আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

কিছু অপাংক্তেয় কথা ....জানি এই ক্যাচালের হয়ত শেষ নাই, হয়ত আছে। কিন্তু নিজেরেই জিগাই আর কতো।

ফুলটাইম ক্রুয়েল জোকার, পার্ট টাইম সিরিয়াস

.... আমরা আসলে জাতি হিসেবে কেমন? আসলে কেমন সংস্কৃতিতে বেড়ে উঠেছি দিনের পর দিন, মাসের পর মাস, বছরের পর বছর?? স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে আজ বহুত দিন। কিন্তু আমাদের অগ্রগতির নমুনা কিসের সাথে তুলনীয়? একটা মানুষ সাইকেলে চড়ে সে যদি পিছনের দিকে ঘাড় ঘুড়িয়ে সাইকেল চালাতে থাকে, আবার কিছুক্ষণ পর পর সামনে তাকায়, তাহলে হয় তাকে এক্সিডেন্ট করতে হবে, নয়ত ব্রেক চেপে সাইকেল চালাতে হবে। আমাদের উন্নতি হচ্ছে ব্রেক চেপে সাইকেল চালানোর মতো। আর মাঝে মধ্যেই খানা-খন্দে পড়ে নিজের দ্বিচক্রযানের এবং পিতৃদত্ত জানের ক্ষতি । এখন্ও আমাদের ভারতীয় দালাল কিমবা পাকিস্তানি রাজাকার ছাগু খুজে বের করে .. তাদের পিছনে সময় ব্যয় করতে হয়।

প্রশ্ন জাগে নিজের কাছেই। ভারত ও একটা স্বাধীন দেশ। পাকিস্তান ও স্বাধীন দেশ। তারা বাংলাদেশ কে নিয়ে কি এতো লাফালাফি করে??? যতটা আমরা করি ভারত-পাকিস্তান নিয়ে?? তারা কি আমাদের খুব গুরুত্ব দেয় । নাকি তাদের গুরুত্ব দেয়া বা না দেয়া তে আমাদের খুব বেশি কিছু যায় আসে???? আমরাই চিল্লাপাল্লা করে তাদের গুরুত্ব বাড়িয়ে দেই।

হ্যা তাদের এজেন্ট কিছু থাকতেই পারে এদেশে । আমরা তাদের এভাবে তাড়াতে পারব না । সম্পূর্ণ মুক্ত করতে পারব না । কারণ , আমেরিকার মতো পরাশক্তির দেশেও রাশিয়ার গুপ্তচর ঘুরঘুর করে। করে তাদের বন্ধুপ্রতিম ইসরাইলি গুপ্তচর ও ।

উপরে উপরে বন্ধু , নজরদারিতে কেউ কাউরে ছাড় দেয় না । তাহলে ?? তাদের তাড়ানোর কৌশল টা কি???? আমি বিশেষজ্ঞ না । নিতান্তই সাধারণ বাঙালি । এতো জটিলতা মাথায় ধরে না । সাদা চোখে যা মনে হয় , তাই বলব।

ভারত পাকিস্তান আমাদের চেয়ে শক্তিশালি দুটি রাস্ট্র। কিন্তু তাতে কি?? মায়ানমার ও ক্ষেত্র বিশেষে আমাদের চেয়ে শক্তিশালি। তাতে কি আমাদের সবসময় তাকে মাথায় নিয়ে নাচতে হয়?? প্রতিটা ইন্ডিভিজু্য়াল রাস্ট্রই তো কম বেশি শক্তিশালি। তাই বলে কি তৃতীয় কোনো রাস্ট্র , অপর দুটার স্বাধীন রাস্ট্রকে নিয়ে নিজেদের মধ্যে ক্যাচাল করে?? যেমন আমরা করি ভারত পাকিস্তান নিয়া। আমারে আর একটা এইরকম উদাহরণ দেখান।

দুনিয়ায় আমরা আসলেই ওয়ান পিস। আমি অলস। আমি খারাপ । কিন্তু আমি বাঙালি । আমার মধ্যে অলসতা আছে।

