আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

মিসরের খুনের সর্বশেষ আপডেট।

পাওয়ার অব পিপল স্ট্রংগার দেন দি পিপল ইন পাওয়ার। http://mhcairo.blogspot.com/ নিহত ব্যাক্তির নাম: মোহাম্মদ ডাক্তার। জেলা: সিরাজগন্জ। থানা: উল্লাপারা। গ্রাম: শ্রীপুর।

আকবর আলি কলেজের পেছনে। (ঐ অন্চলের কোন ব্লগার থাকলে খুজখবর নিতে পারেন) সন্দেহভাজন খুনি: নাম: মোহাম্মদ মিজান। একই গ্রামের একই পাড়ার ছেলে। নিহত ব্যাক্তি ও অভিযুক্ত খুনি সহ মোট দশজন মিসরের সিক্স অক্টবর জেলার এখটি ফ্লাটে থাকত। তাদের কম্পানিতে মোট ৭০ বাংলাদেশি কাজ করে।

কম্পানির নাম KTC. তাদের অন্যান্ন সাথিরা ঘটনা বর্ননা করেন এভাবে: গত বৃঃস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে ৮ জন কাজে চলে যায়। সারে ৯টার দিকে মোহাম্মদ মিজান কম্পানিতে যায়। বেলা ১টা পর্যন্ত মোহাম্মদ ডাক্তার ফ্যাক্টরিতে না গেলে কম্পানি থেকে একজনকে পাঠিয়ে ডাক্তারকে ডেকে পাঠায়। কিন্তু সে তাকে বাসায় মৃত অবস্থায় পায়। সাথে সাথে সে কম্পানিকে জানায়।

ক্পানির লোকজন এসে বাকি নয়জনকে বন্দি করে লাশ সহ থানায় প্রেরণ করে। মিজান ব্যাতিত বাকি আটজনের ভাষ্য হচ্ছে, সকালবেলা তারা অফিসে যাবার সময় মিজানের গায়ে যে পোশাক দেখেছিল অফিসে যাবার সময় সে অন্য পুশাকে ছিল। এবং বাসায় খুজ করে তার পুরাতন পোশাক পাওয়া যায় নি। মিজান গত সাত মাস আগে তাদের একই পাড়ার মোহাম্মদ ডাক্তারকে দেরলক্ষ টাকার কন্ট্রাকে মিসরে আনে। ২০ হাজার টাকে কাজ করে শুধ করার কথা ছিল, কিন্তু এখানে আসার পর ডাক্তার জানতে পারে যে তাকে ট্যুরিষ্ট ভিষায় আনা হয়েছে, ফলে সে বাকি ৩০ হাজার টাকা দিতে অস্বিকার করে, বা এদিক সেদিক কথা বলে এখনো ৩০ হাজার টাকা প্রদান করে নি।

সব শেষে, মোহাম্মদ ডাক্তার আগামী ২৫ তারিখ দেশে ফিরে যাবার জন্য টিকিট কাটে এবং কম্পানি থেকে ছুটি নেয়। যার দরুন তাদের দুই জনের মাঝে বেশ কিছুদিন যাবৎই গন্ডগোল চলছিল। যার দ্বরুন মোহাম্মদ মিজানই, মোহাম্মদ ডাক্তারকে খুন করেছে। কেহ কেহ বলছে যে, গতকাল মোহাম্মদ মিজান পুলিশের নিকট স্বীকারও করেছে। পুলিশ মোহাম্মদ মিজান ও মোহাম্মদ ডাক্তার এর লাশ দেশে পাঠানোর ব্যাবস্থা করছে।

এই মাত্র খবর পাওয়া গেল, পুলিশ মিজান ব্যাতিত বাকি আটজনকে ছেড়ে দিয়েছে। দূতাবাস থেকে এখনো কোন সংবাদ নেয়া সম্ভব হয় নি। ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.