জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট হারের হাত থেকে দলকে বাঁচানোর সর্বোচ্চ চেষ্টাটাই করছিলেন অধিনায়ক মিসবাহ-উল-হক। কিন্তু সফল হতে পারলেন না। নিজে ৭৯ রানে অপরাজিত থাকলেও পাকিস্তানকে শেষ করতে হলো ২৪ রানের হার নিয়ে। ১৯৯৮ সালের পর পাকিস্তানের বিপক্ষে আরও একটি টেস্ট জয়ের আনন্দে ভাসলেন জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটাররা। দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজটাও শেষ হলো ১-১ সমতায়।
জিম্বাবুয়ে জয়ের স্বপ্ন দেখছিল কাল থেকেই। পাকিস্তানের প্রথম পাঁচ উইকেট তুলে নেওয়ার পর জিম্বাবুইয়ানদের জন্য আজকের সকালটা এসেছিল স্বপ্ন পূরণের হাতছানি হয়ে। দিনের চতুর্থ ওভারেই অপরাজিত ব্যাটসম্যান আদনান আকমলের উইকেট তুলে নিয়েছিলেন টেন্ডাই চাতারা। তরুণ এই ডানহাতি পেসারই পরবর্তী সময় সাজঘরে ফিরিয়েছেন সাইদ আজমল ও জুনায়েদ খানকে।
ক্যারিয়ার-সেরা বোলিং করে ৬১ রানের বিনিময়ে পেয়েছেন পাঁচটি উইকেট।
শেষ ব্যাটসম্যান রাহাত খানকে রানআউটের ফাঁদে ফেলেই বিজয়োল্লাসে মেতে উঠেছেন জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটাররা। ৭৯ রানে অপরাজিত থেকে হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে পাকিস্তানের অধিনায়ক মিসবাহকে। ।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।