ভালোবাসায় আছে। কর্মঠ আমিও । আমি অলস -এটা আমার স্বীকারোক্তি, আমি কর্মঠ-এটা আমি জানি। বিশ্বাস করেন, কোনো কালেই আমি অলস থাকতে চায়নি। কোনো বাঙালিই অলস থাকতে চায় না।

তাদের ইচ্ছা করেই অত্যন্ত ধীরে ধীরে স্লো পয়জনিং এ অলস করা হয়েছে বিভিন্ন সময়ে । অকর্মঠ ভাবতে বাধ্য করা হয়েছে তাদের। ব্যতিক্রম তো অবশ্যই আছে। এখন বলি যারা ক্ষমতাধর তারা কেন ক্ষমতাধর। মানে আমার যেমন টা মনে হয়।

প্রত্যেকটি অপেক্ষাকৃত শক্তিশালি রাস্ট্রই অন্য রাস্ট্রের ভিতরে তাদের সিক্রেট এজেন্ট দের ঢুকিয়ে দেয়। অনেকভাবেই। অনেকসময় সেই কম ক্ষমতাধর রাস্ট্রের অনেক উচ্চস্তরের সরকারি বেসরকারি পর্যায়ের ক্ষমতাশালি লোকজন ও জড়িত থাকে এরসাথে। অবাক হবার কিছুই নেই। ইতিহাসে নিজের দেশ-মাতৃকার সাথে বেঈমানির উদাহরণ একেবারে কম না ।

ইতিহাস তো নিজেকে পুনরাবৃত্তি করেই । এই এজেন্টরা তাদের ছোট ছোট গ্রুপ তৈরি করে নেয় নিজেদের মাঝে। এবং এদের কাজ থাকে, শুধু অভ্যন্তরীণ গোলযোগ তৈরি করা, তথ্য পাচার। এবং অতি অবশ্যই স্লো পয়জনিং তাদের আর একটা ক্ষুরধার অস্ত্র। একটা জাতিকে মেন্টালি ছোট করে দিলে , বাকি ধ্বংস এমনিতেই শুরু হয়।

যদিনা তারা সেটার সমুচিত জবাব দেয় - কথায় নয়, কাজে। হ্যা এদেশে ভারত, পাকিস্তানি গুপ্তচর আছে। বাঙালির বেশেই আছে। কিন্তু এমন গুপ্তচর, দালাল তো স্বয়ং ভারত-পাকিস্তানেও আছে। তাতে কি ভারত পাকিস্তানের এগিয়ে জযওয়া তো থেমে নেই্ ।

তারা তো , ঠিকই এগিয়ে যাচ্ছে। বলেন দেখি কোন গুনে তারা এগিয়ে যাচ্ছে?? তারা নিজেদের মধ্যে ভারতের দালাল-পাকিস্তানের গুপ্তচর নিয়ে ফালাফালি কম করে। গুপ্তচর ধরা পড়লে তথ্য আদায় করে। সেইসাথে, পরবর্তী করণীয় সাথে সাথে ই ঠিক করে। আমাদের মতো চিল্লায় কম।

কাজ করে বেশি। কি ধরণের কাজ?? বিজ্ঞান আর প্রযুক্তির মিশেল । তাদের মেধা তাদের অস্ত্র । আমরা যেটার অপচয় করছি সমানে। শত্রুর মোকাবেলা করতে হলে শত্রুকে ঘৃণা করলে চলে না ।

তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষনে রাখতে হয়। সেটা সব ক্ষেত্রেই। পাকিস্তানের দালালদের ভারতে, আর ভারতের দালালদের পাকিস্তান সরকার কি ওয়াচ এ রাখেনা??? এদের দমন করেও তারা এগুচ্ছে। এখন বলি কীভাবে তারা এগোয়। সিম্পল উত্তর হল শিক্ষা , তাদের মেধার সঠিক ব্যবহার।

বিজ্ঞান আর প্রযুক্তি। আমাদের কি মেধা নাই??? এমন কথা বললে তার খবর আছে কইলাম। মেধা আমাদের ও আছে। কিন্তু হোল সিস্টেম কম বেশি করাপ্টেড। অপারেটিং সিস্টেমটাই দূর্বল।

