ধুলো পড়ে থাকে ফেলে আসা পথে
আমি চিনতে পারিনা ফেলে আসা পথ
আর ভুলে যাওয়া শপথ
আমি খুঁজি পথের ঠিকানা পায়ে লেগে থাকা ধুলোর মাঝে
আমি পারিনা চিনতে
শুধু মরিচিকার মতো ভেসে ওঠে একটি অধর
আমি মগ্ন হ্ই দুঃসহ স্মৃতিচারণে
মনে করতে পারিনা
মনে পড়েনা
আন্দোলিত হয় আমার মস্তিষ্কের নিউরণ
আমি পরাজিত হই স্মৃতির কাছে
কিন্তু আমি আবার অবচেতনে মনে করি
আবার খানিকটা মনে পড়ে ভুলে যাওয়া স্মৃতির কথা
আমি অবিচল-স্থবির পিড়ামিডের ক্ষয়িষ্নু চুড়ার মতো
চারপাশ খুঁজে ফিরি ফেলে আসা আতীত
বর্তমানগুলো যেখানে প্রতি মুহুর্তে বিলিন হয় অতীতে
আমি আবার হাড়িয়ে ফেলি
নিজের স্মৃতির মাঝে ফেলে আসা পথ
শুধু মনে পড়তে থাকে সেই ভুলে যাওয়া নিষ্প্রভ অধর... (- মস্তকবি)
প্রেম-প্রীতি ভালবাসাহীন কোন মানুষ নেই। কারো জীবনে ভালবাসা আসে নাই বা করেন নাই এমন মানুষ খুব কমই আছে! পার্থক্য শুধু রকমভেদে, স্থান, কাল, পাত্রভেদে। কারও প্রেম প্রকৃতির অপার মহিমার সাথে, কারও প্রেম বিকেলের বিস্তীর্ণ খেলার মাঠে, কারও প্রেম চাদঁনী পসার জোৎস্না রাতের মৃদু আলোয়, কারও প্রেম কবিতার অঞ্জলীমাখা পরিশীলিত আবেগিকতায়, আবার কারো প্রেম হারানোর বেদনায় মলিন।
ভালবাসা, সে যার প্রতিই হোক, সেটা কি দেখানোর জিনিস ?
ভালবাসা কি কেবল একদিনের দেখানোর জন্য ? দিনক্ষন নির্দিষ্ট করে কি ভালবাসা হয় ?
ভালবাসা অনুভবের, অনুভূতির,উপলব্ধির ত্যাগের, দায়িত্বের, এবং কর্তব্যের।
দিন নির্দিষ্ট করে সকলের সামনে দেখানোর কোন মানে আছে বলে আমি মনে করি না।
এইসব বিজাতীয় কালচার মানা বা গ্রহণ করার কোন অর্থ নাই।
আগে ভালবাসা ছিল ত্যাগের মহিমায় উজ্জ্বল। বর্তমান ভালবাসা স্বার্থের চোরবালিতে আবদ্ধ। বর্তমানে সবকিছুই এখন বাণিজ্যিক। ভালবাসাও এর বাইরে নয়।
ভালবাসা দিবস নামক ইতিহাসটির বয়স সতের শত সাঁইত্রিশ বছর হলেও ‘বিশ্ব ভালবাসা দিবস’ নামে এর চর্চা শুরু হয় সাম্প্রতিক কালে। দুই শত সত্তর সালের চৌদ্দই ফেব্রুয়ারির কথা। তখন রোমের সম্রাট ছিলেন ক্লডিয়াস। সে সময় ভ্যালেন্টাইন নামে একজন সাধু, তরুণ প্রেমিকদেরকে গোপন পরিণয়-মন্ত্রে দীক্ষা দিত। এ অপরাধে সম্রাট ক্লডিয়াস সাধু ভ্যালেন্টাইনের শিরচ্ছেদ করেন।
তার এ ভ্যালেন্টাইন নাম থেকেই এ দিনটির নাম করণ করা হয় ‘ভ্যালেন্টাইন ডে’ যা আজকের ‘বিশ্ব ভালবাসা দিবস’। মানুষ যখন বিশ্ব ভালবাসা দিবস সম্পর্কে জানত না, তখন পৃথিবীতে ভালবাসার কিন্তু অভাব ছিলনা। আজ পৃথিবীতে ভালবাসার বড় অভাব। তাই দিবস পালন করে ভালবাসার কথা স্মরণ করিয়ে দিতে হয়!
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।