আমি চাই শক্তিশালী স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ
প্রথমেই বলদাটার ফেসবুকের ষ্ট্যাটাস দেখি;
সৈয়দ আবুল হোসেন আর আবুল হাসান সত্যই দোষী কিনা জানি না। তবে যতটুকু বুঝতে পারছি - যে অভিযোগে মামলা হয়েছে সেই ধরনের কর্মকান্ড প্রতিটি বিদেশী সাহায্যের প্রজেক্টেই হয়ে থাকে। প্রজেন্ট শুরুতেই যে বিষয়গুলো কর্মকর্তা নিশ্চিত করে তা হলো - বিদেশ সফর, গাড়ী ক্রয়। বিশেষ করে বড় ধরনের ক্রয়ের সময় একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে টার্গেট করে সকল ডকুমেন্ট তৈরী করা হয় যাতে সেই প্রতিষ্ঠানটি কাজ পায় এবং সেই প্রতিষ্ঠান কাজ শুরুর আগেই কর্মকর্তাদের বিদেশ সফর নিশ্চিত করে। তবে এবারের পর থেকে কর্মকর্তা অবশ্যই বিষয়টা যে অনৈতিক তা জানবে।
তবে পুরো বিষয়ে প্রথম আলোর মতো একটা পত্রিকার ভুমিকা খুবই নিম্নমানের হয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে মসিউর রহমান আর আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে প্রথম আলোর জিহাদী মনোভাব সত্যই সাংবাদিকতার এথিকসকে লজ্জিত করছে। যেভাবে আবুল আবুল করে শিরোনাম তৈরী করে দুইজন রাজনীতিককে তুচ্ছতাচ্ছল্য করে শিরোনাম করছেন - সেইটা সত্যই দোষী হিসাবে প্রমানিত হওয়ার আগেই বিচারের ব্যবস্থা করে দিচ্ছে। কাল দেখলাম বিরোধীদলের নেতাও একই ভাষায় আবুল আবুল করে কথা বলছেন। বিষয়টা আসলেই অরুচীকর।
সাংবাদিকদের কাজ মনে হয় না এই ভাবে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডা করা - সত্যটাকেই তুলে আনা। মনে হয় না ড. মশিউর রহমানের বিরুদ্বে যে ভাবে অপমানজনক ভাবে প্রচারনা করে পদত্যাগের পক্ষে প্রপাগান্ডা চালিয়েছিলো তার জন্যে লজ্জিত হবে!
যে কোন প্রজেক্টের সবচেয়ে বড় দূর্নীতি হয় জমিক্রয় আর পূর্নবাসনে - সেখানে আবুল হোসেন সৎ ছিলেন না শুধু - একজন ইফিসিয়েন্ট ম্যানেজার হিসাবে দক্ষতার সাথে কাজ করেছে। আমাদের সমস্যা হলো দেশী ঠাকুর বাদ দিয়ে আমরা বিদেশী কুকুরের পুজা করি। বিশ্বব্যাংক আর তার দালালরা আবুল হোসেনকে টার্গেট করেছে - বলি পাঠা বানিয়েছে - এই জন্যে তাদের বিশেষ মিশন দিয়ে বাংলাদেশের জন্যে নতুন দূর্নীতির ডেফিনেশন তৈরী করেছে। যে দূর্নীতির ষড়যন্ত্রের কথা বলে হৈ চৈ হচ্ছে সেই অভিযোগে বাংলা সকল প্রজেক্ট ডাইরেক্টর অভিযুক্ত হবে।
যাই হোক - যা অভিযোগ তা প্রভিন্টেবল ছিলো। হবে দর্ণূীতির দায়ে বিশ্বে যে কয়টা মামলা হয়েছে তার মধ্যেপদ্মা সেতু মামলা হয়তো ৪ বা ৫ হবে। এই মামলা অবশ্যই ভাল একটা মরাল স্টেন্ডার্ডড তৈরী করবে। কিন্তু তার জন্যে কতটুকু নীচে নামতে হবে বাংলাদেশের সরকারকে। সেইদিকটাই দেখা উচিত।
ড. মসিউর রহমানকে রীতিমত অপমান করে কলাম লেখেছে প্রথম আলোর আনিসুল হক - কার্টুন একেছে শিশির আর সম্পাদকীয় লেখেছে মতিভাই। আর নিউজের কথা বাদই দিলাম।
প্রথম আলো আর ডেইলি স্টারের এতো আবুল বিদ্ধেষে কারন কি? বাংলাদেশে প্রতিবছর ১০ হাজার মানুষ সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত হয় আর দু্ ইসেলিব্রির ঘটনায় শহীদ মিনারের ঈদ করলো প্রথম আলোর কলামিস্ট আবুল মাকসুদ। আশা করি বিষয়টা আমরা সবাই বুঝি।
*************
আওয়ামী-বাকশালীদের চুরি বাটপারি ধরা পড়ে তারা আক্ষরিক অর্থেই উলঙ্গই হয়ে গেছে।
এটাই ক্যানেইডিয়ান বলদার উন্মাদের মত অবস্থা হয়ে গেছে। একবার বলছে আবুল দোষী সে নিশ্চিত নয় আবার বিদেশী প্রজেক্টে হয়েই থাকে। সে প্রায়ই কানাডার প্রশংসায় পঞ্চমুখ যে সভ্য গণতান্ত্রিক দেশ। এই বিষয়ে কেউ দ্বিমত করবে না। কিন্তু সেই দেশের পুলিশ যখন বলছে যে আবুল হোসেন এসএনসি লাভালিনের কাছে শুধু ঘুষই নয় বরং ভয়ভীতিও দেখিয়েছে।
দুদক লাভালিনের কর্মকর্তাদের আসামী করলেও দুই আবুলকে বাদ দিয়েছে। নিজেকে সে এত বুদ্ধিমান ভাবে যে বলে "তারেক রহমান র্দূনীতিবাজ কিন্তু সুরঞ্জিত ফেসে গেছে"। অতি চালাকি করতে যেয়ে যে মানুষ বলদ হয় তা এই সাবেক ছাত্র ইউনিয়ন ও বর্তমান আওয়ামীলীগারটা বার বার ভুলে যায়। তার নেত্রী হাসিনা যখন আবুলকে দেশপেরমিক সার্টিফাই করছেই তখন সে এটাকে বৃথা যেতে দিবে না। তাতে পদ্মা সেতু নির্মাণে দেড়ী হউক।
তাই চায়না যে কোন পত্রিকার এর বিরুদ্ধে কিছু লিখুক। চলচিত্র পরিচালক তারেক মাসুদের মৃত্যুতে সৈয়দ আবুল মকসুদ শহীদ মিনারে ঈদ পালন করলে তাতে তার গত্রদাহের সীমান নেই। কথায় বলে চোরের স্বাক্ষী বাটপার তা এই যে ঢালাও ভাবে ঘুষ নিয়ে অযোগ্য লোকেদের ড্রাইভিং লাইসেন্স দিচ্ছে সেটা গণ্য করে না। বলদাটার কথা হইল দেশের জনগণের উপর হাসিনা ষ্টীম রোলার চালালেও কেউ উহঃ শব্দও করতে পারবে না।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।