ভাইরাস ধরা। কোনো সফটওয়ার ঠিকমতো কাম করে না। করতে চায় না । বাগ দিয়ে ভর্তি সব রাস্ট্রই জানে তাদের বদনাম কেউ না কেউ করবেই। ওদিকে কান দিয়ে নিজেরা নিজেদের সময় নষ্ট করে না কোনো রাষ্ট্রই ।

যখন ই অভ্যন্তরীণ কোন্দল শুরু হবার আশংকা দেখা যায়, সরকার সেটা কঠোরভাবেই দমন করে। দেশ জাতীকে একসূত্রে রাখলে পারে তারা, এবং এটা অবশ্যই প্রতিটা সফল রাষ্ট্রের ক্রেডিট। একই সঙ্গে তারা এটাও জানে , কখনও কেউ আক্রমণ করলে মুখের কথা, আর জনমত দিয়ে বা জাতিসংঘ দিয়ে তাদের আটকে রাখা যাবে না । কারণ যে যাই বলুক, বাস্তব কথা হল, আইন শুধু তাদের জন্যই যারা আইন মানে । যারা মানেনা তাদের কোনো আইন আটকাতে পারে না।

একশ জন অপরাধ করবে । দশ জন শাস্তি পাবে । তার মধ্যে ৮ জন নিরপরাধ। এটা কোনো আ্ইনের পর্যায়ে পড়ে না। শান্তির পক্ষে কথা বলবেন ।

এমনি এমনি কেউ আর এখন সেটা শুনবে না । আপনার ভান্ডারে অস্ত্র থাকুক। তারপর শান্তির কথা বললে কেউ আর ভেটো দিতে পারবে না । এটাই বাস্তবতা। তাই, নিজেদের শিক্ষিত করে তারা।

তাদের ল্যাবরেটরি গুলা শক্তিশালি । তাদের লাইব্রেরি গুলা শক্তিশালি। তাদের ডাটাবেইজ সমৃদ্ধ। সেটা মারণাস্ত্র থেকে শুরু করে জীবণদায়ী গবেষণা সব ক্ষেত্রেই। তারা নিজেদের জণগনের জন্য যেমন হাসপাতাল বানায় , ওষুধ তৈরি করে।

কেয়ার সেন্টার গড়ে, তেমনি নিজেদের বহিঃশত্রুর আক্রমণ থেকে তৈরি করে অস্ত্র। কোনো জাতিরে গিনিপিগ বানানেরা আগে, তাদের সম্পর্কে ভালো মতো পড়াশোনা করে নেয় তারা। তাদের সংস্কৃতি বোঝার চেষ্টা করে। জাতি হিসেবে তাদের মানষিকতা ধরার চেষ্টা করে। তরপর তারা তাদের ভেতরে ঢুকে যায় নানা ভাবে।

কখনো কর্পোরেট কৌশলে, কখনও মাথায় হাত বুলিয়ে, কখনো গালে চড় দিয়ে। আমরা বোধহয় চড় খেয়ে খুব খুশি হই। তাদের কীর্তি ছড়ানোর জন্য আছে শক্তিশালি মিডিয়া। বিভিন্ন দেশে কতটা বাংলা চ্যানেল দেখা হয়, আর কতটা পাকি-ভারত-ইংলিশ চ্যানেল দেখা হয় , আর তাদের প্রচার করার ধরণ দেখলে এমনিতেই আপনারা সেটা বুঝতে পারবেন । একটা কৌতুক মনে পড়ল।

ইরাকে মার্কিন হামলার সময় কিছু সেনাকে মরুভুমিতে বন্দি করা হয় । তারপর বাগদাদে নিয়ে যাওয়া হয় বন্দি অবস্থায়। পরদিন মার্কিন পত্রিকা গুলো খবর ছাপায় "বিপুল বিক্রমে মার্কিন সৈন্যরা এখন ইরাকে"। তাদের প্রচার মাধ্যমগুলো এমনটাই শক্তিশালি । হোক তারা মিথ্যা বলে ।

