক্ষা দিব তার দ্বারা কোন কন্যা ইভটিজিংএর শিকার হবেনা, কোন মানুষ নির্যাতিত হবেনা।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।