অনেক দিন হল এই আইন চালু আছে। ৭২ এর সংবিধান অনুযায়ি ধর্মীয় রাজনিতি বন্ধ করা যেত, কিন্তু সেটা বদলিয়ে ফেলা হয়েছিল পরবর্তি সামরিক শাশনামলে। কিন্তু, ৭৪ এর স্পেসাল পাওয়ারস এক্ট এ সেই অধ্যাদেশ রয়েই গিয়েছিল এবং সেটা কোন গনতান্ত্রিক বা সামরিক সরকার পরে আর বাদ দেয়নি।
তার মানে কি দাড়ালো তাহলে? আমার চিন্তায় এর মানে দাঁড়ায়, জামাত এবং অন্যান্য সব ধর্মীয় রাজনিতি করা দলগুলোর “ডিসকোওয়ালিফিকেশন” জারী করা এই ইলেকশন কমিশনের পক্ষে খুবই সম্ভব একটা ব্যপার। রাজনৈতিক সদিচ্ছা আছে কি না সেটা হয়তো এখান থেকেই বোঝা যাবে।
প্রসঙ্গতঃ উল্লেখ্য যে কমিশনার সামসুল হুদা আদর্শিক ভাবে এই মর্মে জাসদের সাথে একমত পোষন করেছেন। আপনারা কে কি ভাবছেন এই ব্যপারে - জানাবেন।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।