সেই মিথ্যা থেকেও কিন্তু পুরো জাতি সাহস পায়। এটা তাদের জাতির জন্য তাদের বানানো মিথ্যার পজিটিভিটি। সেনসিটিভ বিষয়গুলোকে এভাবেই হ্যান্ডেল করে তারা। অস্ট্রেলিয়ার কোনো ব্যাটসম্যান কোনো বলে আউট হলে নেক্সট ব্যাটসম্যান নেমেই প্রথম বলেই চেষ্টা করে সেটাকে চার বা ছয় বানাতে । টিম স্পিরিট ডেভেলপ হয় সেখানেই।

সব রাস্ট্রই কম বেশি চাপে থাকে। কেউ ই সর্বেসর্বা না । আমি সেটা মানি না । কিন্তু তাদের প্রচারণা আর আমাদের মনোভাব নিজেদেরই পিছিয়ে দেয়। তাদের গুরু মানতে বাধ্য করে।

ব্রিটিশ যুগের হাত কচলানো "ইওর ফেইথফুল সার্ভেন্ট টাইপ" স্বভাব এখনো যায়নি আমাদের । আফসোস এখনো ভাদা, ভাকুর , ছাগু এইগুলা তাড়ানো নিয়েই আমরা ব্যস্ত আছি। আমার মনে হয় । তারা আমাদের মেধাগুলোকে এভাবেই নষ্ট করছে। আমাদের মনোযোগ টা তাদের দিকে ঘুরিয়ে রাখছে।

আমার মনে হয় তারা এইসব উস্কানি মূলক কমেন্ট দিয়ে আমাদের ব্যস্ত রাখে । যাতে আমাদের মেধা টা অপচয় হয় জাস্ট ফর নাথিং । যুক্তি দেখাই। ব্লগে যারা ছাগু , ভাদা, ভাকুর , দালাল ইত্যাদি নামে পরিচিত, আপনার কি মনে হয় তারা খুব শক্তিশালি?? মোটেই না । বেশিরভাগই বেনামে ব্লগিং করে।

এদের কাজ আর কিচ্ছু না । আপনার অ্যাটেনশন নষ্ট করা। আমরাই তাদের হিট করি। ব্লক করে কি করবেন। আবার নতুন নিকে হাজির হবে।

কিন্তু নিশ্চিত থাকেন, আপনার সামনে দাড়িয়ে বাংলাদেশ কে অপমান করা তো দূরের কথা, একটা কটু বাক্য বলার সাহস ও কোনোদিন হবে না । মিডিয়া তাদের শক্তিশালি করে রেখেছে। এইসব কাগুজে বাঘ (কিমবা বাগ ছাড়া) আর কিছু না ্ । হুদাই আপনার মেজাজ বিলা করা ছাড়া এদের কোনো কাম নাই। এরা ভারতেও ভাত পায় নাই।

পাকিস্তানেও না । বাঙালির উচ্ছিষ্ঠে লালিত বেইমান নিমকহারাম প্রাণী। এদের কে ইগনোর করেন । হিট বাড়ানোর দরকার নাই্ এদরে পোস্টে । কমেন্ট করার দরকার নাই এইসব পোস্টে।

সিম্পলি একটা করে মাইনাস আর একটা করে রিপোর্ট করে দিয়ে আসবেন । যদি সময় নষ্ট করতে না চান . এগুলারো দরকার নাই। জাস্ট ইগনোর দেম। কিচ্ছু করতে পারবে না। সিম্পলি কিচ্ছু না ।

এদের প্রচার বেশি। প্রচারেই প্রসার হইছে বেশি। নিজেরে বিরাট কিছু মনে করে। আসলে এদের শক্তি একটা লাল পিপড়ার কামড়ের চেয়েও বেশি না । কেন আমরা পিছাই?? পেটে ভাত নাই।

কিন্তু উৎপাদন আছে। ডিস্ট্রিবিউশন নাই ঠিকমত। কৃষক বাম্পার ফলাইয়া দাম পায় না। আপনি আমি কিনি বেশি দামে। আর লাভ করে সিন্ডিকেট।

আমাদের স্কুল-কলেজের কথা বাদ ই দেই। বছর বছর শিক্ষা-নীতি (নাকি দূর্নীতি)। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলাতে গবেষণা হয় না । দলীয় লোক দিয়ে চান্স হয়। টিচার হয়।

