আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

যেখানে সেখানে গোলাম আযম , নিজামি , সাইদি , মুজাহিদ এদের সমালোচনা থেকে বিরত থাকুন । ব্লগের সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ।

সময় আসলো একটি কঠিন সত্যির মোকাবেলা করার । আমাদের যুদ্ধঅপরাধী এবং রাজাকার যাই বলেন না কেন এদের আলোচনা এবং সমালচনা করার ব্যাপারে আমাদের কিছু সাবধানতা এবং ধারনা পরিবর্তন করা খুবই প্রয়োজন । প্রথমে কিছু নীতিকথা বলে নেই – সব সময় মনে রাখবেন ভাই মানুষ দুই ভাবে বিখ্যাত হয় । এক আলোচনায় এবং দুই সমালোচনায় । একটি বিষয়ে আমরা যতই আলোচনা এবং সমালোচনা করব সেই বিষয়টি ততই দিন কে দিন আরও মুখরোচক এবং আকর্ষণীয় হয়ে উঠে হয়ত সেটা পুরনিমার চাঁদ নাহয়ে অমাবসস্যার চাঁদ হয়ে আকর্ষণীয় হয় ।

আসুন মুল ঘটনায় যাই – আমার ছোট বোন ক্লাস টু তে পড়ে সে প্রায়ই খবর দেখে এবং সেখানে বুঝেত না কিছু কিন্তু বুঝে শুধু ছবি । তো এই যে শেষ যেই সুনানির দিন গেল লোকটার ,আমি নাম ভুলে গেছি , সে আমাকে জিজ্ঞ্যাস করল এভাবে হাত পা বেধে এদেরকেকই নিয়ে যাচ্ছে ? এদেরকে কেন কষ্ট দিয়ে এভাবে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ ? বুঝতে পারছেন কি বলতে চাচ্ছে সে ? তার কথা হল কেন পুলিশ এদেরকে হাত পায়ে সেকল পরিয়ে কষ্ট দিচ্ছে । তখন আমি বলছিলাম এরকম করে এই লোকগুলি আমাদেরকে বেধে নিয়ে যেত , টাই এখন অদেরকে বাধা হয়েছে । তাতে সে বুঝল না , তখন বললাম যে তোমার ডরেমন কার্টুনের জিয়ান যেমন সবাইকে খুব কষ্ট দেয় তেমনি এরাও সবাইকে কষ্ট দিয়েছে তাই এদেরকে এখন পুলিশ ধরে মার লাগাবে । জানি না কতটুকু বুঝল সে কিন্তু তাকে তো বুঝানর উপায়ও নাই যে এরা কে , কি তাদের পরিচয় ? কেনইবা এদেরকে ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে ? শেষ আলোচনা – জামাত শিবিরের কাছে এরা সবসময় আলোচিত এবং এদেরকে নায়ক বানানোর প্রচেষ্টা এদের ।

আর অন্যদিকে আমাদের পরের প্রজন্ম আমার মতে এদের ব্যাপারে না জানলেই ভাল কেননা দেখুন আমরা যদি এদেরকে একেবারে শেষ করতে চাই তাহলে এদের আলোচনার সাথে সাথে সমালচনাও শেষ করে দিতে হবে সাথে সাথে তাদের নাম এবং নিশান । সুতরাং আমার আবেদন থাকবে সবার কাছে যেভাবে কোন খারাপ , পর্ণ , অশ্লীল ছবি বাচ্ছাদের সামনে নিসিদ্ধ তেমনি এই সব দেশ বিরোধীদের ছবিও সরাসরি প্রচার করা বন্ধ করা হোক । আর শেষ করার আগে একটা বললে আরও ক্লিয়ার হবেন , জার্মানির নাৎসি নেতার ছোট বেলা থেকেই বদনামই শুনলাম , গোটা পৃথিবীর বেশীরভাগ মানুষ তাকে ঘৃণা করে সাথে আমিও কিন্তু আমার মত অন্যরাও মনের কোথাও না কোথাও আজও তাকে নায়ক হিসেবে দেখেন । এত কিছুর পরও হিটলার বেচে আছেন শুধুমাত্র সমালচনার কারনে ।  ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.