বিজ্ঞানী সফদর আলীর মহা মহা আবিস্কার
ধরা যাক হার্ট অ্যাটাকে কারো হার্ট থেমে গেছে, কিন্তু পুরো দেহ অক্ষত আছে। এটা কেমন মৃত্যূ? ডাক্তারেরা বলবেন ক্লিনিকাল ডেথ । কিন্তু এটা কেমন মৃত্যূ?
ড. শেরউইন নুল্যান্ডের একটা বই আছে নাম "হাউ উই ডাই" । তার ভাষ্যে এই মৃত্যূ হল দেহকোষের মৃত্যূ। হার্ট অ্যাটাকের রোগীরা মারা যায় কারন গুরুত্বপূর্ন অংগগুলো মারা যায় অক্সিজেনের অভাবে।
আর হার্ট থেমে যাবার মিনিট পাচেকের মধ্যেই এই ঘটনাটা ঘটতে শুরু করে।
সম্প্রতি দেখা গেছে দেহকোষ মৃত্যূর পরও প্রায় ঘন্টাখানেক জীবিত থাকে অক্সিজেন ছাড়া। তাহলে অক্সিজেন সরবরাহ করলে রোগী বেচে ওঠে না কেন? এর উত্তরটা বিশ্ময়কর, জানা গেছে হার্ট অ্যাটাকের মিনিট পাচেক পর যদি আবার যদি অক্সিজেন সরবরাহ শুরু করা হলে, অক্সিজেনের কারনেই দেহকোষ মরতে শুরু করে!
কেন? বিজ্ঞানীরা দায়ী করছেন অ্যাপোসটসিস পদ্ধতিকে । এই প্রক্রিয়ায় শরীর ক্যান্সারের মতো অ্যাবনর্মাল দেহকোষ নিধন করে। মিনিট পাচেক অক্সিজেন বিহীন থাকার পর যখন আবার অক্সিজেন সরবরাহ শুরু হয় তখন এই প্রক্রিয়ায় দেহকোষ গুলো মরতে শুরু করে।
বাস্তবে এরকম রোগীদের অক্সিজেন সরবরাহ বাড়িয়ে দিয়ে জীবন বাচানোর চেষ্টা করা হয়, যা মৃত্যূকেই কাছে টেনে আনে।
বিজ্ঞানীরা তাই এখন ভিন্ন পথে আগাতে চাইছেন। চেষ্টা চলছে হার্ট অ্যাটাকের পর যথা সম্ভব কম অক্সিজেনে দেহকে বাচিয়ে তোলা। আর সেকাজে সম্প্রতি সাফল্যও এসেছে কিছুটা।
জীবন-মরনের রহস্য কতোই না জটিল
মূল লেখা এখানে
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।