আমি একজন সাদা মনের মানুষ বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার চেষ্টা করার সময় কয়েকজন রোহিঙ্গা-সহ মোট ৫১জনকে গত চব্বিশ ঘন্টায় বাংলাদেশী সীমান্তরক্ষী ও উপকূলরক্ষীরা আটক করেছে।
এর মধ্যে বৃহস্পতিবার দুপুরে বঙ্গোপসাগরে সেন্ট মার্টিন ও শাহপরীর দ্বীপের কাছ থেকে ৩৬জনকে উদ্ধার করে বাংলাদেশের কোস্ট গার্ড বা উপকূলরক্ষী বাহিনী। এদের মধ্যে ১৫জন ছিলেন রোহিঙ্গা, বাকিরা বাংলাদেশী নাগরিক।
সম্পর্কিত বিষয়
বাংলাদেশ
তার আগে বৃহস্পতিবার ভোররাতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফের দুটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি-ও মোট পনেরোজনকে উদ্ধার করে।
টেকনাফের কাটাবনিয়া ও বড়হাবিবছড়া অঞ্চলে ধরা পড়া এই ব্যক্তিরা লুকিয়ে অবৈধ পথে মালয়েশিয়া পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন বলে বিজিবি জানিয়েছে।
এই পনেরোজনের মধ্যে সাতজন ছিলেন রোহিঙ্গা, বাকিরা বাংলাদেশী নাগরিক।
বিজিবি-র কর্মকর্তা লে: কর্নেল জাহিদ হাসান বলেন, শীত পড়লেই অবৈধ অভিবাসীরা সমুদ্রপথে বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়া পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেন। এই প্রবণতা শুরু হয়েছে ১৯৯৩-৯৪ সাল থেকেই, এখনও তা চলছে।
মালয়েশিয়ায় অভিবাসীদের পাচারের সাথে জড়িত, কক্সবাজারের স্থানীয় এরকম প্রায় ৪৯জনের নামের তালিকাও প্রস্তুত করেছে বিজিবি, যাদের অনেকের বিরুদ্ধে মামলাও করা হয়েছে।
কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ধৃতরা জামিন পেয়ে গেছেন, পাচার-হওয়া ব্যক্তিরাও আদালতে গিয়ে পাচারকারীদের শনাক্ত করেননি – ইত্যাদি নানা কারণে পাচারকারীদের বিরুদ্ধে বেশির ভাগ মামলাই ধোঁপে টেকেনি।
অবৈধ পথে মালয়েশিয়া যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন, এরকম প্রায় ১০০ জনকে গত এক বছরে বিজিবি উদ্ধার করেছে।
তা ছাড়া নৌকা নিয়ে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া যাওয়ার সময় শুধু গত তিন চার মাসেই ২০০জনেরও বেশি লোক বাংলাদেশের কোস্ট গার্ডের হাতে ধরা পড়েছেন।
কক্সবাজারের স্থানীয় প্রশাসন বলছে, মালয়েশিয়াতে লোক পাচারের এই চক্র আগে মূলত রোহিঙ্গারাই চালাতেন – কিন্তু ইদানীং বাংলাদেশী নাগরিকরাও এই চক্রে জড়িয়ে পড়েছেন।
কক্সবাজারে সদ্যই পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন আমজাদ মিঁঞা – তিনি বিবিসিকে জানিয়েছেন, এই অবৈধ পাচারের চেষ্টা ঠেকাতে তারা এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছেন। ।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।