নামের সাথে কামের কিছু মিলতো থাকবোই
প্রথমেই বলে নেই যেসব জিনিস প্রতিদিনের জন্য, তাকে উদযাপনের জন্য আলাদা দিনের প্রয়োজনীয়তা আমার কাছে নেই। সে ভালবাসা দিবস হোক কিংবা মা দিবস অথবা বন্ধু দিবস। এসকল জিনিস আমার কাছে কন্টিনিউয়াস প্রসেস মনে হয়। প্রতিদিনের প্রতিমুহুর্তের জিনিস। সেটি যখন দিবসে চলে আসে তখন বুঝতে হবে বছরের বাকি দিনগুলি সে পার করবে অবহেলায়, অযত্নে।
আমার মতবাদ আমার কাছেই থাক। কাজের কথায় আসি।
আমার মনে হয় বাংলাদেশে ভালবাসা দিবসের কালচারটা ব্যপকভাবে প্রচার করে যায়যায়দিন। পরবর্তীতে মিডিয়ার কল্যানে তা এখন প্রকট আকার ধারন করেছে। ৬ বছরের শিশু থেকে ৬০ বছরের বৃদ্ধ পর্যন্ত এ কালচারের সাথে পরিচিত হয়ে গেছে।
বাংলাদেশের যে সকল ইকমার্স অনলাইনে আছে তাদের বিকিকিনি সাধারনত যে কোন দিবস বা উপলক্ষ্যতে বেশি হয়, বিশেষ করে ঈদ, জন্মদিন, মা দিবস এবং ভালবাসা দিবসে বেশি হয়।
যুগ বদলাচ্ছে কিন্তু যুগের সাথে তাল মিলিয়ে মনে হয় আমি বদলাতে পারছি না। কোন একজায়গায় শিকড় গজিয়ে গেছে। আর তাই ভালবাসা দিবসের উপহার তালিকাতে আমি গতানুগতিকের বাইরে কিছু মনে করতে পারছি না। যেহেতু একটি ইকমার্সে কাজ করি, তাই আগামি ভালবাসা দিবসের আগাম প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছি।
ভালবাসা দিবসের সম্ভাব্য উপহার তালিকা এখানে যুক্ত করেছি। আর কি কি দেয়া যেতে পারে এই আইডিয়া কি কেউ আমাকে দিতে পারেন?
ছেলেদের জন্য:
- শার্ট
- প্যান্ট
- সুগন্ধি
- পাঞ্জাবী
- ফতুয়া
মেয়েদের জন্য:
- শাড়ী
- সালোয়ার কামিজ
- ফতুয়া
- সুগন্ধি
ছোটদের জন্য:
- কাপড়
- খেলনা
সবার জন্য:
- মগ
- কেক
- ফুল
- চকোলেট
- পিজ্জা
- মিষ্টি
- আইসক্রীম
- মোবাইল ফোন
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।