বিভিন্ন পদে চান্স পায়। এইসব অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলোতে নজর দেয়া দরকার সবার আগে্। সর্ব্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ থেকে সর্ব্বোচ্চ হতাশা নিয়ে বের হই আমরা সাধারণ ছাত্ররা। লবিং ছাড়া হয় না চাকুরি। ২-১% ব্যতিক্রম উদাহরণ না ।

খাদ্য. শিক্ষা , প্রতিরক্ষা খাতে যথেষ্ট গবেষণার সুযোগ কবে পাবো আমরা??? আমরা পিছিয়ে আছি বিজ্ঞানে। প্রযুক্তির ব্যবহারে। প্রত্যেকটা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য যথেষ্ট ফান্ড আছে, বিশ্বমানের গবেষণা যন্ত্রপাতি কেনার। শুধু ঢাবি, জাবি, বুয়েটএর দিকে তাকালে আমাদের হবে না । প্রতিযোগিতার অভাবে ওয়াল্ড রেংকিং কমে াচ্ছে আমাদের এইসব বিদ্যাপিঠের ।

আমাদের ইচ্ছা করে সুযোগ বঞ্চিত মেধাহীন করে রাখা হচ্ছে। কিন্তু বুকে হাত দিয়ে বলতে পারেন আমাদের মেধা কারো চাইতে কম, কারো চেয়ে কম পারি । কত আইনাস্টইন আজ ঘুরে বেড়াচ্ছে রাস্তায় রাস্তায় । কত নিউটন আজ সুযোগের অভাবে হয়ে যাচ্ছে সেলসম্যানেজার। আমরা কবে শোধরাবো।

বাবা মা বলে তুই গ্যানজামে যাস না । আমি বলি যেদিন বাবা তুমি যুদ্ধে গিয়েছিল সেই কিশোর বয়সে, তখন কি আমার দাদা-দাদি নিষেধ করছিল? যদি নাই করে থাকে , তবে আজ কেন নিষেধ কর। কেন অনার্স পড়ুয়া একটা ছাত্রর ক্যারেক্টার সার্টিফিকেট দেবে এইট পাস চ্যায়ারম্যান?? তাদের বললাম, যারা আজ ভালো ফলাফল করছে, তাদের যদি সব বাপ মা এমন চোখের মনি করেই রাখে , কোনো ধরণের ঝামেলাতেই (!! নিজের প্রাপ্য টা আদায় করা কে আমরা ঝামেলা মনে করি!!! একটা রিকশাআলা ২ টাকা বেশি চাইলে ক্যাচাল লাগাই। কিন্তু কেউ ছুরি ঠেকালে লাখ টাকাও বাইর কইরা দেই। ) না জড়াতে দেয় তাহলে তাহলে তো যারা অশিক্ষিত তাদের আন্ডারেই চলতে হবে তোমার ছেলেকে।

তোমার মেয়েকে হতে হবে টিজিং এর শিকার। তোমার ছেলে এস.এস.সি. এইচ.এস.সি.তে ভালো করল , ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হয়ে বিদেশ গেল । দেশের কি লাভ হল? কেনো একজন ভালো জাক্তার ইঞ্জিনিয়ার কি দেশের হাল ধরতে রাজনীতিতে নামতে পারেনা। পারে না , একজন ভালো স্কুল শিক্ষক দেশের হাল এভাবে ধরতে??? পারে । কিন্তু ঐ যে গ্যানজামের ভয়।

আফসোস আমরা শুধু ভয় ই পাই। হাল ধরতে আগাই না । আমাদের পররাষ্ট্র নীতি হল, তোয়াজ করে চলা নীতি। হাত কচলালেই তেল পড়ে । ধিক।

কেউ আমাদের নামে উল্টা-পাল্টা কথা বললে সরকার তার জবাব দিতে পারে না । কিমবা দিলে দেয় লোক দেখানো ১০-১২ দিন পর, তাও যদি জণগণ সেই ব্যাপারে মাথা ঘামায়। হাহ ! যখন ১০ টাকা কলরেট ছিলো তখন হিসাব কইরা কাজের কথা কইত মানুষ। মোবাইল কোম্পানির আয় হইত কম। এখন ২৫ পয়সা, ৪০ পয়সা করতে করতে এক দেড়শ প্রতিদিন বাইর হইলেও আমরা টের পাই না।

