View this link
পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির টার্গেট ব্রাজিলের
যুক্তরাষ্ট্রের কোনো মাথাব্যথা নেই
অতিসম্প্রতি ব্রাজিল তার মিলিটারি শক্তি সমৃদ্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছে। ২০০৮ সালে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ‘ন্যাশনাল ডিফেন্স স্ট্র্যাটেজি’ ঘোষণা করে। এই কৌশল অনুযায়ী সহযোগী রাষ্ট্রের সহায়তায় শক্তিশালী জাতীয় প্রতিরক্ষা শিল্প তৈরির উদ্যোগ নেয় ব্রাজিল। এ বছরই ফ্রান্স ও রাশিয়া থেকে মিলিটারি প্রযুক্তি ক্রয়ের চুক্তি হয়। এরপর থেকে ফ্রান্স ও রাশিয়া ব্রাজিলের কাছে অত্যাধুনিক অস্ত্র, বিমান ও গোলাবারুদ বিক্রি শুরু করে।
ইতোমধ্যে ব্রাজিল সরকার ঘোষণা দিয়েছে ২০১০ সালে দেশটির নিজস্ব প্রযুক্তির এক হাজার ৩০০ হেলিকপ্টার মিলিটারিতে যোগ হবে। দেশটির হেলিব্রাস ফ্যাক্টরির ৫০টি ইউনিট এসব হেলিকপ্টার তৈরি করছে। ২০০৯ সালে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নৌবাহিনীকে ৩০ বছরের উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণের নির্দেশ দেয়। এই পরিকল্পনার আওতায় ক্রয় অথবা নির্মাণের মাধ্যমে ৪০ হাজার টন ধারণক্ষমতার দু’টি এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার, চারটি ২০ হাজার টন ধারণক্ষমতার এএইচডি, ৩০টি স্কর্টস শিপ, ১৫টি সাবমেরিন, পাঁচটি পারমাণবিক সাবমেরিন ও ৬২টি পেট্রোল শিপ সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে ব্রাজিলের। ২০০৯ সালের জুলাই মাসে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী নেলসন জবিন বলেছিলেন, 'We are raising a study to make the financial schedule of the entire project. It will be a 20 year plan, including modernization and expansion of the elements of the Brazilian territory’ এই সময়ের মধ্যেই দেশটি পারমাণবিক অস্ত্রে সমৃদ্ধ হতে চায় বলে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।
ব্রাজিলের পারমাণবিক প্রস্তুতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো মাথাব্যথা নেই
ব্রাজিলের পারমাণবিক প্রস্তুতি নিয়ে কোনো মাথাব্যথা নেই যুক্তরাষ্ট্রের। ব্রাজিলের আণবিক সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি কয়েক দশকের পুরনো। গত আগস্ট মাসে আরব নিউজের একটি রিপোর্ট এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে। পত্রিকাটির পক্ষ থেকে প্রশ্ন ছিল সৌদি আরবে মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে। সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক রিপোর্টটি প্রকাশের তিন বছর আগে ওই রাষ্ট্রদূতকে জিজ্ঞেস করেছিলেন ব্রাজিলের পারমাণবিক প্রস্তুতি নিয়ে তাদের কোনো উদ্বেগ রয়েছে কি না।
তিনি জবাব দিয়েছিলেন ‘মোটেই না’। বলেছিলেন, ‘১৯৯০ দশকে আণবিক অস্ত্র (স্থাপনা) কর্মসূচি ব্রাজিল ধ্বংস করে ফেলেছে। একই সাথে ব্রাজিলের কথিত শত্রম্ন আর্জেন্টিনাও আণবিক কর্মসূচি পরিত্যাগ করেছে। ’ পাল্টা প্রশ্নও ছিল ‘কিন্তু ব্রাজিলে তো এখনো এনরিচমেন্ট প্রোগ্রাম ও রিপ্রোসেসিং ফ্যাসিলিটি চালু রয়েছে। ’ রাষ্ট্রদূতের জবাব ছিল, ‘ব্রাজিলকে নিয়ে আমাদের মাথাব্যথা নেই।
আমাদের পারস্পরিক যোগাযোগ বহাল রয়েছে। ’ কিন্তু সত্য কথাটি হচ্ছে এই যে, আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি এজেন্সির তদারকির এখনো বিরোধিতা করে চলেছে ব্রাজিল।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।