ইন্টারনেট সামর্থ্যের দিক বিবেচনায় বিশ্বের উন্নত, উন্নয়নশীল ও দ্রুত বর্ধনশীল ৪৬ দেশ নিয়ে তৈরি এক ইনডেক্স বা সামর্থ্য সূচকে বাংলাদেশ ৩৬তম অবস্থানে রয়েছে। ৭ ডিসেম্বর অ্যালায়েন্স ফর অ্যাফোরডেবল ইন্টারনেট (এ৪এআই) নামের একটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান প্রথমবারের মতো ‘অ্যাফোরডিবিলিটি ইনডেক্স’ বা ‘সামর্থ্য সূচক’ প্রকাশ করেছে।
অবশ্য এই সামর্থ্য সূচকে বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল ও উন্নয়নশীল ২৫টি দেশের মধ্যে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সামর্থ্যের সূচকে বাংলাদেশ ১৫তম। ভারতের অবস্থান ১০ ও পাকিস্তানের ১৩। এ বছরের ৭ অক্টোবর বিশ্বের ব্যাপক জনগোষ্ঠীর কাছে কম খরচে ইন্টারনেট সুবিধা পৌঁছে দিতে বিশ্বের বেশ কয়েকটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে এ৪এআই প্রতিষ্ঠিত হয়।
গুগল, সিসকো, ইনটেলের মতো প্রতিষ্ঠান এর সঙ্গে যুক্ত।
এ৪এআই প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের খরচ এখনও অনেক বেশি। অনেকের মাসিক আয়ের অর্ধেকের চেয়ে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের খরচ বেশি পড়ে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, দক্ষিণ আফ্রিকার কেপ টাউনে যাঁদের দৈনিক আয় দুই ডলারের নীচে তাদের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন গতির ব্রডব্যান্ডের ক্ষেত্রে মাসিক আয়ের ৪০ শতাংশ খরচ করতে হয় কিন্তু অনেক দেশেই ইন্টারনেটের খরচ মাসিক আয়ের সমান।
‘সামর্থ্য সূচক’ অনুযায়ী, ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সামর্থ্যের দিক থেকে বিশ্বের উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে যথাক্রমে মালয়েশিয়া ও মরোক্কো।
সবার নিচে ইয়েমেন।
এই প্রতিবেদন তৈরিতে যোগাযোগ অবকাঠামো ও ইন্টারনেট সুবিধার বিভিন্ন সূচক বিবেচনা করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইন্টারনেটের খরচ বেশি হওয়ায় বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ ইন্টারনেটের আওতা থেকে এখনও দূরে। এর ফলে মানুষের মধ্যে ডিজিটাল বৈষম্য বাড়ছে যা আর্থিক ও সামাজিক উন্নয়নে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
‘অ্যাফোরডিবিলিটি ইনডেক্স’ সম্পর্কে জানার লিংক http://a4ai.org/wp-content/uploads/2013/12/Affordability-Report-2013-FINAL.pdf
।অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।