আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

‘যাযাবর’ জীবন ছাড়বেন মরিনহো!

যখন যে ক্লাবে গেছেন, সফলতা পেয়েছেন। কিন্তু হোসে মরিনহো কোনো ক্লাবেই দীর্ঘ সময় ধরে থাকেননি। ‘স্পেশাল ওয়ান’ ২০০৪ সালে যখন প্রথম চেলসির দায়িত্ব নেন, সেবার স্টামফোর্ড ব্রিজে তাঁর স্থায়িত্বকাল ছিল সাড়ে তিন বছর। সেটাই কোনো ক্লাবে কোচ হিসেবে সর্বোচ্চ সময় অবস্থান মরিনহোর।
পর্তুগিজ কোচ আবারও দায়িত্ব নিয়েছেন চেলসির।

স্টামফোর্ড ব্রিজে ফিরেছেন চার বছরের চুক্তিতে। দ্বিতীয় মেয়াদে কোচ হিসেবে মরিনহোর পরিচয়পর্বটাও হয়ে গেল গতকাল সোমবার। অভিষেক সংবাদ সম্মেলনে রিয়াল মাদ্রিদ থেকে চেলসিতে ফেরা মরিনহো জানিয়ে দিলেন, এবার দীর্ঘ সময় চেলসিতে থাকতে চান তিনি।
‘নিজস্ব একটা পরিচয় গড়ে তোলার জন্য চাই সুস্থিরতা। আমি মনে করি, ফুটবলে পরিচয়টা অধিক গুরুত্বপূর্ণ।

চেলসি যদি অনেক তরুণ খেলোয়াড় কেনে, ওদের আরও ভালো জায়গায় নিয়ে যেতে হবে। ’ বলেন মরিনহো।
মরিনহোর কথা থেকে স্পষ্ট, ‘যাযাবর’ জীবন ছেড়ে এবার স্টামফোর্ড ব্রিজে থিতু হওয়ারই আগ্রহ তাঁর। তবে এর জন্য যে চেলসি কর্তৃপক্ষের সহায়তাও দরকার, সেটাও মনে করিয়ে দিতে ভুললেন না তিনি, ‘চেলসিকেও স্থির হতে হবে। কয়েক বছর পর পর কোচ ও দর্শন পরিবর্তন করলে চলে না।

অমনটা করলে জয়ের ধারা ও সফলতা ধরে রাখা কঠিন। দলে তরুণ খেলোয়াড়দের নিজস্ব পরিচয় গড়ে তোলাও কঠিন। তবে ক্যারিয়ারের এ পর্যায়ে কঠিন কাজটাই করতে চাই আমি। ’
‘ডেইলি মেইল’ জানিয়েছে, মরিনহোর সংবাদ সম্মেলনে উঠে আসে জন টেরির প্রসঙ্গও। মরিনহোর প্রথমবার যখন চেলসির দায়িত্বে ছিলেন, টেরি তাঁর প্রথম পছন্দ ছিলেন না।

সেই টেরি এখন চেলসির অধিনায়ক। তাহলে কি চেলসিতে টেরির ভাগ্য আবারও অনিশ্চিত হয়ে পড়ল? অভয় দিলেন মরিনহো। জানালেন, অধিনায়কত্বের আর্মব্যান্ড ৩২ বছর বয়সী টেরির হাতেই থাকবে। তবে তাঁকে দলে জায়গা পাওয়ার ‘গ্যারান্টি’ দেওয়া সম্ভব নয়। পর্তুগিজ কোচ বলেন, ‘জন ক্লাবের অধিনায়ক হওয়ায় ভক্তদের মতো আমিও খুশি।

খেলার সুযোগ পেলে অধিনায়কত্বের আর্মব্যান্ডও অবশ্যই ওর হাতেই থাকবে। আর সে যদি প্রথম একাদশে সুযোগ না পায়, তাহলে তো তার অধিনায়ক থাকার কোনো সুযোগ নেই। ’
২০০৪ সালে চেলসির দায়িত্ব নিয়েই মরিনহো বীরদর্পে ঘোষণা করেছিলেন, তিনি ‘স্পেশাল ওয়ান’। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে চেলসির রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করে সেই মর্যাদাও রেখেছিলেন মরিনহো। তবে ২০০৭ সালে তাঁকে বরখাস্ত করে চেলসি কর্তৃপক্ষ।

মাঝখানে ইন্টার মিলানকে চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা জিতিয়ে মরিনহো রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেন ২০১০ সালে। বার্সেলোনার আধিপত্য ছাপিয়ে গত বছর তাঁর অধীনেই স্প্যানিশ লিগ জেতে রিয়াল। চুক্তি অনুযায়ী ২০১৬ সাল পর্যন্ত রিয়ালে থাকার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু চলতি মৌসুমে রিয়ালের ব্যর্থতায় বিদায়ঘণ্টা বেজে যায় তাঁর। ।

সোর্স: http://www.prothom-alo.com

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।