আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি জাগো
-অপূর্ব সরকার, চট্টগ্রাম থেকে...
অনেক সয়েছি, ভষ্মীভূত ধ্বংসস্তূপের পাশে
আর নয়।
খুনি-দেশদ্রোহী-বর্বর নরপশু ওরা
রক্তের ছাপ একে দিল
দশমাস,দশদিনে গড়া
স্নেহ লালায়িতার স্বপ্নে।
অনেক সয়েছি, আর নয়।
রাত্রির ঘর আমানিশার ওপারে
আলোকজ্জল স্বপ্নময় পৃথিবীর
অকৃত্রিম ভালবাসার অব্যক্ত ঘ্রাণে
বদ্ধ পাগল-চেতনহারা
আমি আর আমার সঙ্গীদের নিয়ে
হয় যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসি!-না হয় ধ্বংস
চুরমার ঐ দেয়ালধারী অমানুষগুলোর
মায়ামমতাহীন হৃদয়
যাদের ‘৭১’-এর নারকীয় হত্যা-লুণ্ঠন-ধর্ষণ
আর দেশদ্রোহিতায়
স্বাধীনতার চল্লিশ বছর পরেও
বাংলা মা আমার রক্তাক্ত রাজপথে!
-লুণ্ঠিত মা-বোনের সম্ভ্রম!
স্বাধীন বাংলার
-আমার মায়ের অস্রুভেজা মাটিতে
ঘরে ও বাইরে; কাগজে বা ব্লগে
তাদের বিচিত্র ঘৃণ্য সুরের অসহনীয় ব্যঙ্গ
যা আমাকে, তোমাকে
-আমাদের চৌদ্দপুরুষের পুরুষত্বকে করেছে
কর্দমাক্ত-ঔজ্জল্যহীন, প্রশ্নময়!
তবুও তুমি জাগলে না!
ছিঃ! লজ্জায় আমার মাথা কাঁটা যাবে।
কি শুনতে পাচ্ছ? বুকে বিঁধছে?
জানোয়ারদের ব্যঙ্গাত্মক হাসি?
-যদি না শুন তবে কেন স্রস্টার শ্রেষ্ঠ বান্দা ভাব নিজেদের?
যারা নয় মাস গণহত্যা-লুণ্ঠন-ধর্ষণে
রক্তে রক্তে অপবিত্র করেছে মনুষ্যত্বকে, বাংলার মাটিকে!
তবুও তুমি জাগলে না!
ছিঃ! লজ্জায় আমি কুলাঙ্গার বলব তোমাকে!
গণজোয়ারে জাগিছে আজ প্রজন্ম চত্বর
দেখ্- ঊষা উঠিয়াছে রাঙি!
কুয়াশার প্রচীর ভেদন করিব
-হবে দেশদ্রোহীদের ফাঁসি!
তাই এসো আজ আমরা কেবল এই শপথেই বাঁচি।
আজ জাগরে মানুষ ভাইয়েরা আমার
হাতে নিয়ে বিপ্লবী হাত
ধ্বংসিব যত অসভ্য-কুজাত
গড়িব শান্তির ছাদ।
কোলে তুলে দিব চিরযৌবনা “সত্য সৈনিক!”
প্রতিটি মায়ের কোলে
তুই কাঁদিসনে মা-
চেয়ে দ্যাখ আঁখি মুছে
লাখো গণজমায়েতের চিৎকারে গণদাবী আজ
জীবনের কবি “কবির সুমন”-এর গানে।
জীবনের প্রতি পাতায় শিল্পীর রঙ্ তুলিতে আঁকা-স্বদেশ
প্রিয় মাতৃভূমির শাড়ির আঁচলে যারা আগুন লাগিয়েছে
আজ এই জীবন-মৃত্যুর দুয়ারে দাঁড়িয়ে শ্বপথ করছি
তাদের রক্তের রঞ্জিত তরবারিতে চুমু খাব
আর তারপর-
স্নীগ্ধ শীতল মায়ের কোলে
এক বুক নিঃশ্বাস ছেড়ে
নির্ঘুম দেহটাকে তলিয়ে দেব।
অনেক কেঁদেছি,আর নয়।
আজ জাগো, তোমরা জাগো
সময় এসেছে স্বাধীন বাংলার
মায়ের স্বাধীনতার পুনরুদ্ধারের।
স্বপ্ন নয় সত্যি
একবার, শুধুই আর একবার
একাত্তরের স্বাধীনতার মায়ের পুনঃমুক্তির চেতনায়
বীরের জাতি আমরা
হাতে হাত, কণ্ঠে কণ্ঠ মিলিয়ে একসাথে
বিদ্রোহী-তোমরা ঝাঁপিয়ে পড়
মানুষরূপী দস্যি-দানবের বুকে।
তারপর আলোক জ্বাল
আলোক জ্বাল আমার এই বঙ্গমায়ের ঘরে।
মায়ের দুর্দিনে ছেলেরা হাসলে!
কাপুরুষ তোরা মরে যা
বিদ্রোহী যাবেই সাথে। ।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।