নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় সরকারী মুজিব কলেজ ছাত্রীর আপত্তিকর ভিডিও ফুটেজ বিভিন্ন মোবাইল ও অনলাইনে ছাড়াকে কেন্দ্রকরে সোমবার দুপুরে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের মধ্যে ঘন্টা ব্যাপী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে কমপক্ষে ৫জন আহত হয়েছে। আহতরা হলেন, সজল, জাবেদ, নোমান, তারিন, আবদুল্লাহ।
জানাযায়, সরকারী মুজিব কলেজের ছাত্রলীগ সমর্থিত ছাত্র রকি, সজল, রাকিব, ফয়সালসহ আরও কয়েকজন ছাত্র কলেজ ক্যাম্পাসে ২য় বর্ষের অধ্যায়নরত এক ছাত্রীর ৫২ সেন্ডের আপত্তিকর ভিডিও ফুটেজ ২৬ অক্টোবর বিভিন্ন মোবাইল ও অনলাইনে ছেড়ে দেয়। ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ হওয়ায় এলাকায় সর্বত্র তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়।
এঘটনার তদন্তে কলেজ কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির সদস্যরা হলেন, কলেজের ইংরেজীর প্রভাষক আল বেরুণী, রসায়নবিদ্যার প্রভাষক আবদুল কাদের, বাংলার প্রভাষক অশ্রুমনি সাহা। তদন্ত কমিটি তদন্ত করে তাদের তদন্ত প্রতিবেদন এখনও দাখিল করেননি বলে সূত্রে জানাযায়।
ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার সকালে সরকারী মুজিব কলেজে ছাত্রলীগ নেতা নোমান গ্রুপ সজলকে ভিডিও ফুটেজের জন্য দায়ী করে কলেজ ক্যাম্পাসে মারধর করে। পরে ছাত্রলীগ নেতা সজল গ্রুপ সংগঠিত হয়ে নোমান গ্রুপের সাথে সংর্ঘর্ষ বেধে যায়।
কলেজ ক্যাম্পাসে ঘন্টাব্যাপী তুমুল সংর্ঘর্ষ হয়। কলেজের ছাত্রশিক্ষকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। শিক্ষককেরা নিরাপদ স্থানে চলে গিয়ে আ’লীগ নেতাদেরকে খবর দেয়। ছাত্র-ছাত্রীরা দিকবেদিক ছুটাছুটি করে কলেজ ক্যাম্পাস থেকে চলে যায়। আ’লীগের প্রভাবশালী নেতা জেলা আ’লীগের সদস্য ও সাবেক পৌর চেয়ারম্যান আবদুল কাদের মির্জা পুলিশ নিয়ে কলেজ ক্যাম্পাসে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন।
এ সময় আবদুল কাদের মির্জা ছাত্রলীগ নেতা জাবেদ ও তারিনকে নিজ হাতে আটক করে পুলিশকে দেয়। উপজেলা আ’লীগের সভাপতি খিজির হায়াত খান তারিনের অভিভাবকসহ থানায় গিয়ে মুসলেকা দিয়ে জিম্মায় চাড়িয়ে নেয়। জাবেদকে থানায় আটক করে রাখা হয়।
সাবেক পৌর চেয়ারম্যান আবদুল কাদের মির্জা জানান, মুজিব কলেজে ইভটিজিংকে কেন্দ্র করে ছাত্রদের দু’গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য তিনি দু’জনকে আটক করে পুলিশে সোর্পদ করেছে।
ইভটিজিংয়ের ব্যাপারে শক্ত প্রদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।