সম্পর্ক হইতে লাগে দেড় মিনিট, ভাঙতে লাগে ৫ মিনিট। আমরা অর্থহীন বকবকানিতে সারাদিন বেশিরভাগ তরুণ পোলাপাইন থাকি বিজি। নিজের পেটে ভাত নাই । মোবাইলে ব্যালেন্স থাকতে হইব। ব্যস্ত থাকার এতো উপকরণ চারপাশে, দেশ নিয়া ভাবার সময় কই।

(বহুত কষ্টে কথাটা কইলাম)। বদভ্যাস এমন ই খারাপ যে আগে তো নিজের শোধরাইতে হইব। আমার মতো সাধারণ কেউ বললে হবে না তো ,,, কেই বা শুনবে আমার এইসব অর্থহীন বকবক। এমনতো তো না যে এগুলো নিয়ে কেউ ভাবেনি । খালি কথাই তো কই , কাম তো কিছু করি না ।

লজ্জায় মাথা কাটা যায় আমার নিজের কাছেই। রাজনীতি খারাপ কারণ এখানকার লোকগুলা খারাপ। যদি এখনকার লোকগুলা ভালো হতো। তাহলে এটাও ভালো হতো । দেশকে শক্তিশালি করতে রাজনীতির প্রয়োজনিতা একটা অকাট মূর্খও অস্বীকার করতে পারে না ।

আর আমরা শুধু এড়িয়ে যাই। এড়াতে তে পারি??? অন্যদের কোন্দলের কারণে কি আমরাই পিছিয়ে যাচ্ছি না ???? আমরাই কি নিজেদের ব্যাকফুটে ঠেলে দিচ্ছি না । নিজের দেশ রে নিয়া রাজনীতি না কইরা , নিজের দেশের জন্য রাজনীতি করা লাগবে । কিন্তু সেটা কে করবে?? হাত পা গুটিয়ে থাকব?? বসে থাকব??? গ্যাঞ্জামে নাই। কারো সাতেও নাই পাচেও নাই।

তাইলে আমার বিপদে আমার পাশে কে দাড়াবে ?? কারো উপকার যদি না করি তাইলে , আমার উপকার কে করবে?? জানি না কি নিয়ে লেখা শুরু করছিলাম । হয়ত এগুলো কিছু আবোল তাবোল কথা। বলতে ইচ্ছা করল বলে দিলাম। না বললে শান্তি পাচ্ছিলাম না। শুধু এইটুকুই বলি - মানুষ আসলে মিলেমিশে থাকার প্রাণী না ।

সবার সাথে সবার মিলবে না । কেউ কেউ নিজের বাপ-মা তথা দেশমাতৃকাকে অপমান করার চেষ্টা করবেই। তাদের পাত্তা দেয়ার কিছু নাই। এদের ব্যান করেও হয়ত খুব লাভ হবে না। তাই ওদের ইগনোর ই করেণ।

কিন্তু আপনার পায়ে পাড়া দিলে ছাইড়া দিয়েন না । আপনি শান্তিপ্রিয় থাকতে চান থাকেন। কিন্তু কেউ অশান্তি করলে কি ধরণের পদক্ষেপ নিবেন, সেটার বিষয়েও নিজেকে প্রশিক্ষিত রাখেন। প্রিভেনশন ইজ বেটার দেন কিউর। এদের প্রশ্রয় দিলে মাথায় উঠবে।

তারপর সিন্দাবদের ভুতের মতো ঘাড় থেকে নামবে না । জয় হোক শান্তির , জয় হোক মানবতার। জয় হোক বাঙালির সামনে চলার বীরত্বগাথা। সাবাশ বাংলাদেশ , এ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয়। জ্বলে, পুড়ে , মরে ছাড়খার তবু মাথা নোয়াবার নয়।

কারো খারাপ লাগলে , আজাইরা পোস্ট মনে হইলে নিজ দায়িত্বে মাইনাস দিয়া যাবেন। কিন্তু গালাগালি কইরেন না ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।