ত্যাড়া...
বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্বজনীন মেধার অধিকারী শিক্ষার্থীরা প্রায়ই কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়াই মেতে উঠে মারামারিতে। বিশ্বজনীন হয়ে উঠার জন্য মারামারি বা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার যোগ্যতাও অবশ্যক কিনা আমার জানা নেই। তবে তারা কি কারণে বা কোন উদ্দেশ্যে একাজ করেন তা নিজেরাই অনেকে জানেন না।
মুহসীন হলের একটি রুম থেকে ব্লগিং করছি। এখান থেকে এফ রহমান হলটি দেখা যায়।
শেষ বিকেলে জানালা দিয়ে নজর পড়লো এফ রহমান হলের ছাদে। অনেক লোকের সমাগম, হৈ-হুল্লোর, চেচামেচি। বুঝা যাচ্ছিল মারামারির মতো কিছু একটা হচ্ছে। মাঠেও অনেক লোক দেখা গেল।
রুম থেকে নেমে গিয়ে জানতে পারলাম জহু হলের সাথে মারামারি হচ্ছে।
জহু হলের ছাত্ররা আগ্রাসী হয়ে ছুটে আসছে, এফ রহমানে ঢোকার চেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু হল গেট বন্ধ। তাই চিৎকার চেচামেচি-ঢিল ছেড়াছুড়ি। এফ রহমানের ছাদ থেকে ইট ছোড়া হচ্ছে।
কি কারনে এমন ঘটনা শুরু হলো জানে না অনেক প্রত্যক্ষদর্শী, এমনকি যারা একাজে অংশ নিচ্ছে তাদের অনেকেও।
ঘটায় অংশ নিয়েছে এমন পরিচিত কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানা গেল তারাও জানে না আসল ঘটনা।
দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠের বিশ্বজনীন হয়ে উঠা ছাত্রদের এধরণের কর্মকান্ড কতটা বিবেকপ্রসূত? জাতির উন্নয়নে এরাই একসময় হয়তো এমপি-মন্ত্রী হবে। ।
বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা এধরণের বিশ্বজনীন (!?) কাজ দেখতে আসিনি। আর দেখতেও চাইনা।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।