সুস্থবিজ্ঞানের চর্চা করতে চাই
আমরা সচারআচর বিখ্যাত দের বিভিন্ন মজার কাহিনী শুনে থাকি। পএিকায় এই নিয়ে অনেক লিখা হয়। আমরা সাধারনরা কোন মজা করলে যতটা প্রচার পায় তার থেকে বিখ্যাতরা মজা করলে মানুষ যেন তা লুফে নেওয়ার জন্য হুমরী খেয়ে পড়ে। আসল কথা কাহিনী যতনা তার থেকে তা থেকে আর বেশি করে লিখা বা প্রচার হয়ে থাকে। সে যাক এবার কাহিনীতে আসি।
কাহিনী-১:
একবার মাদামকুরী ও তার মেয়ে আইনস্টাইনকে দেখতে গেল। তারা তিন জন উচুনিচু পাহাড়ী পথে হাটতে হাটতে কথা বলছিলেন। তো মাদামকুরী আইনস্টাইনকে প্রশ্ন করলেন তার বিখ্যাত আপেক্ষিকতা বাদ নিয়ে প্রশ্ন করলেন। তখন মাদামকুরীর আকর্ষন দেখে আইনস্টাইন এক ব্যাখ্যা করতে লেগে গেলেন। মাদামকুরী ও তন্ময় হয়ে তা শুনছিলেন।
এক পর্যায়ে মাদামকুরীর মেয়ে চিৎকার করে বলল মা আইনস্টাইন সাহেব কোথায়। মাদাম কুরী যেন সম্বি ফিরে পেলেন। মা মেয়ে দুজনেই আইন স্টাইনকে খুজতে লাগলেন। অবশেষে তারা তাকে আবিষ্কার করেন পাহাড়ী একটা লত ধরে তিনি ঝুলছিলেন। তারা অনেক কষ্টে তাকে টেনে তুলেন।
দেখুন অবষ্থা আপেক্ষিকতা বুঝাতে গিয়ে তিনি কখন যে পাহাড়ে উপর থেকে পড়ে গিয়ে ছিলেন বলতেই পারলেন না।
কাহিনী-২:
পরমানু মডেলের জনক নীলস বোর এর কথা আমরা অনেকেই জানি। তিনি এমনিতেই খুব শান্ত শিষ্ট মানুষ ছিলেন। এটা তার ছেলে বেলার একটি কাহিনী। তখন তিনি স্কুলে পড়তেন।
ফাইনাল পরীক্ষা চলছে স্কুলে। তার মা তাকে নিয়ে খুব উদ্বিগ্ন। ছেলেটা এই পরীক্ষা কেমন দিচ্ছে তা কোন দিনই বলেনা। তাই পরিক্ষা থেকে ফিরে এলে মা প্রতিবারই প্রশ্ন করে “কেমন পরিক্ষা দিয়েছ নিলস বোর”। নীলস বোরের বিরক্তমুখে একই কথা “ভালই”।
আর কিছুই সে বলত না। তো একদিন যথারীতি পরিক্ষা শেষে মা জিজ্ঞেস করলেন পরিক্ষার কথা। নীলস বোর সাথে সাথে তার পরিক্ষার খাতা বের করে বলল “প্রতিদিনই তুমি একই কথা জিজ্ঞেস তাই আজ আমি খাতা নিয়ে আসলাম তুমি দেখ আমি কেমন পরিক্ষা দেই। “
পুরাতন হইলে মাইনাস দিয়েন।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।