আমি আগা গোড়ায় মোড়ানো পুরোপুরি একজন মুক্তমনা মানুষ।
‘সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ: ধূমপান স্বাস্থের জন্য ক্ষতিকর’ – এ কথাটি বাংলাদেশের সিগারেটের প্যাকেটের গায়ে মুদ্রণ বাধ্যতামূলক হয়েছে কিছু বছর হলো। আমেরিকাতে অনুরূপ বার্তা ছাপানো বাধ্যতামূলক হয়েছিলো প্রায় ৪৫ বছর আগে। আর এখন অন্য আরেকটি পণ্যে সতর্কীকরণ বাধ্যতামূলক করার আভাস পাওয়া যাচ্ছে আমেরিকার Maine ও California রাজ্য দুটিতে। পণ্যটি আমাদের নিত্য ব্যবহার্য ‘মোবাইল ফোন’।
হয়তো বার্তাটি হবে এরকম –
‘মোবাইল ফোন ব্যবহার আপনার মস্তিস্কের জন্য ক্ষতিকর’।
এই বিতর্কটি নুতন নয়, তবু নুতন করে আলোচনায় উঠে এসেছে সুইডেন থেকে পাওয়া আরেকটি সাম্প্রতিক গবেষণার ফলাফলের ভিত্তিতে। বলা হচ্ছে, এ গবেষণায় নিম্নোক্ত আশংকা ব্যাক্ত করা হয়েছে–
১. দশ বছরের বেশি সময় ধরে যারা মোবাইল ফোন ব্যবহার করছেন তাদের ব্রেন টিউমার হবার হার যারা ব্যবহার করেন না তাদের চেয়ে অনেক বেশি।
২. বিশ বছরের কম বয়সে যারা মোবাইল ফোন ব্যবহার শুরু করেছেন তাদের ঝুঁকি বেশি বয়সে যারা শুরু করেছেন তাদের চেয়ে পাঁচগুণ বেশি।
কোন কোন মোবাইল হ্যান্ডসেট প্রস্তুতকারক তাদের ম্যানুয়ালে উল্লেখ করতে শুরু করেছে যে মোবাইল ফোন ‘অন’ করার সময় এবং নেটওয়র্কের সাথে যুক্ত হবার সময় অবশ্যই তা মাথা থেকে কমপক্ষে ১ ইঞ্চির মতো দূরে থাকতে হবে।
এর অর্থ যেখানে দূর্বল সিগনালের কারণে কথা বলা অবস্থায় বারবার লাইন কেটে যাচ্ছে সেখানে আপনার কানে ধরা অবস্থায়ই সেটটি নেটওয়র্ক থেকে বিচ্ছিন্ন হচ্ছে এবং পূণরায় যুক্ত হচ্ছে, ফলে আপনি এরকম পরিস্থিতিতে অনেক বেশি স্বাস্থ্যঝুঁকি নিচ্ছেন।
উপরের কথাগুলো দু’সপ্তাহ আগে Living On Earth রেডিওতে একটি সাক্ষাৎকার থেকে যা শুনেছি তার অত্যন্ত ক্ষুদ্র সারসংক্ষেপ। আপনাদের জন্য ৬ মিনিটের সাক্ষাৎকারটি নিচে দিলাম।
অডিওটি মাত্র দেড় মেগাবাইটের, কাজেই বাংলাদেশ থেকেও শুনতে খুব কষ্ট হবার কথা নয়।
Click This Link
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।