আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

বগুড়া জনতা মেডিকেল ইন্সটিটিউটের পরিচালকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

সামুতে বারবার ইসলাম ধর্মকে অবমাননা করলেও কর্তৃপক্ষের নিশ্চুপ থাকার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হিসাবে ব্লগিং বন্ধ করলাম এখানে। ধিক্কার সামুর কর্তৃপক্ষকে

বগুড়া শহরের জলেশ্বরীতলায় অবস্থিত জনতা মেডিকেল ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজির বিরুদ্ধে দুর্নীতি, নানা অনিয়ম, ছাত্র-ছাত্রীদের বিনা কারণে অত্যাচার ও নীপিড়নের অভিযোগ উঠেছে। এসকল অভিযোগে ওই প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টায় মৌন মিছিল সহকারে বগুড়া প্রেসক্লাবে এসে কান্না জড়িত কণ্ঠে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক আনোয়ার হোসেন সুমনের বিরুদ্ধে অত্যাচার ও নীপিড়নের কাহিনী বর্ণনা করে। প্রেসক্লাবে ছাত্র-ছাত্রীদের পক্ষে জয়ন্ত কুমার ঘোষ লিখিত বক্তব্যে বলেন, এ প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতির বিষয়গুলো নৈতিক দায়িত্ব নিয়ে সাংবাদিকদের মাধ্যমে তারা দেশের জনগণ এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানাতে চায়। সেই সাথে শিক্ষার্থীরা পরিচালকের পদত্যাগ, অতিরিক্ত বেতন ভাতা নেয়া বন্ধ, শিক্ষার্থীদের অযথা নানা ধরনের মানসিক ও শারিরীক নির্যাতন বন্ধ, অতিরিক্ত ইন্টার্নী ফি নেয়া বন্ধ, অনুষদের নিয়ম বর্হিভূত জোরপূর্বক অবৈধ নিয়ম কানুন চাপিয়ে না দেয়াসহ ১৬ দফা দাবী পেশ করা হয়।

ছাত্র-ছাত্রীরা উল্লেখ করেন, প্রতিষ্ঠানটি রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ অধিভূক্ত হলেও সেখানে কোন নিয়ম নীতি মানা হয়না। প্রতিষ্ঠানের প্রধান ডাঃ আক্কাস আলী তার পুত্র আনোয়ার হোসেন সুমনকে (অযোগ্য ব্যক্তি) পরিচালকের পদে বসিয়ে উক্ত প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করান। ওই পরিচালকের মনগড়া নিয়ম কানুন, অন্যায় অত্যাচার ও নানা রকম দুর্নীতিতে সকল শিক্ষার্থীদের প্রতিনিয়ত অমানষিক নির্যতন সহ্য করতে হচ্ছে। গত বছর পরিচালক সুমনের অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে কয়েকজন ছাত্রী প্রতিষ্ঠান ছেড়ে চলে গেছে এবং ছাত্রীদের বাথরুমে ক্লোজ সার্কিট (সিসিডি) লাগিয়ে ঘরে বসে গোসলের দৃশ্য দেখার ঘটনা বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশ হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়। শিক্ষার্থীরা আরো অভিযোগ করে, প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ কখনই কলেজে আসেন না।

পরিচালক তার স্ত্রী-সন্তান ও কাজের লোকজন নিয়ে প্রতিষ্ঠানেই থাকেন। যা একটি আবাসিক প্রতিষ্ঠানে কখনওই কাম্য নয়। কোন ছাত্র অথবা ছাত্রী তার অনুগত না হলে জোর করিয়ে তাকে পরীক্ষায় ফেল করিয়ে অভিভাবক ডেকে অপমান করানো হয়। এছাড়াও বিভিন্ন অনুষ্ঠান করার নাম করে শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে অযথা হয়রানীমূলক চাঁদা আদায় করা হয়। সম্মেলনে ওই প্রতিষ্ঠানের অযোগ্য পরিচালক আনোয়ার হোসেন সুমনের পদত্যাগ এবং দ্রুত যোগ্যতা সম্পন্ন পরিচালক নিয়োগের দাবী করা হয়।

সেই সাথে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অনুমোদিত ও রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদের পদস্থ কর্মকর্তাদের প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতিবাজ পরিচালকের অভিযোগের ঘটনাগুলো তদন্ত করার অনুরোধ করা হয়। যাতে পরবর্তীতে এই প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার সুষ্ঠ পরিবেশ ফিরিয়ে আসে। তথ্যসূত্রঃ দি এডিটর!

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।