সাংসদদের বেতন-ভাতা করমুক্ত।
এই খবরটি সকলের জানা আছে। প্রথম আলোর একটি রিপোর্ট এর প্রেক্ষিতে আজকে আমি যেই কথাগুলো বলতে চাই সেটা হলঃ-
একটি গনতান্ত্রিক দেশ যেখানে জাত-পাত,ধর্ম-গোত্র-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের সম অধিকারের কথা বলে হয় সেখানে এই ধরনের দ্বিমুখী নীতি সাধারন জনগনের সাথে একরকম শোষণ নীতি হিসেবে বিবেচ্য হবে।
কথা হচ্ছে একটি গনতান্ত্রিক দেশে জনগনই হল সকল ক্ষমতার উৎস,অন্যভাবে বললে জনগনই সরকারের মালিক। প্রতি পাচঁ বছর অন্তর অন্তর জনগনই দেশে এক একটি নতুন সরকার গঠন করে এবং সরকারের সমস্ত খরচের একটা বিড়াট অংশ জনগন প্রদান করে।
সেই হিসেবে প্রত্যেকটি সরকারী চাকুরিজীবির মালিক জনগন,আমাদের সাংসদরাও এর বাইরে নয়। তাহলে তারা(সাংসদরা) ব্যতীত আর বাকী সকলে কর কেন দিবে???
এইধরনের দ্বিমুখী নীতি একটি গনতান্ত্রিক দেশে কতটুক গ্রহনযোগ্য???
আর আমাদের দেশের সাংসদ দের কর দেশের কোন উপকারে আসবে না যে তারা দিবে না???
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এ প্রসঙ্গে প্রথম আলোকে বলেন, একজন সাংসদ সরকারি কর্মচারীর মতো বেতন পান না। তাঁরা পান সম্মানী। সম্মানীর ওপর করের প্রয়োজন নেই।
আমি আরও বলতে চাই,
বেতন এবং সম্মানী'র মধ্যে পার্থক্য কি বা এর সংজ্ঞা কি???
কোনো বিশেষ কাজের জন্য যে কেউ সম্মানী পেতে পারেন,কিন্তু মাসে মাসে কিংবা প্রতি মাসে সম্মানী ব্যাপারটা আসলে কেমন জানি মনে হচ্ছে???
সাংসদ দের প্রধান কাজ হচ্ছে জনগনের অর্পিত দায়িত্ব পালন করা এর বাহিরে তো আর কিছু নয়।
আর জনগনের অর্পিত দায়িত্ব তো আর বিশেষ কিছু নয় এটাতো তাদের নৈতিক এবং সাংবিধানিক দায়িত্ব যেটা পালন করার জন্য তারা নির্বাচনের মাধ্যমে গনতান্ত্রিক সরকার গঠন করে।
সবশেষে বলতে চাই,আমাদের বিজ্ঞ সরকার এই ব্যাপারটি খুব শীঘ্রই সমাধান দিবেন এই দ্বিমুখি নীতি পরিহারের মাধ্যমে। সবাইকে ধন্যবাদ।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।