আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

আস্তিকতা, নাস্তিকতা অতপর; অশ্লীতা

I am waiting for someone and I know she will ever come. পৃথিবীর ১৮ হাজার মাখলুকাতের মধ্যে মানুষ না’কি সর্বশ্রেষ্ঠ প্রাণী । কত বিকল্প, বিচিত্র, উদ্ভুদ-বিকৃত রুচির অধিকারী এই শ্রেষ্ঠ জাতির । তারই কিছু নমুনা তুলে ধরার তুচ্ছ চেষ্টা করছি । প্রথমত আস্তিকতা : বিশ্বের ৭০০ কোটি মানুষের মধ্যে প্রায় সবভাগ মানুষ আস্তিক । আস্তিক মানুষের মধ্যে প্রায় বেশির ভাগ মানুষ “এক ঈশ্বরবাদে বিশ্বাসী”।

আস্তিকদের মধ্যে খুব কম সংখ্যক মানুষ আছে যারা ‘বহু ঈশ্বরবাদে বিশ্বাসী’ । পৃথিবীর সব প্রান্ত থেকেই আস্তিকদের সম্মান করা হয়, ভালোবাসা হয় সর্বোপরি উৎকৃষ্ট ভাবা হয় । দ্বিতীয়ত নাস্তিকতা : জগতের খুব কম মানুষ আছে যারা নাস্তিক। এরা অনেক বেশি যৌক্তিক , মানবতাবাদী ও বিজ্ঞান মনস্ক হয়। কেউ মানুক আর নাই মানুক সব কিছুতে তারা বৈজ্ঞানিক যুক্তিযুক্ত ব্যাখা দাঁড় করে সত্যকে প্রতিষ্ঠা করেন ।

এরা অনেক বেশি জ্ঞানী, ধ্যানী । তাদের জ্ঞান, ধ্যান সৃষ্টির রহস্য কেউ হার মানায় । যুক্তি আর জ্ঞনের পরিসীমা তাদের কে নাস্তিক হতে উৎসাহিত করে। অবশ্য সবাই যে ভেতর থেকে বা আদর্শগত দিক থেকে নাস্তিক তাও না । কেউ কেউ আছেন প্রচারমুখী নাস্তিক কিন্তু ভেতরে ভেতরে আস্তিকতাকেই লালন করেন ।

সমাজে বা মিডিয়াতে হাইলাইট হবার জন্যই অনেকে এমনটা করেন। বিজ্ঞানই হচ্ছে নাস্তিকদের প্রধান অবলম্বন। কিন্তু তারা ভুলেই যান বিজ্ঞান গুরু আইনেস্টানের স্বয়ং স্বীকার করা কথা , “ঝপরবহপব রং নষরহফ রিঃযড়ঁঃ ৎবষরমরড়হ.” শেষয়ত অশ্লীতা : বর্তমান সমাজের বাস্তাতার দিকে নজর দিলে দেখা যায় যে, অশ্লীতাই এখন সামাজিকতায় পরিণত হয়েছে । মিডিয়ার কল্যাণে হলিউড, বলিউড, টালিউড, ঢালিউডের অশ্লীলতার মহা প্লাবণে ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ তথা রাষ্ট প্লাবিত । এই প্লাবণের প্রতিরোধ সম্ভব হয়নি বলে আমরা ধরেই নিয়েছি এটি আমাদের জীবনেরই এক অনুষঙ্গ, অনিবার্য অধ্যায় ।

এ অধ্যায় পৃথিবীর সব প্রাণীই কালটিভেট করে । কেউ নিরবে করে, কেউ সরবে করে । বিশেষয়ত মানুষ এ অধ্যায়কে আজকাল আশাতীত চর্চা করে । স্কুলের বালক-বালিকা থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষয়ত্রী পযর্ন্ত এ চর্চায় মশগুল । হাজী-গাজী, মাওলানা-মুন্সী, মন্ত্রী-আমলা, ডাক্তার-প্রকৌশলি, লেখক-সাহিত্যিক-সাংবাদিক, ফকির-সাধু-সন্ন্যাসী কেউ এর চর্চিত কলঙ্ক থেকে মুক্ত নয় ।

তাইতো প্রতিদিন নিত্য নতুন অডিও-ভিডিও স্ক্যান্ডেল আমাদের বিনোদনের সঙ্গী হচ্ছে । আমরা সাদরে তা গ্রহণ করছি । আমরা যে ৩২ বছর ধরে কি ভয়ংকর সময়ের মধ্যে অবস্থান করছি মহানবী (স কথায় তা স্পষ্ট প্রমাণিত । তিনি বলেন,“ ১৪০০ সালের পরে কি ঘটবে আমি তা জানি না । ” আমরা সেই জানিনার যুগে বাস করছি ।

যে যুগ সম্পর্কে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানুষ অবহিত নন । যে হারে যৌনতা আর অশ্লীতা বৃদ্ধি পাচ্ছে অদূর ভবিষতে মনে হচ্ছে মানুষ আস্তিকতা, নাস্তিকতার বিতর্কে না জড়িয়ে শধু অশ্লীতায় মনোনিবেশ করবে । তখন অশ্লীতাই হবে আলোচ্য বিষয়, মানুষের ধ্যান, জ্ঞান । আজ ঘড় থেকে বেড় হলেই মনে হয় চারদিকে “ খাও দাও ফুর্তি করো, দুনিয়টা মস্ত বড়” সেই স্লোগানের পথে গণ মানুষের গণ মিছিল। কোথায় যাচ্ছি....? কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে আমাদের ...? ।

সোর্স: http://www.somewhereinblog.net     দেখা হয়েছে বার

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.