আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

সর্বকালের সেরা দশটি ছবি!!!

বিশ্বের নিপীরিত মানুষের শত্রু একটাই এবং তদের ধরন একই, এরা রয়েছে অনেক দূরে। এই শত্রুরা রয়েছে যেখানে থেকে পুঁজিবাদী এলিটদের জন্ম, যেখান থেকে এরা সরকার প্রধানদের ব্যাবহার করে তাদের শক্তি প্রেরণ করে, আর ঐ সরকাররা তাদের তাঁবেদারি করে লাভবান হয়। অনেক দিন ধরেই ফটোগ্রাফির উপরে আমার আগ্রহ, এই কারণে যখন যেখানে যে ধরনের ছবি পাই সেগুলো তুলেও ফেলি। কয়েকদিন আগে নেটে সর্বকালের সেরা দশটি ছবি আমি চিহ্নত করতে পেরেছি। ছবিগুলো দেখে কখোন কেদেছি, অবাক হয়েছি, স্থব্ধ হয়ে গিয়েছি, বিস্মিত হয়েছি, অনুপ্রাণীত হয়েছি।

কথা দিতে পারি আবেগ-আপ্লুত আপনি না হয়ে পারবেন না। ১। আফগানী বালিকা (১৯৮৪): ১৯৮৪ সালে তোলা আফগান স্টিভ ম্যাককারির তোলা আফগান কিশোরীর ছবি। স্টিভ ছিলেন ন্যাশনাল জিওগ্রাফির একজন ফটোগ্রাফার। শারবাত গুলা স্কুলে এসেছিলো পড়া-লেখার জন্য।

তখন তার বয়স ১২ বছর। ঠিক সে সে সময়ি স্টিভ তার ছবি তোলার অনুমতি চান। কিন্তু স্টিভ কি জানতো এই ছবিই একদিন সেরা ছবির স্থান দখল করতে যাচ্ছে। ২। ওমাইরা সানচেজ (১৯৮৫): কলম্বিয়ার নেভাদো দেল রুইজ আগ্নেয়াগিরির বিষ্ফোরণের ২৫০০০ হাজার ভুক্তভোগীদের একজন ওমাইরা সানচেজ।

তের বছর বয়সে পানি ও কনক্রিটের মাঝে তিন দিন আটকে থাকে সে। মৃত্যুর কয়েক মুহুর্ত পূর্বে ফোরনিয়ের ওমাইরার ছবিটি তুলেছিলেন, এবং এই কারণে কলম্বিয়ান সরকারের সাথে ফটোগ্রাফারদের বাদানুবাদ শুরু হয়। পরবর্তিতে ছবিটি যখন বিশ্বব্যাপী মুদ্রীত হয় তখন চারিদিকে নিন্দের ঝড় ওঠে। মা আমার তোকে আমরা সবাই চিনছি, তবে তোর মৃত্যুর পর। ৩।

৩। চার্চিলের চিত্র (১৯৪১): উনস্টন চার্চিলের ওয়াট্টা ভ্রমনের সময় কানাডিয়ান ফোটোগ্রাফার ইউসুফ কার্শ এর তোলা। The portrait of Churchill ছবিটি ইউসুফকে বিশ্বব্যাপি ব্যাপক সুনাম ও পরিচিত এনে দেয়। এটা বলা হয়ে থাকে যে এই ছবিটি বিশ্বকে চিত্রকে বিশ্বের কাচধে নতুন করে উপস্থাপন করে। এটা লাইফ ম্যাগাজিনের কভার পেজও হয়েছিলো।

৪। কাসোভোর উদ্বাস্তুদের অঙ্গীকার(১৯৯৯): পুলিৎজার বিজয়ি এই ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে আগিম শালা তার সন্তানকে তার নানা-নানীর কাছে পৌছে দিচ্ছে কাটা-তারের বেড়া ডিঙ্গিয়ে। শালা পরিবার কাসাভোর যুদ্ধের পর এই বর্ডারের কাছে একে অপরের সাথে দেখা করতে এসেছিলো। ছবিটি তুলেছেন কারল গাজী। ৫।

