পাত্রীর আর সাদাকালোর অসামান্য ব্লগ পড়ে আর ব্লগ লেকার সাহস পাচ্ছিনা। তবে নিজের ভিতরের মজা টাকে শেয়ার না করে, স্বস্হি পাচ্ছি না।
বান কি মুন এলেন, কথা বললেন এবং চলে গেলেন। মনে করেছিলেন সব বাংলাদেশের মতন, পাশাপাশিতো। সুকিকে তার হাতে তুলে দেবেন।
বান কি মুন disappointed, এটাই মিডিয়া বলছে।
দেখা করতে চেয়েছিলেন, তাও আনুমতি মিলে নাই। বিচার কাজ চলছে তাই দেখা করা যাবে না।
যত কিছুই বলেন, ব্যাপারটাকে বেশ উপভোগ করার মত। এত বড় লোক এলো, তারা পাত্তায় দিলোনা।
এবার কি হবে, কে আসবেন এর পর....................
আমাদের দেশের জন্য কি শিক্ষনীয় কিছু রয়েছে? অবশ্যুয়।
দেশের স্বার্থ বড় করে দেখতে হবে। কে কি বললো, কে কি করলো ব্যাপার না। দেশের জন্য কি দরকার, সেটাই মুখ্য।
আমাদের নেতাদের মায়ানমারে কিছু দিনের ট্রেনিং এর ব্যবস্হা করা যেতে পারে।
ওরা আহামরি কোনো দেশনা, এমন কোনো প্রতিরক্ষাও নেই তবে পা চাটা না, এটাই বড় কথা।
নিজার সমস্য তারা নিজেই সমাধান করবে বলে বলেছেন।
মায়ানমারে কোনো বিক্ষভ কিংবা মিছিল হলো না। নেতা দের কোনো বিবৃতি দেখা গালো না।
আমাদের দেশে দাড়িয়ে পিনাক এর মত বিভিন্ন লোকেরা দেশের বিরুদ্ধে কথা বলে আর নেতারা সাহস যোগায়।
কি অদ্ভুত কান্ড? রাজনীতি আমাদের, আমরা কি করছি, তড় উপর সে বলে কোন সাহসে। আজ নেতাদের অমিল কাল আবার দেশের জন্য একসাথে কাজ করবে, এটাই তো ন্যাচারাল। ডেশের ভালো খারাপ নিয়ে দ্বিমত নিজারাই করবে, বাইরের কারো মাঠা ঘামানোর দরকার নেই।
মিডিয়া ভায়েরা ব্যাপারটা কোন দিকে দেখবেন, সেটাই দেখবার। দেখি কাল তারা কি লেখে।
মায়ানমারের চৌদ্দ গুস্টি উদ্ধারের সম্ভবনায় বেশি।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।