বোলাররা যথেষ্টই সফল ছিলেন। পাকিস্তানকে গুটিয়ে দিয়েছিলেন মাত্র ২৪৯ রানে। এর পরও সংশয়টা ছিলই, জিম্বাবুয়ে কি পারবে সিরিজের প্রথম টেস্টের নিয়ন্ত্রণ নিতে?
সংশয়টা যে ভুল ছিল, তা প্রমাণ করে দিয়েছেন জিম্বাবুয়ের ব্যাটসম্যানরা। সেটা সম্ভব হয়েছে চতুর্থ উইকেটে সিকান্দার রাজা ও ম্যালকম ওয়ালারের ১২৭ রানের জুটিতে। দ্বিতীয় দিন শেষে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ২৮১ রান, পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে ৩২ রানে।
স্বাগতিকদের হাতে আরও তিনটি উইকেট। এলটন চিগুম্বুরা যেভাবে খেলছেন, বাকিদের সহায়তা পেলে পাকিস্তানকে জোরালোভাবে চেপে ধরার আশাটা করতেই পারে জিম্বাবুয়ে।
৯ উইকেটে ২৪৯ রান নিয়ে আজ টেস্টের দ্বিতীয় দিনের খেলার শুরু করে পাকিস্তান। তবে দলীয় সংগ্রহে আর কোনো রান যোগ করা হয়নি। পাকিস্তানিদের ইনিংস থেমে যায় সেখানেই।
বোলারদের নৈপুণ্যে বেশ স্বস্তিতেই ছিল জিম্বাবুয়ে। কিন্তু ব্যাটিংয়ের শুরুটা স্বস্তির হয়নি। ৬৮ রানের মধ্যে পতন ঘটে তিনটি উইকেটের। এর পরই অবশ্য পাল্টে যায় চিত্র। চতুর্থ উইকেটে প্রতিরোধ গড়েন রাজা ও ওয়ালার।
সাঈদ আজমল যখন ব্যক্তিগত ৭০ রানে থাকা ওয়ালারকে ফেরালেন, তখন জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ১৯৫ রান। এরপর বেশি বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি অভিষেক টেস্ট খেলা রাজাও (৬০)। তিনি ফেরেন দলীয় ২১২ রানে। ওয়ালারের জায়গায় খেলতে আসা চিগুম্বুরা অবশ্য খেলে যাচ্ছেন দুর্দান্ত। দিন শেষে তিনি অপরাজিত ৪০ রান নিয়ে।
চিগুম্বুরাই এখন জিম্বাবুয়ের ইনিংসের কান্ডারি।
পাকিস্তানের সফলতম বোলার আজমল। জিম্বাবুয়ের পতন ঘটা সাত উইকেটের চারটিই শিকার করেন এই অফস্পিনার। এ ছাড়া জুনায়েদ খান দুটি ও রাহাত আলী একটি উইকেট নেন। ছবি: ক্রিকইনফো।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।