আহত শিশুটি ক্রুল করে ফুড ক্যাম্পের দিকে যাচ্ছে (১৯৯৪): ১৯৯৪ এর সুদানের দুর্ভিক্ষের সময়ে তোলা এই ছবিটিও পুলিৎজার প্রাপ্ত। এই ছবিটি বর্ণনা করছে আহত শিশুটি বুকে ভড় দিয়ে ইউ এন-এর একটি ফুড ক্যাম্পের দিকে যাচ্ছে। চোখে তার অসীম স্বপ্ন। একমুঠো খাদ্য, এক বিন্দু জল, আছে আর কয়েক কিলোমিটার সামনে। যা ওর বয়স ও শক্তির তুলনায় অনেক দূরে।

শকুনটি অপেক্ষা করছে শিশুটির মৃত্যুর। ছবিটি দেখে বিশ্ব বিবেক থমকে দাঁড়ায়। প্রশ্নবোধোক ও বিস্ময়কর চিহ্নদুটি একে অপেরের দিকে তাকিয়ে থাকে নিজ নিজ গাম্ভীর্য নিয়ে। কেভিন কার্টার শিশুটিকে পাশ কাটানোর সময়ে ছবিটি তুলেছিলেন। কিন্তু কষ্ট করে ফুড ক্যাম্প পর্যন্ত পৌছে দেন নাই।

তিন মাস পরে মানসিক চাপ সইতে না পেরে কেভিন আত্মহত্যা করেন। ৬। Segregated Water Fountains [1950]: উত্তর ক্যারোলিনার পানির উৎস স্বতন্ত্র করে রাখা হয়েছে ছবিটি তুলেছেন ইলিয়ট এর উইট। ৭। আত্মাহুতী- জ্বলন্ত বিক্ষু (১৯৬৩): থি কুং ডাক একজন ভিয়েতনামের বৌদ্ধভিক্ষু।

তিনি নিজের গায়ে আগুন লাগিয়ে দেন শহরের জনবহুল এলাকায়। দক্ষিণ ভিয়েতনামের ক্যাথলিক ডিয়েমের দমন নীতির প্রতিবাদের স্বরূপ তিনি নিজের গায়ে আগুন লাগিয়ে ধ্যানে বসে পড়েন। অবিশ্যাস্য হলেও সত্য পোড়ার সময় থি কুং নিজের শরীরের কোন অংশ নাড়া-চাড়া করেন নাই। ৮। বিল(২০০০): বিল নাপা কান্ট্রি, ক্যালিফোর্নিয়া পূর্ব সোনমা ভ্যালীতে অবস্থিত।

এটি নীল আসমান ও সবুজ ঘাষের জমিনের একটি নৈসর্গিক প্রাকৃতিক দৃশ্য। উইডোজ এক্স পি তে এই ছবিটি ডিফল্ট ‘লুনা থিম’ নামে পরিচিত। ছবিটি চার্লস ও’রেয়ার নামের একজন প্রোফেসনাল ফটোগ্রাফার তুলেছেন ১৯৭৯ সালে ন্যাশনাল জিওগ্রাফীতে নাপা ভ্যালীর একটি আর্টিকেল লেখার জন্যে। ও’রেয়ারের এই ছবিটি উইনডজ এক্সপির ২০০$ মিলিয়ন ডলারের “Yes you can” বিজ্ঞাপনের জন্য ব্যাবহার করেন। ৯।

The Triangle Shirtwaist Fire (১৯১১): এই ছবিট ট্রায়াঙ্গাল শার্টওয়েস্ট কোম্পানীর লাশের ছবি। কোম্পানীর নিয়ম অনুযায়ী যরুরী সময়ে দরজা বন্ধের কারণে পালতে পারে নাই (বিশেষত নারীরা। )। ১৪৬ জন মানুষ সেদিন মারাগিয়েছিলো। আন্তর্যাতিক মহিলা গার্মেন্টস শ্রমীক ইউনিয়ন এই ছবিটি প্রকাশ করে।

২০১০ সালে বাংলাদেশের গাজীপুরে এক গার্মেন্টস কারখানায় আগুন ধরে গেলে গার্মেন্টসের কর্মকর্তারা দড়জা লাগিয়ে দেন শ্রমীকদের ভেতরে রেখেই। সেই ঘটনায় সেরকম কেউ নিহত হয়নি একজন নারী ছাড়া। কতৃপক্ষের দাবী তারা নাকি ‘মালামাল লুট এড়াতে এই কাজ করেছে। ’ হায়রে মানুষ। ১০।

সবশেষ আপনার জন্য একটি প্রশ্ন ‘ছবির বিখ্যাত এই ব্যাক্তিটি কে?’ [সংগ্রহীত] ।

সোর্স: http://www.somewhereinblog.net     দেখা হয়েছে ১০ বার

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.