আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

বিশ্বকাপ ক্রিকেটের টিকিট বিক্রির বুথ বাড়ানোর নির্দেশ ha ha ha ........................

প্রাণখোলা হাসির শব্দ শুনতে ভালোবাসি তবে সে হাসি হতে হবে স্বর্তস্ফূর্ত এবং মুখ খুলে। মুখ টিপে হাসার চেয়ে অট্টহাসিই আমাদের সত্যিকার প্রভাবিত করে এবং হাসির সংক্রমণ ঘটায়।

শুনলাম বিশ্বকাপের টিকেট বিক্রি শেষ আবার মন্ত্রী দের বৈঠকে এটা কি আমাকে কেহ বলবেন কি............................... ইত্তেফাক রিপোর্ট মন্ত্রীরা বিশ্বকাপ ক্রিকেট খেলার টিকেট পাচ্ছেন না বলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে অভিযোগ করলেন। বিশেষ ব্যবস্থায় তাদের জন্য টিকেট বরাদ্দের আবেদন জানান। তবে প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত দেননি।

ক্রিকেট খেলা যাতে বেশি লোক দেখতে পারে সে জন্য রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে বড় পর্দায় খেলা দেখানো এবং ব্যাংকের বুথ আরো বাড়ানোর নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। গতকাল সোমবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে মন্ত্রীরা টিকেট পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন। আলোচনার এক পর্যায়ে সংস্কৃতি বিষয়ক সচিব টিকিটের কথা বলেন। পরে প্রায় সকল মন্ত্রী টিকেটের কথা বলেন। এ নিয়ে মন্ত্রিসভায় কিছুক্ষণ হাস্যরসাত্মক আলোচনা হয় বলে সূত্র জানায়।

গতকালের বৈঠকে নবম জাতীয় সংসদের নতুন বছরের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে ভাষণ অনুমোদন দেয়া হয়নি। রাষ্ট্রপতির ভাষণ পর্যালোচনা করতে প্রধানমন্ত্রীর সংস্থাপন বিষয়ক উপদেষ্টা এইচ টি ইমামের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন: প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা ড.মশিউর রহমান, মুখ্যসচিব এম এ করিম, অর্থ সচিব ড. মোহাম্মদ তারেক ও শিক্ষা সচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী। এই কমিটি মন্ত্রিসভার পরবর্তী বৈঠকে ভাষণ উত্থাপন করবেন।

রাষ্ট্রপতির ভাষণের একটি সংক্ষিপ্ত রূপ থাকবে। আরেকটি থাকবে বিস্তারিত। সংক্ষিপ্ত ভাষণটি রাষ্ট্রপতি সংসদে পাঠ করবেন। সংবিধানের ৭৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রতিবছর সংসদের প্রথম অধিবেশনে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের ওপর ভাষণ দেন। বৈঠকের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান এবং সংশিস্ন্লষ্ট মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের শেষ তথ্য সংযোজনের নির্দেশ দেন।

এ নিয়ে তথ্য অধিদফতরে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ বলেন, বৈঠকে উত্থাপিত ভাষণে গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের তথ্য থাকায় তা অসম্পূর্ণ। এ কারণে ডিসেম্বর পর্যন্ত মহাজোট সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকারের নেয়া পদক্ষেপ এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার বাস্তবায়নে নেয়া পদক্ষেপ সংযুক্ত করে তা মন্ত্রিসভার পরবতর্ী বৈঠকে উত্থাপনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.